শিয়ালগুলোর বিদ্যার বহরে ঘাটতি আছে। সব অন্ধ শিয়ালে ছোঁক ছোঁক করছে চারপাশ। ওরে শিয়াল চোখ মেলে দেখ, তোদের পাশেই মালেশিয়া, ইন্দোনেশিয়ার দিকে। তোদের চেয়ে অনেক বেশি ধর্মমনা আর সংস্কৃতিমনা ওরা। তোরা তো সব গ্রন্থগত বিদ্যে দিয়ে দেশকে সাত আসমান উপরে তোলার স্বপ্ন দেখছিস। যতসব রামছাগলের দল। ভুল, ছাগলও এতো নির্বোধ নয়। এক শিয়াল সম্ভবত শিয়ালনি দেখলাম লিস্টি করে ফতোয়া দিয়েছে, অনেককে কাফের ঘোষণা করেছে, নিশ্চিত দোজখে যাবে বলে সার্টিফিকেট দিয়েছে। ওই লিস্টির সবাই যে দোজখে যাবে সে ব্যাপারে আমিও একমত। কারণ তাদের কেউ বুজুর্গ (নাকি বুজুরুক) সাঈদী সাহেবের কাছ থেকে শিয়ালনির মতো বেহেস্তের টিকিট কিনেননি। অতএব দোজখে যাওয়া তাদের নিশ্চিত। কিন্তু লিস্টিটা বড্ড ছোট। শিয়ালনির বুদ্ধিতে মনে হয় শর্ট পড়েছিলো। শিয়ালনি জানে না, ঘোর মূর্তি উপাসককেও হলফ করে দোজখে যাবে এ কথা বলা যায় না কারণ সে মরার আগে ধর্ম পরিবর্তন করে মুমিন হতেও পারে। তার ধর্মজ্ঞান এতোই সীমিত।
এবার একটা গল্প বলি। এক লোক কোন পাপ কাজ করেন না। আর তার প্রতিবেশী সর্বদা মিথ্যাচারী। এই অপাপী লোক সবসময় হিসেব রাখেন পাপী লোকটি কি কি পাপ কাজ করলো না করলো এসবের। তার নিশ্চিত ধারণা ছিলো এই লোকটি নাস্তিক এবং দোজখে যাবে। মরার পর দু'জনকে আল্লাহর কাছে উপস্থিত করা হলো। অপাপী লোকটিকে জিজ্ঞেস করা হলো, তুমি সারাজীবন কি করেছো? লোকটি বললেন, এই লোকটি (পাপী লোকটিকে নির্দেশ করে) দূরাচারী। আমি প্রতিদিন তার পাপ কাজের হিসেব রেখেছি। আল্লাহ বললেন, 'সে প্রতিদিন পাপ কাজ করেছে আর অন্তত একবার মনে মনে বলেছে, হে আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করে দিও। আর তুমি প্রতিদিন তার পাপ কাজের হিসেব নিয়ে এতোই ব্যস্ত ছিলে যে একবারও আমাকে স্মরণ করতে পারনি'। এই হলো জ্ঞানপাপীদের জ্ঞানের বহর। আমাদের বর্তমান শিয়ালদের অবস্থাও এইরকম। তবে শিয়াল যত ধূর্তই হোক ফাঁদে তাকে পড়তেই হবে। আসুন শিয়াল নিয়ে একটা ছড়া শুনি।
ফান্দে পইড়া কান্দে শিয়াল
ভুইলা গেছে হাক্কা হুয়া,
নতুন লেবাস ধরছে শিয়াল
রাজাকারের জাউরা পোয়া।
এবার শিয়াল বুঝবি কেমন
আমজনতার বাশেঁর ডলা,
ঠেসে ধরলে খাবি শিয়াল
ছিইড়া নিজের বাপের কলা।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুলাই, ২০০৬ ভোর ৫:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




