আমি কোনো সুস্থ মানুষকে হিজাব পড়তে দেখি নি বাংলাদেশে, আমার পরিচিত যে কয়জন হিজাব পড়ে তারা পারিবারিক ভাবেই জামাতে ইসলামির রাজনৈতিক উত্তরাধিকার নিয়ে ঘুরছে, ওদের আপনি সুস্থ বলতে পারেন না ।
মতাহিরের আশে পাশের মেসগুলোতে যান দেখবেন শিবিরের ক্যাডার ঘুরঘুর করছে, ওদের অনেকের শ্বশুর বাড়ী ওখানে, আর এ পাশে সাহেব বাজার আর বোয়ালিয়ার মাঝে যে কয়টা মেস পাবেন সব খানেই শিবিরে ভর্তি,রাজশাহী কলেজের মাঠ থেকে শাহ মখদুম, পুঠিয়া ,মোহনপুর ,পাবা, সব মসজিদেই শিবিরের দাওয়াত চলছে এ অবস্থায় আপনি ইউনুস সাহেবের মৃতু্য নিয়ে কথা বলতে বলছেন আমাকে? খোলামেলা কথা বলার কোনো পরিস্থিতি রেখেছে ওরা? দেখেন একটা কথা বিবেচনা করে, চট্টগ্রামের পর এখানেই শিবিরের হাতে হতাহতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশী, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠেই দেশের সবচেয়ে বড় গনকবর কিন্তু ওদের লাশের উপর দাড়িয়েই এরা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কথা বলছে, 34 বছর শেষে এখনও আজিজ ভাই এখানে শিক্ষকদের সভায় নিজের মতামত দিতে কুণ্ঠিত , এই পরিস্থিতিতে আমার মতো একজন মানুষ এর বিরুদ্ধে কথা বলবে কিভাবে ভাবলেন আপনি?
তবুও কিছু একটা বলবেন না আপনি, আপনার সহকর্মি সম্পর্কেই বলেন না হয়, রাজনীতি বাদ দিয়ে বলেন, আমার চেষ্টা বোধ হয় সফল হবে না।
আমি বগুড়া থেকে করতোয়ার হয়ে রিপোর্টিংএ এসেছিলাম, উঠেছি এক পরিচিত শিক্ষকের বাসায়, তার কথাতেই এই হিকমত সাহেবের কাছে আসা, ইউনুস সাহেবের পাশের বাসায় থাকতেন তিনি, এখন সে বাসা ছেড়ে গেছেন বোয়ালিয়ায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ সুন্দর, উদ্ভিদ বিজ্ঞানের শিক্ষকদের মধ্যে বেশ কিছু মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে, তাদের সাক্ষাৎকার নিবো ঠিক করি, কে কোন অবস্থান থেকে এটাকে দেখছেন। এটাকি রাজনৈতিক হত্যাকান্ড নাকি এটা নিছক ক্ষমতার দন্দ্ব, নাকি সবাই যেভাবে প্রচার করছে এটা কি তেমন বড় মাপের কোনো পরিকল্পিত নিধনের নীল নক্সা?
আমি রাজশাহি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছি, 4 বছরের কোর্স শেষ করেছি 8 বছরে, মাঝে প্রায় এক বছর বন্ধ ছিলো শিবির মৈত্রি- দল বিরোধে, এর পর যতবার খুলেছে কখনও শিবির-লীগ, কখনও মৈতরি -শিবির- কখনও দল-শিবির, সব সময় বিপক্ষে শিবিরের অবস্থান।
এখনও তাই,কতৃপক্ষ একটা একাডেমিক রুটিন তৈরি করেছিলেন, সেটাকে কাঁচকলা দেখিয়ে দিব্যি শিবির নিজের মতো চলছে, ইচ্ছা করলেই হরতাল ডাকছে, ইচ্ছা করলেই গাড়ি বন্ধ রাখছে, ওদের পেশীশক্তি প্রদর্শনের মত্ততায় সাধারন ছাত্ররা বিরক্ত হলেও প্রতিবাদী হতে পারে না, সাধারন মানুষের মতোই কখনই ফোঁস করে উঠে না, বরং আপোষ করতে থাকে ক্রমাগত।
এবং শঙ্কিত পরিজন ব্যাকুল হয়ে থাকে দুরে,
( বিশাল সমস্যা হইতেছে লিখতে, পড়ে লিখবো )
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




