গবেষণা করার মতো পুঁজি কোঁচড়ে আছে কি না ভাবতে ভাবতে সেটাকে চুলকাই। শিক্ষাদীক্ষা নিয়ে একটা দীনহীন ভাব আমার মধ্যে বেশ কাজ করে। কিন্তু সামহোয়্যার ইন ব্লগে অনেক বাহাদুরকে দেখে বুঝতে পারলাম, আসলে গবেষণা করার জন্য তেমন শিক্ষিত না হলেও চলে। প্রকৃতপক্ষে অশিক্ষিত হলেই বরং গবেষণার তেজ বাড়ে। "ফলাফল তো আমার জানাই আছে, শুধু সেই ফলে পৌঁছানোর জন্য যেসব ডাল পালা আছে সেগুলো পাকড়াও করতে পারলেই হলো", এই মটোতে অনেকেই দেখলাম আস্থা রাখেন।
তবে ইদানীং কিছু তাগুতি বই পুস্তক পাঠ করে মনের মধ্যে গবেষণার একটা বেয়াড়া ইচ্ছার ছাগুরাম গুঁতাগুঁতি শুরু করলো (খুব খিয়াল কইরা কিন্তু!)। তাই আমার এই পোস্ট সিরিজের অবতারণা।
গবেষণা মানে গরু খোঁজা। চারদিকে আজকাল এতো গরু যে খুঁজতে ইচ্ছা করে না, চাওয়ার আগেই গরু জুটে যায়। মাঝে মাঝে নিজের কথাতেও কেমন একটা হাম্বারবের ঠাট চলে আসে।
তবে আমি খুঁজবো উত্তরের গরু। আমার গবেষণার পদ্ধতি সরল। একটা করে প্রশ্নের টুঁটি পাকড়ে ধরবো। সেটার উত্তরের গরুকেই মাঠঘাট খুঁজে বার করবো। গরু যদি গল্পের গরুর মতো গাছেও গিয়ে চড়ে, আপত্তি নেই। যাবে কোথায় সে। গরীব আমি তাকে খুঁজে বার করবোই।
প্রশ্নগুলি খুবই নিরীহ, এবং জাগতিক। কাজেই কাউকে লোহার জাঙ্গিয়া কিনতে হবে না বলে মনে করি।
আশা রাখি শিগগীরই আপনাদের সামনে একটা গবুত্তর নিয়ে হাজির হবো। আপাতত আবার ঘাপটি মারি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



