somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কবিতা??- আনকোরা বুদ্ধিজীবি চাই, ফটোজেনিক হলে ভালো হয়

২০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ২:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এটাকে কবিতা বলা চলে কি না এ বিষয়ে আলোচনা চলতে পারে সমান্তরাল ভাবে। গত রাতে অনেকটা আকস্মিক ভাবেই শ্রদ্ধেয় মামুন রশীদ সাহেবের সাক্ষাৎকার দেখার দুর্ভাগ্য হয়েছিলো। তিনি অর্থনীতিবিদ- অনেক বিষয়েই তিনি প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে দক্ষ আমার তুলনায়। নগন্য আমি খানিকটা হচকচিয়ে যাই- এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বললেন সিন্ডকেট তৈরি করে কৃত্রিম ভাবে দাম বাড়ানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন। কাঁচা বাজারে সিন্ডিকেট সক্রিয় না। চাল, তেল, সোনা এসব নিয়ে যে সব সিন্ডিকেট কাঁচা বাজারের মুল্য বৃদ্ধির জন্য দায়ী তারা আসলে মুল্য বৃদ্ধিতে তেমন প্রভাব রাখেন না। মূলত দাম নির্ভর করে চাহিদা- যোগান রেখার ঢালে।

আমি নির্বাক, বিবশ এবং বিবমিষাক্রান্ত হইযুগপত-বড়ই ফাঁকা লাগে চার পাশ- কাঁচা বাজার সংক্রান্ত আমার চেতনা সবজি আর শস্যের আশেপাশে- এমন কি এখন কাঁচা বাজারে যেতে হলে আমি সেই আলো-পটল- বেগুন-ঝিঙ্গে-শসা- টমেটোঅধু্যষিত রঙ্গিন প্রান্তরে চলে যাই।
আমার এ জানা তবে ভুল ছিলো- আমার কাঁচা বাজার যাওয়ার যে রাস্তা সোনাহারের দোকান স্পর্শ করে না তা কি রূপে কাঁচা বাজার হবে। আমি হতাশায় ভুগি- তবে এত দিন যা জেনেছি ভুল সবই ভুল।
অবশ্য সময়সল্পতার কারনে এখনও অন্যসব চেতনা ক্রিয়াশীল।নতুনবা হয়তো আরও খানিকক্ষণ দেখলে চেতনার সামগ্রিক বিপর্যয় ঘটে যেতো। তখন হার্ডওয়ারের দোকানে গিয়ে উইন্ডোজ ভিসটা খুঁজতাম কিংবা অটবিতে গিয়ে বলতাম 5 আনার ধনে পাটা হলে ভালো হতো।
কিংবা ফিলিপসের শোরুমে গিয়ে বলতাম ভাই 2 টাকার লবন দিবেন? এমন অনেক জাগতিক সংঘর্ষ থেকে মুক্ত হয়ে হয়তো মুদি দোকানদারের কাছে কয়েক ভরি সোনাও চাইতে পারতাম। অনেক কিছুই হলো না কারন সময়সল্পতার। তবে এর একটা প্রতিক্রিয়া থাকেই। নিউটন সাহেব শ্রদ্ধাহ্য- তিনি বলেছিলেন প্রতিক্রিয়া এবং ক্রিয়া সব সম ভিন্নভিন্ন 2টা অবস্থানে ঘটে- তবে ক্রিয়ার সমপরিমান প্রতিক্রিয়া হয়- বিমুঢ় আমি ঠিক সঠিক পরিমানে প্রতিক্রিয়াশীল কি না এ বিবেচনা আবার পাঠকের কাছে- তিনি সিদ্ধান্ত দিলে ল্যাঠা চুকে যায়।

আমাদের পা-হাত-চোখ-ঠোঁট-হাসি কণ্ঠস্বরের রূপান্তর ঘটে-
আমাদের আনকোরা বুদ্ধিজীবি চাই, ফটোজেনিক হতে হবে- এ বিজ্ঞাপনে
সাড়া দেওয়ার যথাযোগ্য কোনো কারন খুঁজে পাই না বর্তমানে
অবশ্য তিনি বলেছেন যদিও সোনা বা চাল বা তেল মজুতদার সিন্ডিকেটের কবলে পড়লে মুল্য সামান্য বেড়ে যায় কাঁচা বাজারে তবে এতে কৃষকেরা লাভবান হয়।
আমিও মুগ্ধ হই-
তীব্র বেগ চাপে প্রস্রাবের- আমি কোমেডে কল্পনা করি সেই বুদ্ধিজীবি আআলজিহবা হা করে আহবান করছেন-সাড়া দেই জৈবিক নিয়মে-সরোষে ফ্ল্যাশ টানি- আর চিন্তা করি-
ভাগ্যিস পানি কিনে খাই না,অন্তত সাপ্লাইয়ের পানির দাম বাড়ানোর কোনো সিন্ডিকেট নেই।নতুবা কত দামি প্রসাব অপচয় হচ্ছে ভেবে হাড়কেপ্পনের বহুমুত্র সেড়ে যেতো আর কাঁচা পয়সায় লেমোনেডের বদলে বোতলে ভরে পেশাব খেতাম স্ট্র দিয়ে।
অবশ্য সেই কৃষকের লাভবান হওয়ার বিষয়টাও আমাকে চিন্তিত করে।
"মহাজনের কাছে মাঠ বেঁচে দেওয়া কৃষকের খোরাকি ধান কত দামী , কৃষক তা জানে"। আর জানে মজু মিয়া, ঝঁকা মাথায় 5 মাইল হেঁটে মুল্যহীনতায় অপমানে ঝাঁকা ছুড়ে ফেলে ড্রেনে- সেদিন বেগুন ছিলো 30 টাকা মন। আমরা সেদিনও চলমান সব্জি দোকান থেকে বেগুন কিনেছি 15 টাকা কেজি।
অবশ্য কৃষকের বিষয়উন্নতি নিয়ে চিন্তিত হওয়ার উপাদান আছে,
যদি তারা মধ্যবিত্ত হয়ে যায়
যদি তারা জি ডি পি এ ডিপি বুঝে যায়
যদি তারা শস্যবপন না করে জমিতে সার সার রূয়ে যায় স্বর্ণরেণু
তবে সোনার দাম পড়ে যাবে
আমরা সোনার মজুতদারি করে সে বছর মুনাফা পাবো না।


সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মার্চ, ২০১১ রাত ১১:০২
২৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সব দুনিয়ার আহার যোগাই, আমরা না পাই খাইতে

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:৩৪



সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বাওন হাওরের বর্গাচাষি আলী আকবর। কেমন আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ কৃষিকাজ করি খালি বাঁইচ্যা থাকার লাগি। কোনো লাভ নাই।’ হিসাব কষে বলেন, এখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

গুম আর গুপ্ত

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:১৫


খোঁজ করলে দেখাি যাবে, কুকুর-বিড়াল পালকদের অনেক কাছের আত্মীয়-পরিজন অনেক কষ্টে জীবন কাটাচ্ছে। তাদের প্রতি কোনও দয়া-মায়া নেই; অথচ পশুদের জন্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৮৯

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৫



মসজিদে বসে মদ খেতে দাও, অথবা সেই জায়গাটা দেখাও যেখানে আল্লাহ নেই।

বহুদিন ধরে গল্প লেখা হয় না!
অথচ আমার গল্প লিখতে ভালো লাগে। সস্তা প্রেম ভালোবাসা বা আবেগের... ...বাকিটুকু পড়ুন

=পাতার ছাতা মাথায় দিয়ে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৯


মনে আছে ছেলেবেলায়
ঝুমঝুমিয়ে বৃষ্টি এলে,
পাতার ছাতা মাথায় দিয়ে
হাঁটতাম পথে এলেবেলে।

অতীত দিনের বৃষ্টির কথা
কার কার দেখি আছে মনে?
শুকনো উঠোন ভিজতো যখন
খেলতে কে বলো - আনমনে?

ঝুপুর ঝাপুর ডুব দিতে কী
পুকুর জলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

তালেবান ঢাকায়, রাষ্ট্র ঘুমায়

লিখেছেন মেহেদি হাসান শান্ত, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:৩২

জুলাই অভ্যুত্থানের পরে বাংলাদেশে অনেক কিছু নতুন হইছে। নতুন সরকার, নতুন মুখ, নতুন বুলি। কিন্তু একটা জিনিস খুব চুপচাপ, খুব সাবধানে নতুন হইতেছে, যেইটা নিয়া কেউ গলা ফাটাইতেছে না। তালেবানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×