সামিল হয়, মৌন রজনীর নিভৃত সময়
যেন মহাকালের মতই স্থবির, নিশ্চুপ।
কালের পাখায় ভর করে অস্তিত্বের শিরা-উপশিরা
কষ্টের মানচিত্র আঁকে হৃদয়ের গ্রন্থিতে।
উদ্ভাসিত আলোকে আমার ঠাঁই নেই,
অতলান্তের আহবান প্রতিনিয়ত অন্ধকারে
নিমজ্জিত করে চলেছে আমার সত্ত্বা, চেতনা, মূল্যবোধ।
তিমিরের গ্রন্থি উন্মোচন করে কি আসবে না
সেই মহাপুরুষ? যার অনির্বাণ আলোকে
আমার নিখিলের পৃথিবী ঝলসে যাবে,
পুড়ে যাবে সব নষ্ট কষ্টের ভাড়ার।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




