বিবর্ন ধুসর দিনের স্মৃতিকথা, পূরীষ গন্ধমাখা
তুলে আনি কলমের তীক্ষন ডগায়
পাশে রাখা পেতলের কমন্ডলু ছিদ্্রময় উরফে বদনা
সামনে ধুধু মাঠ, এলোচুলে উকুন কামড়ায়
ভোরের আবছা আলো , ঘুমাদ্্র চোখের পিচুটি
ধুতুরা ফুলের বাসে মাখা মাখি পুরিষগন্ধে গাঢ় টান
দুঃখি স্বরে সারমেয় গায় গান, মার্জারের পিছু ধাওয়া করে,
এমন পটভুমিতে ত্যাগ বড় মনোহর দৈনন্দিন দীনতা।
হে পাবক, হে চড়াই, হে লজ্জাবতি লতা হে দক্ষিন বহমান বায়ু
হে প্রবঞ্চক করাত কেনো বৃক্ষ ভেবে গুল্মের পাতায় মারো কোপ
মাথার অলিন্দে উকুন ঠোকর দেয় আহ্লাদে, হতের গুলতি তাক করা
সামনের আমলকি গাছে, কে হায় হৃদয় খুড়ে বেদনা জাগাতে ভালোবাসে।
সেসব অবহেলার দিন যখন পুস্করনি ঘাটেদের স্মৃতিকথা লিখিত লিপিতে
সেসব গাঁয়ের দিন যখন সেনিটারি ল্যাট্রিন ছিলো না এ পাড়ায়
যখন গাঁয়ের বধু সব ভোর রাতে কলসি কাঁখে
সার সার ঝোপে আড়ালে, মহানন্দে প্রাতঃকৃত সাড়ে,
সেসব আনন্দ অক্লেশে ভাগাভাগি করে ,
ঝোপের আড়ালে বসে পরচর্চা অগনন উকুন মেরে মেরে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



