আমাদের ক্রিকেট দলের হাবভাব দেখে মনে হচ্ছে তাঁরা জাতির প্রতি কোচের নামটিই উচ্চারণ করছে শেষে একটা প্রশ্নবোধক লেপ্টে দিয়ে। "হোয়াট মোর?" "আর কী চাও তোমরা? দ্্বিতীয় রাউন্ডে তো খেলছিই!"
সেই বোকা বয়ফ্রেন্ডের কথা মনে পড়ে গেলো। বান্ধবী শুধায়, আমাকে একা পেলে কী করবে? মদনা প্রেমিক ঢোঁক গিলে বলছে, খুব জোরে ...। বান্ধবী বলে, যাহ দুষ্টু, খুব জোরে কী? প্রেমিক বলছে, তোমাকে খুব জোরে, বুঝলে, খুব জোরে ...। বান্ধবী বলছে, আহ খুব জোরে কী? তখন ছোকরা ঘেমেটেমে বলছে, খুব জোরে চুমু খাবো! বান্ধবী হতাশ হয়ে বলছে, যেখানে একটা গাড়ি চুরি করতে পারো, সেখানে টায়ার চুরি করবে!
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল চাইলেই হয়তো গাড়ি চুরি করতে পারতো না, কিন্তু চেষ্টা করতে পারতো। কিন্তু একটি টায়ার খুলে নিয়েই তাঁরা সেটিকে গলায় মালা হিসেবে পরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পশ্চিম্ভারতীয়দ্্বীপপুঞ্জের অলিগলিতে। ভালো বিয়ার হয় ওখানে, রাম হয় আরো ভালো, উদ্ভিন্নযৌবনা তরুণীও আছে অঢেল। সুখেই আছেন তাঁরা। রাতে অন্যদের যা দেন, সকালে মাঠে অন্যদের কাছ থেকে তা খান।
দুবলা জিম্বাবুয়েকে হোয়াইট ওয়াশ ব্ল্যাক ওয়াশ করার আনন্দে মশগুল আমরা। শাহরিয়ার নাফিস তো জিম্বাবুয়েকে পেলে অপরাজিত শতক ছাড়া কিছুই করেন না। কিন্তু ধরা খেয়ে গেছেন চৌকস দ্্বিতীয় রাউন্ডারদের পর্যবেক্ষণের কাছে। প্রতিশ্রুতিশীল তামিম ইকবালের খেলা দেখে আশা জাগে। মারকুটিয়া আফতাব হরদম ধরা খাচ্ছেন। প্রিয় মাশরাফি টেনশন নিতে পারেন না একদম, দুয়েকটা বাড়ি খেলে তাঁর বলে সৃজনশীলতা কমে আসে। আর আশরাফুল? মামুর বেটা!
মেজাজটা খুব চড়ে আছে ভাইসব। আর কত?
মন্দিরা বেদী ইদানীং খুব আনন্দে আছে। মিটিমিটি হাসে আর বগল দেখায়।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



