somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুখফোড়ের পাঠানো রিপোর্টের প্রাতিবাদ এসেছে

০৮ ই এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৮:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সকালে উঠেই হিজরেদর্শন হলো, দিনের শুরুটাই মাটি এখন সারাদিন কেমন কাটবে কে জানে। ও মুখফোড়ের নতুন তদন্ত রিপোর্ট থেকেই ঘটনার শুরু। যারা জানেন না তাদের জন্য সব ফেরেশতাই উভলিঙ্গ, ইশ্বর এদের কেঁচোর মতো সৃষ্টি করেছেন, একই অঙ্গে নারী-পুরুষ, অর্ধনারীশ্বর ইশ্বরের ধাঁচে বানানো কি না এটা সঠিক বলতে পারছি না, মুখফোড় এখনও তার সাথে দেখা করতে পারে নি, আমি বর কয়েক তাগাদা দিলাম, স্বয়ং বড়কর্তার আপিসে ফ্যাক্স করছিলাম কিন্তু স্বর্গের পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে একই নির্দেশ আসে বারংবার, এখন ছুটিতে খামার বাড়ীতে বড়কর্তা ফিরলে জানানো হবে, এবং তারপর আপনি আপনার সাংবাদিককে পাঠাবেন, ঐ ছোড়া বড় তঁ্যাদোর অফিসের সুন্দরি স্টেনোর দিকে গ্যালগ্যাল চোখে তাকায়, ত্যালত্যালে হাসি দেয়, এর মাঝে 2 দিন ফুল এনেছইলো অফিসে, হূরমতি হূর বেচায়েন হয়ে কাজে কর্মে মন দিচ্ছে না, আপনি একটু বলে দিয়েন ও যেনো অফিসে এসে এসব অনসৃষ্টি না করে।
আমি ব্যক্তিস্বাধীনতার পূজারি, এবং যারা মহাবিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সাংবাদিকতার মহান দায়িত্ব পালন করছেন, যারা ঘরে দারা পুত্র পরিজন রেখে আপনাদের সবার জন্য বিভিন্ন খবর এনে দিচ্ছেন তাদের নিজেদের সাধআহ্লাদ বলেও কিছু আছে, সব খানে তো খবরদারি চলে না, এটা আপনারা বিবেচক মানুষ বুঝবেন। যাই হোক মুখফোড়ের তদন্ত রিপোর্ট ছাপিয়ে বড় বিপদে আছে, সকালে অফিসে এসেই হিজরেদর্শন হলো। জিব্রাঈল বসে ছিলো অফিসের অতিথি কক্ষে, আমি ঢুকতেই বললো, সম্ফাদক সাহেব( সর্গের ভাষা আরবি আর ঐ ভাষায় প নির্দেশক কোনো বর্ন না থাকায় বেশ জটিলতার মুখোমুখি হতে হয় আমাকে, ওরা 'প'কে "ফ" উচ্চারন করে, ) বড়কর্তা ফ্রতিবাদ লিফি ফাটিয়েছেন, মুখফোড়ের হাবিল কাবিলের গল্ফ ফড়ে বড়কর্তা নাখোশ-খামোশ হয়ে বসেছিলেন খামার বাড়ীতে কিছুক্ষন, ফরে আমাকে বললেন কাগজ কলম আনতে স্বয়ং নিজের হাতে লিখেছেন কর্তা ফ্রতিবাদলিফি। আমি হুঁহাঁ করি কিছুক্ষন পরে বললাম তা জিব্রাঈল সাহেব কিছু খাবেন আপনি? চা কিংবা কফি? এর ফাঁকেই ফোন আসে, ওপাশে ইজরাইলের প্রধান রাবি্ব, বললেন কি খবর রাসিল? কেমন চলতিছে? নিয়মিত বাংলায় বাতচিত হয় রাবি্বর সাথে আমার, বাংলাদেশ থেকে দোযখে সরাসরি ফোনালাপ করা যায় শুনে তারা উৎফুল্ল, ওদের ওখান থেকে দোযখে ফোন করলে অনেক খরচ বাংলাদেশ থেকে লোকাল কলের খরচায় কথা বলা যায় দেখে সব রাবি্বই এখন বাংলা শিখছে মনোযোগ দিয়ে, বিভিন্ন মানুষের খরব নেয় ওরা, আর দোযখের টেলেফোন ব্যাবস্তা পুরোটাই গ্রামীন দেখাশোনা করে, ওদের অপারেটররা বাংলায় সাবলীল। যাই হোক বললাম কি খরব আপনাদের ওখানে নতুন কিছু ঘটছে,
রাবি্ব ইশকাতে জামিল বললেন একটা সমস্যায় আছি রে ভাই, ইদ্্রিস এসেছিলো, বললো ওর ছেলেটা না কি খ্রিস্টান হয়ে গেছে, এর প্রতিকার কি? আমি সুরেশকে দিয়ে দোযখ থেকে কল ডাইভার্ট করে ইশ্বরের খামার বাদীতে এক মিনিটের জন্য কথা বলতে পেরেছি তাঁর সাথে, তাকে বললাম এই সমস্যার কথা, তো তিনি কিছুক্ষন মৌন থেকে বললেন তোমাকে আর কি বলবো ইশকাত আমার নিজের ছেলেটাও তো খ্রিস্টান হয়ে গেলো।
আমি বললাম তারতো মন খারাপ করারই কথা, খ্রিস্টান হওয়ার অপরাধে তো তিনি কারাগারে রেখেছেন যীশু কে, বলেছেন মুসলিম না হওয়া পর্যন্ত তাকে আর পৃথিবীতে পাঠাবেন না, ওখানে দোযখ থেকে নিয়মিত মোল্লারা যাচ্ছে যীশুরে নসিহত করতে।
ও আপনাদের বলা হয় নি, কয়দিন আগে মুখফোড়ের ক্যামেরাম্যান একটা সংবাদ দিয়েছিলো আমাকে, ওরা তখন স্বর্গের দরজায় অপেক্ষা করছিলো পাসের জন্য দেখে দরজার পাশে এক যুবক আর এক যুবতি বসে আছে, তো মুখা যুবতির দিকে তাকিয়ে ইশারা ইঙ্গিত করছে দেখে ও যুবককে নিয়ে একটু নিরালায় গিয়ে জিজ্ঞাসা করে কি ব্যাপার তারা দরজায় কিসের জন্য অপেক্ষা করছে, তো যুবক জানায় তারা পৃথিবীতে প্রেমিক প্রেমিকা ছিলো, তার নাম মজনু আর কন্যার নাম লাঈলী, তারা যখন বিয়ে করবে বলে কাজী খুজতে বেড়িয়েছে, লাঈলীর জালিম বাপ দু জনকেই কতল করে ফেলে, এখন ওরা এসেই দ্্বাররক্ষীকে বলেছে স্বর্গে বিয়ে করা যাবে কি না, দ্্বাররক্ষী ভেতরে গেছে সংবাদ আনতে , এখনও ফিরে আসে নি।
তারা যখন অপেক্ষা করছিলো এমন সময় একজন এসে ডাক দিলো মজনু এদিকে আসো, তার পর আড়ি পেতে শুনলো দ্্বাররক্ষী বলছে , মজনু খবর নিয়ে জানলাম তোমারা এখানে বিয়ে করতে পারবে, লাঈলী মুখাকে দেখে মুগ্ধ, মুখার তুলনা নাই ওর ত্যালত্যালে হাসি দেখে সব তরূনী গলে যায়, তো লাঈলি বললো দ্্বাররক্ষীকে , আচ্ছা যদি বিবাহবিচ্ছেদ করতে চাই তাহলে ওটা কি করা যাবে?
দ্্বাররক্ষী মহাক্ষিপ্ত বললো, দেখো প্রায় তিন মাস এই 7টা স্বর্গ খুঁজে খুঁজে একটা মাত্র মোল্লাকে পেয়েছি, এখন উকিল খুঁজতে কত দিন যাবে কে জানে। আর এখানে ফ্রি সেক্সের ব্যাবস্থা আছে , মজনূ যদি অন্য কাউকে নিয়ে ব্যাস্ত থাকে তুমিও যাকে পছন্দ তাকে নিয়ে থাকতে পারে, এটা কমিউন ব্যাবস্থা সকলের তরে সকলে আমরা শ্লোগান লেখা আছে দেয়ালে দেয়ালে। আর সব হূরই অক্ষতযোনী হয়ে যায় প্রতিবার সঙ্গমের পরে, এবং সব গোলেমানই অরূপকান্তি কুমার, তোমার যাকে মনে ধরে তাকে নিয়েই থাকো না, বিবাহ বিচ্ছেদের কথা ভাবার সময় পাবে না, ফুর্তি করো,

আমি এ সংবাদ পাওয়ার পর নিজামীর কাছে ধর্না দিয়েছি স্বর্গের টিকেট পাওয়ার জন্য। অবশ্য নিজামীর পারমিটের চেয়ে বেশী শিবির কর্মি হয়ে যাওয়ায় এখন শিবিরের নিজেদের মধ্যে কামড়া কামড়ি লাগছে কে যাবে স্বর্গে । নিজামী ঘোষনা দিয়েছেন যে যত বেশী কাফের কতল করতে পারবে তার কতলের হিসাবে স্বর্গের টিকেট দেওয়া হবে,এজন্যই বাংলাদেশের সব শিবির কর্মি এখন মানুষ খুনের নেশায় পাগল হয়ে গেছে। অবশ্য নিজামীর কাছে যেই টিকেটগুলা আছে ওগুলো গ্যালারীর টিকেট, ভি আই পি টিকেটগুলো আর ইডেন গার্ডেনের ভেতরে যাওয়ার টিকেটগুলো এখনও কালোবাজারে আসে নি, গ্যালারীর টিকেটে শুধু দুর থেকে দেখা যায়, খেলায় অংশগ্রহন করতে হলে দলের কোচকে ধরতে হবে, আর এই লীগে সবচেয়ে ভালো দলগুলো হচ্ছে ইসলামী দল,ঐ দলের কোচ মুহাম্মদ, ইহুদি দল ঐ দলের কোচ মুসা আর খ্রিস্টান দল ঐ দলের কোচ যীশুতবে এখন ভারপ্রাপ্ত কোচের দায়িত্ব পালন করছে বেনডিক্ট, যীশুকে কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়েছে।
নিজামী ইসলামী দলের সমর্থকদের জন্য সংরক্ষিত টিকেটগুলো পেয়েছে।


আমি কথার ম্যারপঁ্যাচে ভুলেই গিয়েছিলাম প্রতিবাদ লিপির কথা।
আপনাদের সমস্যা হবে বলে আমি সঠিক বাংলায় লিখে দিচ্ছি কথাগুলো।1948এর টাইপরাইটারে লেখা

স্বর্গের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রানালয়ের বিশেষ প্রঞ্জাপন-6784
আপনাদের স্বর্গত প্রতিনিধি মুখফোড়ের উদ্দেশ্যমূলক সংবাদপ্রকাশে আমরা মর্মাহত, তিনি তার পাঠানো রিপোর্ট যা গতকাল আপনাদের দৈনিকে ছাপা হয়েছে সেখানে ভুল তথ্য দিয়েছেন, ইশ্বর হাবিল কাবিলের উদ্দেশ্যে কোনো দুত পাঠান নি, তার নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ সম্পুর্নটাই ভুয়া, আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং নিন্দাজ্ঞাপন করি। কাবিল-হাবিলকে কখনই চাঁদার জন্য চাপাচাপি করা হয় নি, বরং এখানে সামান্য জলস্ফিতী হয়েছিলো, জমজম নদীর দুকূলে সামান্য বন্যা হওয়ায় আমরা ত্রানবন্টন এবং দুর্যোগমোকাবেলা কমিটি খুলি এবং আদমকে ত্রান পাঠানোর অনুরোধ করি। তিনি তার সন্তানদের ত্রান সংগ্রাহের নির্দেশ দেন। হাবিল যখন ফেরাতের উপকূলবর্তি অঞ্চলে ত্রানসংগ্রহে নিয়োজিত ছিলো তখন কাবিল হাবুলের মায়ের সাথে অনৈতইক সম্পর্ক গড়ে তুলে, এবং উপগত হয়। এই নিয়ে হাবুলের মা এবং কাবুলের মায়ের মধ্যে রেষারেষি ছিলো। এ বিষয়ে জ্ঞাত আছেন পাটক্ষেতের অধিকারী মুজিবরঞ্জন পাটোয়ার। তিনি একটা ছবি পাঠিয়েছেন যা সংযুক্ত করা হলো এই পত্রের সংযোজনী অংশে, সেখানে পাট ক্ষেতের নিভৃতে কাবিল এবং হাবুলের মায়ের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বিষয়টা প্রতক্ষ্য করতে পারবেন। (দুরাচারী আমি সংজোযনী ছবিটা দেখি, বেশ কাছ থেকে তোলা ছবি, বোধ হয় আদিমরিপুর তাড়নায় পরিপাশর্্ব ভুলে উপগত হয়েছিলো, খুল্লামখুল্লা ছবি দেখে সামান্য উত্তেজিত হয়ে পরবর্তি অংশ পড়া শুরু করি, )
এই রেষারেষি চুড়ান্ত রূপ ধারন করে হাবিল ফিরে আসার পর, হাবিল এসেই ঘটনা শুনে তার বিবিকে 2/4ঘা বেতের বাড়ই দেয়, মুখে মারে নি, পাছায় বাড়ি দিয়েছিলো। এই সংবাদ পেয়ে উতালা হয়ে কাবিল ছুটে যায় হাবিলের ঘরে। হাবিল এবং কাবিলের কাজিয়ায় যুক্ত হয় হাবিল এবং কাবিলের বৌদ্্বয় এবং বিষয়টা ঘোলাটে হয়ে যায়। বৌদ্্বয়ের চুলোচুলি দেখে এবং মুখে গালির নহর দেখে হাবিল কাবিল কিছুক্ষন সংঘাত ভুলে রাইসু হয়ে দাড়িয়ে থাকে( এই শব্দের শানে নজুল জানতে হলে আগের পোষ্টগুলো পড়তে হবে। যারা এই পোষ্ট পড়েই শুভ সুচনা করছেন তাদের জন্য, রাইসুর প্রায়োগিক অর্থ ভ্যাবলা)

এবং হাবিলের বৌ প্রবল পরাক্রমে কাবিলের বৌকে ধুনছে দেখে সাহায্য করতে এগিয়ে যায় হাবিল, এবং ইত্যবসরে কাবিল হাবিলকে টাঙ্গির কোপে ধরাশায়ী করে। এ বিষয়ে হাবিল এবং কাবিলে গৃহের মাটি সাক্ষ্য দিতে প্রস্তুত, সাক্ষ্য দিতে প্রস্তুত তাদের বাসার সামনের গাছে বাসা বেধে থাকা কাকাতুয়া আর হীরামন পাখি। তাদের রেকর্ডকৃত ভাষ্যও সংযুক্ত করা হলো এই প্রতিবাদ লিপির সাথে।
ইশ্বর এর পর কাবিলকে তলব করে বিস্তারিত জানতে চান, কাবিল তার ব্যাভিচারের কথা সম্পুর্ন অস্ব ীকার করে, এবং ইশ্বরের সদর দফতর থেকে বের হয়েই মুখফোড়কে সাক্ষাৎকার দেয়।


মুখফোড়ের বিরুদ্ধে হলুদ সাংবাদিকতার অভিযোগ এসেছে। আমি জানি না কি কবরো। ও তাজা খবর দিচ্ছে আপনাদের, আপনারাই বলেন ওকে বরখাস্ত করা কি উচিত হবে?
আজ আমাদের ভাষাবিজ্ঞানি এবং গবেষক গোধুলী তার গবেষনা রিপোর্টের একটা প্রতিরূপ পাঠিয়েছেন আমাদের, শিরোনাম

আরবি ভাষার উদ্ভব নোয়াখালি থেকে।
-----------------------------

তিনি বিস্তরগবেষনা করে আরবি এবং নোয়াখালির ডায়ালেক্টের মধ্যে বিস্তর মিল পেয়েছেন, যেমন নোয়াখালির লোকেরা 'প' বলতে পারে না 'ফ' বলে , নোয়াখালির লোকজন 'থ' বলতে পারে না 'ত' বলে ,
আরবি ভাষায় এই 2টা বর্নের অনুপস্থিতি এবং উচ্চারংত মিল দেখে গোধুলী এই উপসংহারে এসেছেন যে আরবি ভাষা মূলত নোয়াখালির বাংলাভাষার একটা অংশ। নোয়াখালির লোকজনের হাতের লেখা অতীব জঘন্য, তারা মাদ্্রাসায় শিক্ষালাভ করে যেখানে তাদের হাতের লেখার উপর কোনো বিশেষ যত্ন নেওয়া হয় নি তাই আরবি ভাষায় অক্ষরগুলোর এমন দুরাবস্থ. ওগুলো আসলে বাংলা অক্ষরেরই বিকৃত রূপ। এবং ইতিহাস বিশ্লেষন করে এর সপক্ষে তিনি কিছু প্রমান উপস্থিত করেছেন।
নোয়াখালির বন্দর থেকে 3000 বছর আগে একটা জাহাজ যাত্রা করে আফ্রিকার উদ্দেশ্যে, কিন্তু ঘুর্নিবত্যার প্রভাবে তারা দিকভ্রান্ত হয়ে পদার্পন করে আরবের উপকূলে, এবং সেখানের বর্বর জাহেল অধিবাসীদের ইশারা ইঙ্গিত বুঝতে না পারায় তারা তাদের বাংলায় দীক্ষা দেন। এজন্যই আরবি উচ্ছারন এবং বাংলাদেহসের নোয়াখালির লোকজনের কথায় এত মিল
ইন্না, আন্নে, আফনে, ইঁতা.। এসব শব্দ সরাসরি আরবিতে প্রবেশ করেছে, সময়ের সাথে তাদের অর্থবিকৃতি ঘটেছে কিন্তু একটু মনোযোগ দিলেই আরবি ভাষায় বাংলার ছাপ খুজে পাবেন আপনার।

এই গবেষনানিবন্ধ ছাপা হবে ইউ পিএল থেকে আপনার আপনাদের সংগ্রহে রাখতে পারেন।

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গেরুয়া মানচিত্রে পশ্চিমবঙ্গ: একটি রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ও শিক্ষা।

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:৩৮


দীর্ঘ ১৫ বছরের টিএমসির শাসনের সমাপ্তি ঘটিয়ে অবশেষে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে। গেরুয়া শিবিরের এই ভূমিধস জয়ের পেছনে অবশ্য মোদি ম্যাজিকের চেয়ে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার ব্যর্থতার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা: ইতিহাসের প্রতি অবমাননা।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ০৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:৪৩

বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা: ইতিহাসের প্রতি অবমাননা।
=======================================
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে যাঁরা অমর হয়ে আছেন, তাঁদের অন্যতম হলেন তোফায়েল আহমেদ। উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান থেকে শুরু করে মহান... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিজের দোষ দেখা যায় না, পরের দোষ গুনে সারা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই মে, ২০২৬ রাত ২:১০


ভারতের বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পতন নিয়ে বাংলাদেশে যে পরিমাণ চুলচেরা বিশ্লেষণ হচ্ছে, তা দেখে অবাক না হয়ে উপায় নেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢুকলেই দেখা যায় অদ্ভুত সব তত্ত্ব। ফেইসবুক... ...বাকিটুকু পড়ুন

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়: সব কিছু ভেঙে পড়ে

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৬ ই মে, ২০২৬ দুপুর ২:২৮


"তোমরা যেখানে সাধ চলে যাও - আমি এই বাংলার পারে
র’য়ে যাব; দেখিব কাঁঠালপাতা ঝরিতেছে ভোরের বাতাসে;
দেখিব খয়েরি ডানা শালিখের..."

জীবনানন্দ দাশ ''রূপসী বাংলা'র কবিতাগুলো বরিশালে তাঁর পৈতৃক বাড়িতে বসে লিখেছিলেন। জীবনানন্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার কারণে দিদি হেরেছন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৬ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:০৩




আপা এপারের হিন্দুদেরকে স্নেহ করতেন তাতে ওপারের হিন্দু খুশী ছিল। আপা ভারতে বেড়াতে গেলে মোদীর আতিথ্যে আপা খুশী। কিন্তু আপার আতিথ্যে দিদি কোন অবদান রাখলেন না। তাতে হিন্দু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×