কেউ পড়লে নিজ দায়িত্বে পড়বেঃ কোনো রকম কষ্ট পাইলে কিছু করার নাই, এইটা আমার অভিমতঃ
রাজাকারগো বিচার করবো ক্যাঠ্যা। আমরাই করুম, একটু গুছায়া লই, এর বাদে সব রাজাকারগো ধরুম, একটা জিনিষ কইরা দেখতে ইচ্ছা হয়, অনৈতিক কিন্তু এর পরও মাঝে মাঝে অনৈতিকতা খারাপ না, জামায়াতের অনেক বড় বড় রাজাকারগো বিবি বেটি তো বাংলাদেশেই রইছে, ওগোরে ইলোপ কইরা এক মাস ওগোরে গনিমতের মাল ভাইবা ইচ্ছামতও ভোগ কইরা তার পর ফেরত দেওয়া হোক ওগোর বাপ ভাইরে, তাইলে টের পাইবো যার গ্যাছে তার কোথায় গিয়া লাগে, যখন এখ রাজাকার গড়ীতে পতাকা ঝুলাইয়া ঘুরে।
সাইমুম মিয়া আপনেরে দেখলে করুন হয়, আপনে হইলেন একটা চলমান কৌতুক, যুদ্ধাপরাধ নিয়া ঘাটাঘাটি করলে জানতে পারতেন যারা 2য় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি বাহিনির সহযোগিতা করেছিলো তাদের 3 লক্ষ লোককে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছিলো বেলজিয়াম, হল্যান্ড আর ফ্রান্সে, এদের মধ্যে 10 হাজার জনের মৃতু্যদন্ড দেওয়া হয়েছে, প্রায় 1 50 হাজার লোককে কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে এবং সবাইকে জরিমানা করা হয়েছে বিভিন্ন মাত্রায়, সমস্যা হলো যখন যুদ্ধ বাধে তখন মুনাফালোভী গোষ্ঠির একাংশ এই বিষয়টাকে পূঁজি করে ব্যাবসা শুরু করে, ওরাই কোলাবোরেটর হয়ে যায়, আদর্শিক কারনে নয় শুধুমাত্র মুনাফালোভী মানুষ দখলদার বাহিনীর সহযোগিতা করছে এটাও একটা দৃশ্য। কিন্তু জামাতে ইসলামি এবং মুসলিম লীগ এবং এদের সহযোগী ছাত্র সংস্থাগুলোর কর্মকান্ড শুধুমাত্র মুনাফালোভী দৃষ্টিতে দেখলে চলবে না, দেখতে হবে এদের মনস্তত্ত্ব- যেখানে সামপ্রদায়িক জুজুর বসবাস, ভারত তথা হিন্দু বিদ্্বেষ এবং এই কাফের বিদ্্বেষ ধারাবাহিকতায় হত্যা এবং লুণ্ঠনের মানসিক উপাদান পাওয়া, এটা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, আপনে চলমান কৌতুক না হলে আরও একটু সচেতন হয়ে লিখতেন বিষয়গুলা, কিন্তু ঐযে আপনের ভিতরেও মুনাফার লোভ, পেতিষ্ঠার লোভ, এবং অন্য কোনো আদর্শিক বিষয় যা উল্লেখ না করাই ভালো, নিজেকে শহিদ পরিবারে সদস্য কইয়া কি একটা ইমোশন আনার চেষ্টা করতাছেন? ভাই দালাল আইনে সমস্যা ছিলো, তড়িঘড়ি করে পাশ করা আইন তেমন পর্যালোচনা এবং বিবেচনা সম্ভব হয় নাই, আর বাংলাদেশে বাঞ্চোতদের সংখ্যা কম নাই পুলিশে, ওগো হাতেই ইচ্ছা করলেই যেকোনো দালালগো বিরুদ্ধে করা মামলা ডিশমিশ করে দেওয়ার অধিকার দেওয়া হইছিলো, বাংলাদেশের পুলিশ চরিত্র অনুযায়ি বিচার কইরা দেখেন দালালগো হোগা চাইট্যা কয়জনা বাড়ী বানাইছে, কয়জন মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে ক্ষমতাবান দালাল, যেমন ধরেন আপনের বাড়ীর পাশের ফজলুল কাদের চৌধুরি আর তেনার 2 পোলা পয়সা দিয়া ফাঁসাইছে, খবর লন, লইয়া জানান, মানতাছি আমাগো ভিতরেই অনেক কুতুব আছে যারা পয়সার লোভে মা বোনকেও ক্ষমতাবানের বিছানায় তুইল্যা দিবো ওগো কথা বাদ দেন, ওগোরে হিসাবের বাইরে রাইখ্যা তারপর কন জাহানারা ইমাম , শাহরিয়ার কবির, কবির চৌধুরী, মুনতাসির মামুন, আহমেদ শরিফ এই কয় বান্দার পার্থিব সম্পদের হিসাব লইয়াই কন কোন শালা এদেরকে পয়সা দিয়া কিনছে, যদি কোনো প্রমান দেখাইতে পারেন ওগোর মায়েরে বাপ, না হইলে আপনের মায়েরে বাপ, বুঝেনই তও আপনে কাদা ছুড়বেন তো আপনের গায়েও কাদার ছিটা পরবো গিয়া,
রাজনৈতিক প্লাটফর্মের সমস্যা আছে, বাংলাদেশের মানুষ রাজনৈতিকদের পতিতাবৃত্তি দেইখ্যা আর ভরসা করে না ওগোর উপর, যদি দালাল এবং রাজাকারদের বিচার করতে হয় সেইটা অন্য কোনো প্লাটফর্ম থেকে করতে হবে, এটারও একটা সাংগঠিনিক ভিত্তি লাগবে, এটা গড়ে তুলতে হবে, এটার সপক্ষে খাটাখাটি করেন, জনমত গড়ে তোলার চেষ্টা করেন, হুদা এই সব রাজনৈতইকগো হোগার বাল নিয়া টানাটানি কইরা লাভ নাই, ওগোর সবার হোগার বালই গিট্টু পাকানো, একটারটা ধইরা টান দিবেন সবারটাই ছিইড়্যা আইবো, তাই োগোরে বাদ দিয়া অন্য কোনো পন্থা ধরেন, কইলাম যেইটা সেইটা হইলো রাজনৈতিকগো দওষ নাদিয়া নিজে একটা জনমত গঠনের কাজ করেন, রাজনৈতিকদের উপর ভরসা কইরা থাকলে লাভ নাই, লাভ নাই বিচার বিভাগের উপর ভরসা কইরা, ঐখানের বিচারকগো বিচারের তুলনায় নিজেগো রাজনৈতিক ফায়দার বিষয় আশয় নিয়া চিন্তা বেশী, হোগার পোলারা আদালতে মিছিল মিটিং করে, তাই ওরাও সঠিক নিয়ম মেনে কোনো জনমতকে ধার করে সিদ্ধান্ত দিবো এইটাও আশা করা ঠিক না, যতদিন না স্বাধীন বিচার বিভাগ এবং স্বাধিন রাজনীতির প্রভাবমুক্ত পুলিশ বিভাগ তৈরি হয় ততদিন জনতার আদালত ভরসা, ঐখানেই হিসাব কিতাব করতে হইবো, ঐখানেই বিচার করতে হইবো, কিন্তু আপনের চরিত্রের দোষ আছে, আদর্শের দোষ আছে, আপনে এই জায়গায় কাজ করতে পারবেন না, পারবেন অযথা ব্লগে আইসা পইচা যাওয়া আদর্শের গন্ধ ছড়াইতে,
পিয়াল বিচর হবে, অবশ্যই হবে, এই খানে ছিলাম না তেমন ভাবে আইসা দেখি সব রাজাকারগো ছানাপোনারা গলা উঁচায়া কথা কয়, মালোয়শিয়া থেইক্যা পেত্তিবাদ চোদায়, পেত্তিবাদ আসে সুইডেন থেইক্যা, আসে জার্মান থেইক্যা, এক চুতমারানি জামাতি প্রফেসর আছে সিডনিতে, ঐ হালায়ও পেত্তবাদ করছে মনে হয়, তা ভাইছাবেরা আপনেরা এত কাঁইমাঁই কইরা কি সত্য বদলাইতে পারবেন, গোয়েবলসের থিউরি সব জায়গায় খাটে না, মাস হিপনোটিজম বিষয়টা এখন একটু কষ্টকর, কেউ কেউ আবার কামরুজ্জামানের পক্ষে সাফাই গাইতে আইছে, হেই বাঞ্চোত নাকি শের পুরের জনপ্রিয় নেতা, হেই হালার পুতের বয়েস আছিলো 19 জখন মুক্তিযুদ্ধ হয়, তাই হোগার পোলা রাজাকার হইতে পারে না, ভাই মুক্তিযোদ্ধা আছে হাজারে হাজার যাগোর বয়েস 14র কম আছিলো ওরা গিয়া খান সেনাগো লগে যুদ্ধ করবার পারলে 19 বছরের এক দামড়া রাজাকার হইতে পারবো না ক্যালা,আর অল্প বয়েস কইলে অল্প বয়েস কিন্তু বিষধর সাপ ছোটো হইলেই কম বিষাক্ত হয় না, ওর বিষে সমার ক্ষতি হয়, যার রক্তে খুনী, ( মেন্টাল রিটার্ডেড ধইরা নেই, কারন বিজ্ঞ জন দাবি করেছেন বাঞ্চোতের স্কুল শেষ হয় নাই তখনও, ওগোর পাষন্ডতা সাধারন মানুষের চেয়ে বেশী, দেখা যাইবো ছোটো বেলায় হালার পুলে আতশি কাঁচ দিয়া পিঁপড়া মাইড়া জমাইতো, গাছে উইঠা পাখির ডিম চুরি কইরা আনতো, সবার ভিতরেই খুনী প্রবৃত্তি থাকতেপ ারে কিন্তু মানসিক সমস্যা থাকলে এই প্রবৃত্তি দমন করা মুশকিল, তাই শালার পক্ষে 60 জনকে কুরবানি কইরা হাসিমুখে বাচ্চা পয়দা করতে কোনো সমস্যায় পড়তে হয় নাই,
আর কেউ কেউ দাবি করতাছেন মুজিব সাহেব কেনো গোলাম আজমের বিচার করেন নাই, ভাই মুজিব করবো কেমতে গোআ র বিচার, সেই খানকির পোলাতো দেশে আইছে পাকিস্তানের পাসপোর্ট নিয়া 78এ, তখন কি মুজিব কব্বর থেইক্যা উইঠ্যা বিচার করবো?
শালার রঙ্গ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



