মারহাবা জুয়েল, মেরে হামকয়েদ, বাংলায় বললে দাঁড়ায়, অভিনন্দন জুয়েল, আমার সহবন্দী ... কেন যেন উর্দু জবান বেরিয়ে এলো, হয়তো কোন আস্তপ্রভাবে ... কে জানে! কিন্তু অভিনন্দন লহ জুয়েল, আর আমাকেও অভিনন্দন দাও, কারণ আজ আমরা মুক্ত! আপসোস, দুই আঙুল উঁচিয়ে ভি ফর ভিক্টরি দেখিয়ে তোলা কোন ছবি আমার নাই ... কারণ জীবনে জিতেছি কম, আর জেতার পর আঙুল অন্য কাজে ব্যস্ত ছিলো ... থাকলে আজ এই শুভলগ্নে ঐ ছবি টাঙিয়ে খিলখিল হেসে বেরিয়ে আসতাম দাগী আসামীর মতো!
অভিনন্দন মরমী বন্ধু সাদিককে, ব্লগে পোস্টের মান নিয়ন্ত্রণে সাদিকের ঠান্ডা লড়াইকে জানাই শ্রদ্ধামথিত স্যালুট। এখন থাকো লইটকা!
আর পাঞ্চাল রাইসুদাকে জানাই পাঁচসিক্ত অভিনন্দন। মনে নাই, মলয় রায়চৌধুরী (নাকি নাম ভ্রম করলাম)-ই হবে, একখান কবিতা লিখেছিলেন, আজ রাইসুদার অনেক ত্যাগতিতিক্ষা অনেক আন্দোলনের পর এই উন্নয়নের শুভলগ্নে আংশিক বলি,
কালো বলদের শিঙে ঝোলানো ট্র্যানজিস্টার
সাদা বলদের শিঙে ঝোলানো ট্র্যানজিস্টার
বাদামী বলদের শিঙে ঝোলানো ট্র্যানজিস্টার
অভিনন্দন অভিনন্দন অভিনন্দন অভিনন্দন!
বাক্সের ভেতর পাঞ্চালের আয়ু অক্ষয় হোক! দলবাজি আর খুনসুটি নিপাত যাক, পাঞ্চাল রাইসু বাক্সে থাক!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




