সূচনা-
রিনট্রাহর গর্জন শোনা যায়, তার আগুনের লকলকের জিহবা কাঁপে ভারী বাতাসে, ক্ষুধার্ত পাপের ধোঁয়াশা অতলে তলিয়ে যায়,
ন্যাননিষ্ঠ মানুষ, একদা নম্র এবং পাপের পঙ্কিল সর্পিল পথ এড়িয়ে চলছিলো,
মৃতু্যউপত্যকা,
ধুষর উষর ভূমি,কাঁটা ঝোপে ঢাকা, সেখানেও কোমল গোলাপ ফোটানোর চেষ্টা,
অনুর্বর জমিতে কাঁটাময় আগাছে-আর সেখানে উড়ছে মৌমাছি।
এবং মানুষের সামনে লোভের ফাঁদ ছড়ানো, একটি নদী কিংবা ঝর্ণা,
প্রতিটা সমাধিক্ষেত্রে এবং প্রতিটা পর্বতশীর্ষে
এবং পরিচ্ছন্ন হাড়ে লাল নীল কাদার জন্মায়
মানুষের পাপ তাকে তাড়া করে, লোভ তাকে টেনে নিয়ে যায় গোলকধাঁধাঁয়, এবং ন্যায়নিষ্ঠতা ছেড়ে সে অবশেষে বিরান ভূমিতে নির্বাসিত হয়
সন্তর্পনে হানা দেয় পাপিষ্ট বিশ্বাসঘাতক, বিনম্র দীনতায়, এবং ক্ষুব্ধ মানুষের আর্তচিৎকার শোনা যায় নিষ্ঠুর জঙ্গলে যেখানে ক্ষুধার্ত সিংহেরা ঘোরাফেরা করে।
রিনট্রাহ গর্জায়, ভারি বাতাসে আগুনে জিহবা চাটে
অতলে তলিয়ে যায় পাপ ধোঁয়াশায়।
নতুন স্বর্গ নির্মিত হচ্ছে তারও 33 বছর কাটলো, তার শুভাগমনের সাথে সাথে নরকের পূনর্জন্ম, আর দেখো দেবদুত সোয়েডেনবার্গ, সমাধিতে বসে আছে, লিলেনে লিখিত তার বানী গুছিয়ে রাখা, এখন ইডোমের রাজত্ব এখানে, আদমের স্বর্গ গমনের সময় হয়েছে।
বিরুদ্ধতা ছাড়া অগ্রগতি সম্ভব না,আকর্ষন ও বিকর্ষন,ভালোবাসা এবং ঘৃণা, যুক্তি এবং শক্তি, মানুষের অস্তিত্বের প্রয়োজনে।
এই সব বৈপিরিত্য থেকেই ধর্মবোধ জন্ম নেয়, ভালো আর খারাপের সংজ্ঞা নির্ধারিত হয়, শুভবোধ নির্বিরোধি- যুক্তি মেনে চলে, অশুভ কর্মঠ, শক্তির দাসত্ব করে। শুভবোধ স্বর্গ অশুভ নরক।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




