জামায়াতের ওয়েব পেজ দেখলাম, অনেক নাম শুনেছি, যা দেখলাম তার বর্ননা দেওয়া হবে।
বাংলাদেশঃ বাংলাদেশের জন্ম 1971 এ যখন বাঙ্গালি পুর্ব পাকিস্তান... এর পরে একটা কথাও নেই। এই বাক্যের পরবর্তি অংশ হতদরিদ্্র এই দেশের এক তৃতীয়াংশ সাংবাৎসরিক বন্যাউপদ্্রুত বর্ষা কালে।
মজার তথ্য- এদেশে গড়ে 105 জন ছেলের বিপরীতে মেয়ের সংখ্যা 100 জন। সুতরাং এখানে ভবিষ্যতে সমকামি পুরুষের সংখ্যা বাড়বে, এর একটা নিদর্শন দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন মাদ্্রাসায়, এসব মাদ্্রাসায় দেশের এই নারীসংকট কালে ছেলেদের হাতে কলমে শেখানো হচ্ছে পুরুষে উপগত হওয়ার পদ্ধতি। এবং ইসলামি মনোভাবাপন্ন পরিচিত নোয়াখালি, সিলেট, চট্রগ্রাম অঞ্চলে সমকামি পুরুষের আধিক্য দেখে সেখানের পাখি সমাজেও সমকামিতা দেখা গেছে। অবলা জীব সৃষ্টির শ্রষ্ঠ জীবের অনুকরন করে এখন প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে, এ জন্য চট্রগ্রাম চিড়িয়াখানার কিউরেটর পশুপাখিদের স্বাভাবিক যৌনাচারের ভিডিও দেখাচ্ছেন। তবে কিছু বিকৃত রূচির শিবির কর্মিকে সেখানে ভীড় করে এই ভিডিও দেখতে দেখা গেছে।
বাংলাদেশের প্রথম এইডস রোগি ধরা পড়ে সিলেটে। পীর আউলিয়ার জমি, কিন্তু তারচেয়ে বেশী শিবির কর্মিদের। এক গোপন জনমত জরিপে দেখা গেছে, এখন শিবির কর্মিরা এখন হোটেলে একক কক্ষ নিয়ে থাকতে বেশী সাচ্ছন্দ বোধ করেন , আগের মতো মসজিদে রাত কাটানো বাদ দেওয়ায় জামায়াতের ভ্রমন ভাতা ক্ষেত্রে খরচের পরিমান বেড়েছে।
একটা গোপন তদন্ত রিপোর্টে জানা যায় জামায়াতের আমীর মতিউর রহমান নিজামির ছোটো ছেলের দেহে এইডস রোগের জীবানু সনাক্ত হওয়ায় কামরুজ্জামান, মুজাহেদি এবং শফিকুল ইসলাম মাসুদের বাসায় শোকাবহ পরিস্থিতি দেখা যায়। তাদের বাসায় অবস্থান রত সকল পুরুষ এবং গৃহপরিচারিকাদের রক্ত পরিক্ষা করানো হয়েছে।
জামায়াতের ওয়েব পেজের উপরে দেওয়া তথ্য-
চিন্তাবিদ আবুল আলা মওদুদির চেতনা ধারন করে জামাতে ইসলামি গঠিত হয় 1941এ। 47এ পাকিস্তান ও ভারত তৈরি হওয়ার পর এই রাজনৈতিক দলটি 2 দেশে পৃথক ভাবে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালায়। 1971এ পুর্ব পাকিস্তান স্বাধীন হলে বাস্তবতা মেনে নিয়ে জামাতে ইসলামি বাংলাদেশ নাম দিয়ে এই সংগঠনের এ দেশীয় কর্মিরা নতুন করে রাজনৈতিক কার্যক্রম শুরু করে। তবে এটা বলা নেই যে এই দলটার রাজনৈতিক কর্মকান্ড নিষিদ্ধ ছিলো 1971 থেকে 1978 পর্যন্ত।
জামাতে ইসলামির ওয়েব পেজে বাংলাদেশের পরিস্থিতি বদলের লিংকটা কাজ করে না, ওটাতে টোকা দিলে দেখায় কিছুই নেই। হা হা হা হা হা হা হা। বাংলাদেশের পরিস্থিতই বদলের কোনো ইচ্ছা বা কর্মসূচি জামায়াতের নেই।
জামায়াতে ইসলামি ইসলামকে সম্পুর্ন ধারন করে, এবং ঐসলামিক বিপ্লব সাথে সমাজ সংস্কার, এবং রাজনৈতিক শোধন করতে আগ্রহী। চমৎকার তথ্যবহূল ওয়েবপেজ।
নেতা নিজামি এবং কামরুজ্জাম এবং মুজাহিদি, এই 3 জনই বেশ প্রতিষ্ঠিত রাজাকার।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



