তখন জীবনের প্রথম প্রহর। বয়েস আর কত-১৩/১৪ বতসরের অধিক নহে। সবে চুল গজাইতে শুরু করিয়াছে দেহের বিভিন্ন অঞ্চলে। খুব ইবাদতি ছিলাম। খুব নামাজ দরুদ পড়িতেছি। মাদ্রাসায় পড়ি। বড় মৌলানা হইয়া মুমিনদিগকে সেবা করিবার নিমিত্বে নিজেকে গড়িয়া তুলিতেছি। তবিয়ত আমাদিগের বাটী হইতে মাদ্রাসার দুরত্ব ছিল দুই মাইলের অধিক। এমন ইবাদতি ছিলাম। কহিবার কথা একবার নবী মুস্তাফারে খোয়াবে দেখিলাম। মাতৃপিতৃকুল এহেন অলি সন্তানকে লইয়া কি করিবে ভাবিয়া পাইতেছেনা। আরেক দিন মাদ্রাসায় যাইতেছি। পথিমধ্যে আমার পায়খানা আসিয়া পড়ে। ততকালো আমাদিগের সহিত কয়েকটা মেয়েলোকও মাদ্রাসায় গমন করিত। তাহাদের মাঝে একজনের প্রতি আবার আমার বিশেষ মহব্বত ছিল। তো হাগু ক্রমে ক্রমে বাড়িতে লাগিল। আমি দোয়া দরুদ পড়িতে থাকিলাম। আরো ১মাইল পথ এখনো বাকি রহিয়াছে। আল্লাহকে বলিলাম তোমার কত ইবাদত বন্দেগী করিলাম জীবনে। রসুলকে খোয়াবে দেখিলাম। এই মোমিনের সম্মান রক্ষা করিবার দায়িত্ব তোমার প্রভু। এইখানে কত ধরনের মানুষ রহিয়াছে তদীয় মহিলাগণ রহিয়াছে। এমতাবস্থায় আমি যদি হাগু করি তাহা হইলে ইহ জন্মে আমার বদনাম হইয়া যাইবে। প্রভু শুনিলেন না হাগু আসিয়া আমার লুঙ্গি পাঞ্জাবি সকলি আথালি পাথালি করিয়া দিল। সত্বর গুয়ের গন্ধে চারিদিক গুণ্জরিত গইয়া উঠিল। কি কহিব লজ্জার কথা। সকলি হাসাহাসি করিতে লাগিল। ধুর ধুর করিতে লাগিল। তারপর পিছনে হাটিয়া কোনো প্রকার একটা পুকুরে ঝাপ মারিয়া ছিলাম। সেই থেকে বুঝিলাম খোদা বা ইশ্বর বলিয়া কেহ নাই ধরাধামে। আর থাকিলে ও তিনি হাগু বন্ধ করিতেও অক্ষম।। এই মতে আমি আমার ইশ্বরো বিশ্বাস হারাইলাম।।
কেন আমি ইশ্বর/আল্লাহ/ভগবানদিগের ওপর বিশ্বাস হারাইয়াছি।।
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
২২টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
ঢাবিতে "মব সায়েন্স" পড়তে হলে কী কী যোগ্যতা লাগে?

- রাজনৈতিক সুবিধার জন্য তৌহিদী জনতার ব্যবহার করা জানতে হবে।
- রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও মবকে থামাতে না পারলে সেটাকে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা না বলে "জনতার শক্তি" বলতে... ...বাকিটুকু পড়ুন
গোকুলে বাড়িছে সে

পরিস্থিতি যতই ঘোলাটে হচ্ছে, ততই স্পষ্ট হয়ে উঠছে- ক্ষমতার অন্দরমহলে অস্বস্তি বাড়ছে। একের পর এক বক্তব্য, ভিডিওবার্তা, ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ দেখে মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগছে- এত অস্থিরতার কারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন
আর্কাইভ থেকে: ফেলে আসা এক সড়কের কথা

ফেলে আসা এক সড়কের কথা মনে পড়ে। হলুদ নিয়ন বাতির ম্লানাভ সন্ধ্যেবেলা। পলেস্তারা খসা বয়োজীর্ণ দেয়াল। দুয়েকটি রিক্সা। সিটের ’পর পা তুলে আঁটোসাটো ঝিমানো চালক। খেলা শেষে ঘরে ফেরা... ...বাকিটুকু পড়ুন
কোথাও একটা ভুল হচ্ছে!
একটা ছোট নৌকা পাল তুলে পাড়ি দিচ্ছে-
অনন্ত নক্ষত্রবীথি।
পেরিয়ে যাচ্ছে- গ্রহ নক্ষত্র, মহাজাগতিক উল্কা।
দূরে কোথাও সংঘর্ষ হচ্ছে।
ধীর, অতি ধীর তার গতি। নৌকায় কয়েকজন মানুষ!
একটি শিশু,... ...বাকিটুকু পড়ুন
নিদারাবাদ থেকে মাছুয়াপাড়া
আপনার সবচেয়ে অপছন্দের খাবার হচ্ছে শুকর। শুধু অপছন্দের না, এটা আপনি ঘৃণাও করেন। কিন্তু আপনার পাশে বসে সবাই শুকর খায়। যে পাতিলে শুকর রান্না করা হয়, সেই পাতিলেই আপনার জন্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।