বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীদের বিজয় ও সরকারি ধোঁকা।
১৬ ই জুন, ২০১৩ রাত ৮:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
গতকালের নির্বাচনের ফলাফলের অনেক রকম পর্যালোচনা হচ্ছে। সবগুলি স্থানে ১৮ দলীয় সমর্থিত প্রার্থীদের বিজয়ে সবাই সকারের জন্য সংকেত বলে মনে করছেন। সরকারি দলের নেতা- কর্মীরাও টা মানছেন। বিএনপি ও জনসাধারণ অনেকেই বলছেন সরকারের বিরুদ্ধে মত। সেই চিরাচরিত বক্তব্য। কিন্তু এই ফলাফলে আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানের বিশ্লেষণ একটু ভিন্ন।
কেন জানি মনে হচ্ছে সরকার এই ধরনের একটি ফলাফল চাচ্ছিল। ভাবছেন তা কি করে হয়?
গত ২ বছরে দেশের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় তত্তাবধায়ক ইস্যু। সরকারের বক্তব্য, দলীয় , নির্বাচিত সরকারের অধিনে নিরবাচন। বিএনপি এর বিরোধী। এই ইস্যুতে দেশে অনেক হরতাল, খুনাখুনি হয়েছে। যাক। দলীয় সরকারের অধিনে নির্বাচন করতে হলে সরকারকে প্রমান দিতে হবে যে, দলীয় সরকারের অধিনে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। এই নির্বাচন সরকারের জন্য মুক্ষম সুজুগ। সরকার তার যথার্থ ব্যাবহার করেছে। এখন সরকার বলতে পারবে দলীয় সরকারের অধিনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব। ইতিমদ্ধে সরকারি দলের নেতেরা তা বলা শুরু করেছে। এখন সরকার আরও জোড়াল ভাবে চাইবে তাদের অধিনে নির্বাচন করতে, যা দেশকে গভির সংকটের মধ্যে ফেলবে। ৪ টি তেই পরাজয় একটু --------------------------------।
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
লিখেছেন
মাথা পাগলা, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৫৩

একটা দেশের উন্নয়ন কতটা এগিয়েছে, সেটা বোঝার অনেকগুলো উপায় আছে। তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেই দেশের রাস্তা, সেতু আর যোগাযোগব্যবস্থা। কারণ এগুলোর পরিবর্তন সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চোখে...
...বাকিটুকু পড়ুনঅভ্যাস আসলে কীভাবে তৈরি হয়?
আমরা অনেক সময় ভাবি, কোনো একটা অভ্যাস তৈরি করতে হলে অনেক বেশি Willpower দরকার।
আসলে ব্যাপারটা একটু অন্যরকম।
আপনি যদি প্রতিদিন এক ঘণ্টা বই পড়ার সিদ্ধান্ত নেন, কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন
লিখেছেন
রাজীব নুর, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪

শরতের সকাল! সকাল ৮ টা।
ভাদ্র মাস। ইংরেজি সেপ্টেম্বর মাস। ২০২৬ সাল। ঘটনাটা কি হয়েছে, আমি বলি। মোটামোটি ভয়াবহ ঘটনা বলা যেতে পারে! যে কোনো সময় রোদ উঠবে।...
...বাকিটুকু পড়ুন
সংক্ষিপ্ত রায় সবচেয়ে বড় দায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নীতির। এর মধ্যে ২০০৯–২০২৪ সময়কালের সরকারের সিদ্ধান্তগুলোর দায় তুলনামূলকভাবে বেশি, কারণ ওই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো হলেও...
...বাকিটুকু পড়ুন
১।মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশে জুম্মার নামাজ পড়ার সুযোগ হয়েছে। ১২.৫০ এ আজান তারপর ১.১৫ দিকে জুম্মার নামাজের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ। আজানের কিছুক্ষণ পর খুতবা শুরু তারপর...
...বাকিটুকু পড়ুন