কাজকাম নাই। ভাবছি নাটক লিখবো।
নাটকের উপজীব্য অবশ্যই প্রেম। নর ও নারীর শাশ্বত প্রেম। যে প্রেমের সূচনা হতে পারে ধাক্কা খেয়ে। সচরাচর নাটকে তা-ই হয়। নায়িকার পেলব শরীরের সাথে ধাক্কা খেয়ে নায়ক তখনকার মতো শারীরিকভাবে সামলে নিলেও মানসিকভাবে পঙ্গু হয়ে যায়। রাত জেগে তারা দেখে, হারানো দিনের গান শোনে, নায়িকাকে ফোন করে অথবা হাফদিস্তা চিঠি লেখে।
আমার নাটকেও তার ব্যতিক্রম ঘটাবো না। বাউনসার দিয়েই নায়কনায়িকার প্রেমের ওপেনিং। তবে মুশকিল হচ্ছে টিভির নাটকে প্রেম বড়ই প্লেটোনিক। প্রেমের রগরগে দিকটি দেশীয় রূপালি পর্দায় উন্মোচন এখনও ট্যাবু। তাই কাজের স্থান দখল করে নেয় কথা। কর্মঠ প্রেমিককে তাই কাম ভুলে হতে হয় বাকপটু। সে চিঠি লেখা, ফুল যোগানো, মারপিট ও নাচগানে পারদর্শী হলেও নায়িকাকে জাপটে ধরা বা চুমো খাওয়ার ব্যাপারে নিতান্ত আবুল বাশার। তাই নাট্যকারকে প্রচুর ডায়লগ লিখতে হয়। এই নিরামিষাশী প্রেমকে টিকিয়ে রাখতে সবচে বেশি ঘাম ঝরে যে প্রাণীটির, সেটি নাট্যকার।
তাই এখন মস্তিষ্কমন্থন করে প্রেমুয়া ডায়লোগ ভাবছি। ব্যক্তিগতজীবনে আমি ধর তক্তা মার পেরেকে বিশ্বাস করি বলে প্রেমে সুবিধা করে উঠতে পারিনি ও পারি না, তাই নাট্যকারজীবনে এসে আমাকে সুললিত আয়াতচর্চা করতে হচ্ছে। জানি না এ থেকে আমি নিজেও উপকৃত হতে পারবো কি না।
দেখি, নায়িকাকে কী বলে পটানো যায়। আপনারাও চাইলে কিছুমিছু হেলপো করতে পারেন, কৃতজ্ঞতা স্বীকার করবো, কথা দিচ্ছি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



