ব্লগে পা রেখেছি দুই সপ্তাহের বেশি হয়নি। অনেক কিছুই লিখলাম এর মধ্যে। লিখেছি নিজের কষ্ট নিয়ে, এলোমেলো ভাবনা নিয়ে, বলতে না পারা অনুভূতি নিয়ে, দেশকে নিয়ে, আরো অনেক কিছু নিয়ে। হয়তো কারো ভালো লেগেছে, কারো লাগেনি। যারা সবসময় আমাকে বিভিন্ন উপদেশ দিয়ে, উৎসাহ দিয়ে প্রেরণা যুগিয়েছেন, আপন করে নিয়েছেন তাদের সবাইকে আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আপনাদের ভালোবাসায় চিরদিন সিক্ত হবো আর মনের গোপন কথাগুলিকে তুলে আনবো আমার আনাড়ি লেখনির মধ্যে দিয়ে এই প্রত্যাশা করছি।
আজ একটা অন্য ধরনের কবিতা আপনাদের জন্য।
হাঁটতে গিয়ে চলতি পথে
হঠাৎ মনে হলো-
পথটা কেমন অচেনা আর ভীষণ এলোমেলো।
অচিন পথেই চলতে থাকি,
ভাবছি মনে মনে,
কেমন হবে দেখা হলে বনলতার সনে?
হঠাৎ যদি এসে দাঁড়ায়
আড়াল করে পথ,
তেমন দীঘল কৃষ্ণ কেশে আঁধার পূর্ববৎ।
দীর্ঘশ্বাস গোপন করে
মাড়িয়ে ঘাসে পা,
মনকে বলি মিছেমিছি অত ভাবিস না।
অনেকটা পথ পেরিয়ে এসে
কঙ্কাবতী নদীর বাঁকে,
অচেনা এক জলকুমারী ইশারাতে আমায় ডাকে।
আপন মনে শুধাই তারে,
কে গো তুমি? বল কথা।
তুমি কি সেই নাটোরকন্যা, জীবনানন্দের বনলতা?
অবাক করা হাসি দিয়ে
জড়িয়ে ধরে গলা,
বলে-' না'গো আমি সাগরকন্যা, কপালকুন্ডলা।'
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




