মাগরিবের নামায পড়ে মসজিদ থেকে বের হচ্ছি, দেখি এক লোক বাচ্চা কোলে নিয়ে মাসজিদে এদিক ওদিক হাঁটাহাঁটি করছে। আমাকে দেখে জিজ্ঞেস করল- ভাই হুজুর কই, বলতে পারেন? জানতে চাইলাম, কোন হুজুর? বললেন, ইমাম সাহেব হুজুর। জিজ্ঞাসা করলাম, হুজুরকে দিয়ে কি করবেন? বললেন, বাচ্চাটা রাতে ঘুমায় না, খালি কান্না করে, হুজুর ফুঁ দিয়ে দিলে ও ভালো হয়ে যেত। বললাম- ভাই, হুজুর ফুঁ দিলে ও ভালো হতেও পারে, নাও পারে। তার চেয়ে আপনি দুই রাকাত নফল নামায পড়ে ওর জন্য কান্নাকাটি করে দোয়া করেন। নিঃসন্দেহে আপনার বাচ্চা ভালো হয়ে যাবে ইনশা আল্লাহ। তিনি আমার দিকে বড় বড় চোখে তাকালেন। আবারও হুজুরের তালাশে হাঁটা শুরু করলেন।
আমাদেআসলে চেতনার বড় অভাব। কারণ ঝাড় ফুঁক শরীয়ত অনুযায়ী হলে তা নিতে সমস্যা নেই। কিন্তু বিপদাপদে নামাযের প্রতি ধাবিত হওয়ার উৎসাহই হাদীসে বেশী দেওয়া হয়েছে। আমরা আসলে সস্তা বেশী পছন্দ করি।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



