একুশ মানে
দীপ্ত কনেঠ বলিষ্ঠ উচ্চারণ,
একুশ মানে
বুকের ভেতর গভীর রক্তক্ষরণ।
একুশ মানে
ভাষার জন্য মহান আত্মদান,
একুশ মানে
রক্তে লেখা প্রতিবাদের স্লোগান।
একুশ মানে
আপোষহীন অবিরাম সংগ্রাম,
একুশ মানে
সোনায় মোড়া বাংলা ভাষার নাম।
একুশ মানে
প্রভাত ফেরির ভাই হারানো গান,
একুশ মানে
তিমিরভেদী আলোক অনির্বাণ।
একুশ মানে
হাজার প্রাণের একই স্বপ্ন-আশা,
একুশ মানে
মায়ের কনেঠ ঘুম পাড়ানি ভাষা।
একুশ মানে
গভীর আবেগে হৃদয়ের কথকতা,
একুশ মানে
ভালোবাসা, ভালোবাসার বারতা।
** অনেক অনেক আগে লেখা এক কিশোর মনের অনুভূতি। তখন একুশ, একাত্তর, স্বাধীনতা শব্দগুলো বুকের মাঝে কেমন জানি ঝড় তুলতো, সে এক অন্য রকম অনুভূতি। আর এখন অনেকটা সুমনের মতো- আপোষে নেই, আপত্তি নেই আমারো। শুধু বলি- যদি ভাবো কিনছো আমায় ভুল ভেবেছো।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



