রাঙ্গামাটিতে বেড়ানোর সবচেয়ে আনন্দ হলো লেকে বোট ভাড়া করে সারা দিনের জন্য বেড়িয়ে যাওয়া। শান্ত এই লেকের অপরিসীম সৌন্দর্য সবাইকেই মুগ্ধ করবে। লেকের মাঝে জেগে আছে ছোট-বড় পাহাড়, কোন কোন পাহাড় লোক বসতি শুন্য আবার কোন পাহাড়ে 2/3 টি ঘর আছে। একটু গভীরে গেলে লক্ষ্য করবেন পাহাড়ী ঝর্না। ইচ্ছে করলে যে কোন পাহাড়ে নেমে যেতে পারবেন। আমারা এখানকার সুভলং বাজার, পেদা টিং টিং, পর্যটন এই কয়টি বিচ্ছিন্ন পাহাড়ে গিয়েছিলাম, যার বর্ননা অন্য কোন লেখায় দিব।
এখানে আছে বিশাল বৌদ্ধ মন্দির আর রাজার বাড়ী। ঐ স্থানে যেতে আমাদের সন্ধ্যার পার হয়ে গেলো। রাজার বাড়ীর সামনে আছে বিশাল সিংহ মূর্তি আর কামান। বিশাল এলাকা নিয়ে তৈরী হয়েছে এই বৌদ্ধ মন্দির। শত বছরের পুরানো ঐতিহ্য একেবারে কাছ থেকে দেখে এলাম। অনেক রাত হয়ে গিয়েছে তাই চলে এলাম নৌকায়। নেমে পড়লাম হোটেলের পাশে এক স'মিলে।
এখানে এসে বেশ কয়েকজন উপজাতির সাথে পরিচয় হয়েছে। এদের একজন উপেন চাকমার ছেলে নিদেন চাকমা (পিন্টু), একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি জ্যোতি চাকমা, ফ্রাংকো। আমারা সবাই হোটেলে আড্ডা দিলাম ঘন্টা খানেক। তাদের বন্ধুত্বপূর্ন আচরনে আমরা মুগ্ধ হোলাম। ফ্রাংকো তো আমাদের ঢাকায় আসার টিকেট কেটে দিলো এবং এমন ব্যবস্থা করে দিলো যাতে আমাদের আর বাস স্টান্ডে যেতে না হয়। আমাদের হোটেলের সামনে থেকে বাস আমাদের তুলে নিয়ে গেলো।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



