somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কবি জীবন- আমার ঘরখানায় কে বসতকরে।

১০ ই জুলাই, ২০০৬ ভোর ৪:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বুঝলেন নি ভাইছাব সব কিছুর কি হদিশ আছে, তালাশে কি সব পাওন যায়,ভাবের জগত চারপাশ, আমি অধন উনি জগন্নাথ।
এই যে দেখেন দুইন্যাটাতে কতপদের মানুষ,কত রং দুইন্যাটায়,কিন্তুক চক্ষু না থাইকলে কি দেখন যাইতো? আপনেই কন এইটা কিরম কুদরতের কথা।
তিনায় দম দিছেন, ঘড়ি দাবড়ায়া ছাইড়্যা দিছেন আপনেরে আপনি ঘুরতাছেন, কিন্তু ঘড়ির কাটা টিকটিক টিকটিক করে, ঘড়ির দম ফুরায়া গেলো আপনি টুকুশ কইরা মইর্যা যাইবেন। তখন এই দুইন্যাটারে আর আফন লাগবো না, আফন হইবো গিয়া কব্বর।
সব কিছুর উদিশ পাওন না গেলেও কুনো সমস্যা তো নাই, দুইন্যাদারির রকমসকম বুঝতে বুঝতে জিবনটা গেলো তোমার হদিশ তালাশ করতে পারলাম মাওলা-
মারেফতি,কুদরতি শরিয়তি কত রকম ফ্যাকরা আছে ভাইছাব, এইসব ভাবের কথা কি এমনে এমনে হয়, একদিন আখড়ায় আসেন, লালন সাঁই কইয়া গেছেন, তিন গর্ভে আছে রে এক ছেলে- কি গভীর কথা, সবাই কি আর তার তালাশ পায়, তালাশ পাইলেও কি কেউ তারে চিনতে পারে-
চিনপরিচয় হইবো, বিনিময় হইবো, কথার লিকে কথা চলবো, তাইলে না আলাপ, ভাই কেমন আছেন ভালো আছেন এইসব উপরি মোহাব্বতের জামানায় কেউ গুরু গোঁসাইয়ের কথা শুনতে চায় না। দুনিয়াদারির ঝকমারিতে সময় করতে পারে না-

সে আর লালন এক ঘরে রয় মাঝে লক্ষ যোজন ফাঁক রে

কুন্দুল শাহ ঢোল নিয়ে সামনে হাঁটে পেছন পেছন আমি,

--------------------------
ডেড পয়েটস সোসাইটোর মতো কাল্পনিক এক মৃত কবিসভায় আমরা সবাই মৃত যুগের কবিতা পুনরায় আবিস্কার করি, অবশ্য আমাদের হাতে খুব বেশী কবিতা থাকে না, আমরা ইংরেজি কবিদের শবসাধনায় মগ্ন থাকি, ইয়েটস, টেনিসন কপচাই দিনরাত,প্লানচেটে টেনে আনি শেলী কীটস বায়রন। আমরা বায়রনের মতো সম্ভোগী জীবন কাটাতে চাই, মন পড়ে থাকে বেশ্যালয়ের খাটে আমরা বেশ্যালয়ের খাটে চেতনা রেখে আসি,প্রণয়যাঞ্ছা করি, আমাদের নিরোধ কবিতায় ভরে উঠতে থাকে- অবশেষে বেশ্যালয় শেষ হলে আমরা জনপদে আসি,সুন্দরির স্তনবৃন্ত কামড়ে কবিতার লোনা স্বাদ পাই, আমরা মৃত কবিতের চামড়া চাপিয়ে গায়ে কবিসভায় যাই, বছরান্তে ফাল্গুনের কালে কবিতা উৎসবে পাঞ্জাবি চাপিয়ে দু চার কলম কবিতা আউরে চলে আসি লাইব্রেরির পেছনে ,সেখানে কল্কির গংনে আগুনে কবিতা সেঁকে ফিরতি রিকশায় উত্তরাধুনিকতা ল্যাটিন আমেরিকা, বোর্হেস নেরুদা করি-
আমরা কোথাও যাই না আসলে দিনরাত একটার পর একটা চক্র পূরন করে অবশেষে ক্লান্ত হয়ে রাতে মাদ্্রাজি পর্নো মুভি দেখে হাত মারি কিংবা ঘরে বৌ থাকলে তাকে ঘুম থেকে টেনে তুলে সম্ভোগ করি-
----------------------------

সাধন মার্গ সবার জন্য না ভাই জান, সবাই চাইলেই বাউল হইতে পারে না, বাউলের টান আলাদা, সব লাউয়ে যেমন একতারা হয় না তেমন সব মানুষেই বাউল হয় না, ভেতরে সারবস্তু না থাকলে ভাবের ঘরের কলসি ঠনঠন বাজবে ভাইটি।
আপনার চোখের পাতায় ভোগের রেখা, আপনার জন্য বাউল জীবন না, আপনার জন্য ভোগের জীবন ভাইজান, আপনি যান, মন চাইলে চারপাশ ঘুরে দেখেন, গান শুনেন, এই জায়গা আপনার জন্য না,

সবাই নদি দেখে কিন্তু কেউ কি কীর্তনখোলায় আগুন দেখতে পারে , যার নয়নমুজ্ঞুরিতে আছে সেই সে দর্শন পায়, সবাই ঘাটে গেলেও সবার সিনানের জল এক না, কেউ সিনানে করে পরিস্কার হতি আর কেউ করে দুনিয়াদারির ময়লা মুছতি- আপনে সিনানের ঘাট ইটা না আপনে যান এইখান থি।

যমুনার কালো জলে সিনান করে রাধামোহন
কেঁদে বলে রসিকসাধু হইলো না মোর কৃষ্ণদর্শন আমার পোড়া চোখে দেখলাম না গো তোমার লীলা
বেলা পড়ে এলো আমার সাঙ্গ হলো সকল খেলা

---------------------------------

রবিউলের কবিতা ছাপা হলো, নতুন কবি হিসেবে বছরের সেরা কবিতার বইয়ে বাঁধানো ক্রেস্ট দেখে আমার চোখের কোণে ইর্ষার আগুন। শহরের চারকোনা বাস্কে থাকতে থাকতে আমাদের চেতনার ভেতরেও পচা ডোবার পাঁক জমেছে, কারো প্রশংসা শুনলেই তাকে রীতিমতো ঘৃন্য জীব মনে হয়, আমাদের সহচর কাউকে পরিচিত হতে দেখলে আমরা রীতিমতো হিংসায় পুড়ে যাই, আমাদের কারোরই বিখ্যাত হতে নেই, তাই সমিউল নতুন বই ছাপানোর পরও আড্ডায় এসে সে খবর দেয় না, কল্লোলের কবিতা ছাপা হলো দৈনিক বাংলায়, আহসান হাবীব চমৎকার একটা চিঠি লিখেছেন, অথচ এই সংবাদও সে দিতে সাহস পায় না আমাদের, আমরা মৃত কবিদের চামড়ার নীচে বসবাস করি, আমাদেরও পচন শুরু হয় অবশেষে।

---------------------------------
ঋষিজ বললেই চামারের জাত উদ্ধার হয় না, সে অচ্ছুতকে ভালোবেসে বুকে টানে গৌরের নেতাই, সবার ভিতরে নেতাই থাকে না, সাধু যাকে দর্শন দিবেন তাকে নিজের হাতে সাজিয়ে তুলেন, আমার আপনার সাধ্য কি বুঝতে পারি তার মহিমা। গাছের শেকড় কি দেখা যায়, ডালপালা মেলে থাকে, কিন্তু ঐ শেকড়টাই আসল, ঐটাই গাছকে বেঁধে রাখে মাটির সাথে, মাটির কাছাকাছি থাকাটাই আসল, জীবনের কাছাকাছি থাকা, এই যে চাষার লাঙল মাের বুকের রক্ত ঘাঁটে তাও কি মায়ের করুনা কমে, আবাদের শেষে ফসলের হাসি দেখে চাষা কি ভুলে যায় মায়ের কথা। ভালোবাসাই সব না, মাঝে মাঝে নির্মম হতে হয়, মায়ের বুকে লাঙল না দাবালে ফসল কি আর এমনি এমনি হবে, রক্ত ঘাম লাঙলের ফলার সাথ মাখিয়ে তবেই না ফসলের ভেতরের প্রানের আনাগোনা- ভাবলে গভীর কথা ,না ভাবলে ফকফকা।
সাধন ভজন না জনলেও ঐ যে কেউ কেউ থাকে যাদের ভেতরে কাঁটা থাকে, ওদের কম্পাস তাক করা থাকে কেবলায়, ওরাই গুরুর দর্শন পায়- আমরা কান্দাকান্দি করি, গুরুর মাজারে বসে, যদি গুরুর কৃপায় তার হদিশ পাই,
তালাশে তো সর্বজনায়
গুরুর দর্শন পায় কজনায়

--------------------------
দিংুলো ম্যাড়ম্যাড়ে হয়, আড্ডা জমে না আর আগের মতো, সংবাদের সাহিত্য পাতা দেখছে রবিউল, সামিউল সহকারি সম্পাদক অবজারভারে, কল্লোল পড়ে থাকে চারু কলায়, ওর প্রেমিকা হয়েছে নতুন, সারাক্ষন চিত্রকল্প শুনতে ভালো লাগে না, পুরোনোদের মধ্যে কবিসভায় নিয়মিত বলতে আমি আর পর্না ,পর্নাও মনে হয় বেশী দিন থাকবে না, ওর বাবা ওকে পাঠিয়ে দিচ্ছে বাইরে, অবশ্য এমন গাঁজাটানা মেয়ে কোনো বাবাই ঘরে রাখতে চায় না, আর ওর সেই চটক নাই, মুখের ভাষাও আমাদের মতোই, কোনো বেয়াককেলই ওকে বিয়া করবে না- তার চেয়ে বাইরে গিয়ে কয়েকটা ডিগ্রি নিয়ে ওখানেই কোনো জামাই খুঁজে নিবে নিজের তাগিদে, অবশ্য বিয়ের তাগিদ বা ক্যানো, দেহের চাহিদা মিটায় যে তাকে দিয়ে মনের চাহিদা মিটে না, ও বলে কামনা দু রকম, মানসিক আর দৈহিক, শরীরের চাওয়া ফুরায়া গেলে পুরুষ মানুষ ন্যাতায়া পড়ে, ওদের দেখলে তখন করুনা হয়, সাজ্জাদ কয়েক দিন আগে বিকালে আসছিলো, তোরা ছিলি না, বললো কেউ তো নাই এখানে বসে বসে মাছি মারার কি দরকার নতুন ছবি আনছি ফিল্ম ফেয়ার থেকে, চল বাসায় গিয়ে দেখবো-
ওমা ও দেখি পাশে বসে, হাত ধরতে চায়, ভাবের কথা বলে, বললাম মুখ ফুটে বল লাগবে তোর, এত ভনিতা করিস ক্যানো?
তুই যদি ওর চেহারাটা দেখতি একবার, হাসতে হাসতে গড়াগড়ি দিতি।
দিনকাল বদলায় , আমাদের আড্ডায় মানুষ কমতে থাকে, পর্নাও আসে নাই আজ। আমি একা বসে আছি মঞ্জুরের দোকানে,
------------------------------
জলে সবাই নামে, কারো চামড়া ভিজে কারো হৃদয়, সাধনাও এমন জিনিষ,কেউ কেউ উপরে উপরে দেখায় ওদের ভড়ং বেশী, আর কারো চোখের ভেতরে ভাবসমাধি থাকে,
কামনা আগুনের মতো, ছাই চাপা আগুন, সারাক্ষন দগ্ধাবে আপনাকে, তখন নিজের ভেতরে পুকুর খুড়তে হবে, সেখানে সিনান করতে হবে, পবিত্র জল কি যমযম কূপে থাকে পবিত্র জল থাকে বুকের ভিতর, সেখানে পবিত্র পানি তুলটে পারলে যমযম লাগে না, ভিতরেই সবাই সিনান হয়ে যায়, কলব ধুইতে হয়, চামড়া ধুইলে চামড়ার ময়লা যায় কলব ধুইলে যায় হৃদয়ের ময়লা, আপনার হৃদয় সাফসুতারা করা দরকার,
আপনার চোখের নীচে কামনা ধ্বকধ্বক করে, আপনার চোখে আগুন, আপনার ঘুম হয় না রাতে, শরীরে আগুন, এই আগুন তো সিনান করলে নিভবে নানে, কলব পাক করতে হবে,
এই খানেই গুরুজি বলিছেন, তারে পেন্নাম,
প্রকৃতি খুঁজবি সাধন বুঝে, কাফন কিনবি শরীর মাপে, প্রকৃতির সন্ধান করার সময় আসলে গুরু আপনাকে কয়া দিবে, সাধন ঠিক থাকিলে প্রকৃতি আপনি আপনি চলি আসপে।
দাওয়ায় বসেন, আপনের সেবা করি।

-------------------------------
তোদের ভিতরে কল্লোলেরই মুখের উপর বলার সাহস আছে ও কি চায়- পরশু দেখলাম শিল্পকলা একাডেমিতে, পরে মজিদের দোকানে চা , বিকালের দিকে বললো পর্না তোকে দেখেই খাইতে ইচ্ছা করতেছে, হবে নাকি?
বাসায় নিয়ে গেলো, ওর জিনিষটা যদি দেখতি তুই, এই এতটুকুন, কিন্তু সাহস আছে, বেচারা খুব মন খারাপ করছে , বললাম এই চামচ নিয়ে তুই খাইতে চলে আসলি।
যাউকগা পুরিয়া আছে কিনা বল। আমার কাছে নাই।
------------------------------------
মনস্থির করতে হবে, প্রদীপের মতো শুধু একটা শিখা দেখতে হবে, সব প্রকরণ শিখতে হবে, শ্বাস নেওয়া আর ছাড়ার মধ্যেই কারসাজী, নিজের ভেতরের সব দুষন নিঃশ্বাসের সাথে বাইরে বের করে শুদ্ধ চেতনা টেনে নিতে হবে।
কাজটা সহজ না, প্রথম প্রথম হবে না, মনস্থির করা এত সহজ না, মন টালমাটাল নৌকার মতো দুলুনি দেয়, শক্ত হাতে দাড় টেনে ধরতে হয়, তার পর মনের পালকে ভাসিয়ে দিতে হয়, আস্তে আস্তে হবে-
আপনে একটু চোখের মনি থির করেন
ভেতরে কোথাও চোখ ফেলান, নড়চড় করবেন না।

গুরু তোামার চরনে ঠাঁই নেবো বলে
আসিলাম তোমার দুয়ারে
আমার মনের বাঘে মনের ভিতর
হালুম হুলুম করে।

------------------------
পর্না চলে গেলো, আমাদের ভেতরে আর কোনো টান নেই, আসলে বিভিন্ন মাপে আমরা সবাই পর্নার সহচার্য চাইতাম, আমাদের সবারই প্রথম কামনারজলমোচন পর্না, িিবউল আসে নাই, ওর 2য় কবিতার বইটাও ভালো কাটতেছে, কল্লোলের কবিতা ছাপা হচ্ছে নিয়মিত, ওর প্রেমিকাও পুরুস্কার পেলো, সাজ্জাদ ব্যাংকে ঢুকেছে, আমার ভেতরটায় শুন্যতা,
আমি প্রতিদিন নিয়ম করে বসে থাকি, একটা সময় পর্নার প্রতীক্ষা ছিলো, গতকাল থেকে তাও নেই, আমাদের মৃতকবিদের সভার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি বোধ হয় হয়ে গেলো।
----------------------------------

আমি দৃষ্টি স্থির করতে চাই, ভেতরের প্রদীপটাকে খুঁজি, কোথাও আলো দেখি না, একটা স্থির পদ্ম দেখি, অথৈ জলের মাঝে একটা নিসঙ্গ পদ্ম, কিছুক্ষন পর মোহ কাটে, পর্নার চোখটা অনেকটা পাঁপড়ির মতো ছিলো ঠিক যেমন দোপাটি ফুল, অনেক দিনের পর আবারও মনে পূর্নতার ভাব জাগে, আসলে আমার প্রকৃতি ছিলো পর্না, সাধন সঙ্গি হারিয়ে আমি খুঁজছি যেখানে সেখানে কেউ নেই,

আমার ঘরখানায় কে বসত করে
-----
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-১৬)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০১



সূরাঃ ১৬ নাহল, ৯৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৯৩। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তোমাদেরকে এক উম্মাত (একজাতি) করতে পারতেন, কিন্তু তিনি যাকে ইচ্ছা বিভ্রান্ত করেন এবং যাকে ইচ্ছা হেদায়াত দান করেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সীমিত মগজ, লিলিপুটিয়ান, ডোডো পাখি (সৌজন্যে - চাঁদগাজী)...

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:২৯



১. যেনা করব আমরা, ৫০১-এ যাব আমরা, পার্কে যাব আমরা। তুমি তো আলেম। তুমি কেন যাবে? তুমি তো ইসলামের সবক দাও সবাইকে। তুমি মাহফিলে কোরআন, হাদীস বয়ান কর। তুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×