somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটা সাক্ষাৎকার পড়ার অনুভুতি

১১ ই মে, ২০০৬ রাত ১২:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

Click This Link


Click This Link

যুদ্ধ মানবিক বিপর্যয়ের প্রথম সোপান, যুদ্ধের প্রথম শহীদ মানবতা, মানবতা নিহত হওয়ার পর বর্বরতার কোনো মাত্রা থাকে না, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যা ঘটেছে সেটাকে পরিকল্পিত গনহত্যা বলাটা সত্যতার কাছাকাছি নয়, মূলত একটা ধারনা নিয়ে শুরু করা এই গনহত্যা ক্রমশ তার রূপ পালটে জিঘাংসাপ্রকাশের মাধ্যম হয়ে দাড়ায়। প্রথমিক ধারনা ছিলো, একটা বড় মাপের হত্যাযঞ্জ করলে বাঙালির মনোবল গুড়িয়ে যাবে তারা আবার পাকিস্তানের পদলেহন করবে, 24 বছরের ক্রমাগত শোষনে অতিষ্ঠ বাঙালিরা পাকিস্তানের সামরিক পরিকল্পনাকারিদের ধারনাকে ভুল প্রমানিত করে খুব দ্্রুতই সংঘবদ্ধ হয় এবং পাকিস্তানি সৈন্য বাহিনিকে প্রতিরোধ করা শুরু করে। এর ধারাবাহিক বর্ননা এবং পাকিস্তানি সৈন্যবাহিনিকে সহযোগিতা করার জন্য তৈরি হওয়া স্বঘোষইত স্বাধীনতাবিরোধি পক্ষ যাদের রাজনৈতিক আনতি ছিলো জামাত এ ইসলামি, নেজাম এ ইসলামি , মুসলিম লীগের প্রতি তারা নিজেদের জন্য একটা বিকল্প বাহিনী গঠন করে পাকিস্তানি বাহিনির সহায়ক হিসেবে দেশব্যাপি গড়ে উঠা প্রতিরোধ সংগ্রামের বিরুদ্ধ শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে, যাই হোক এই সব মানুষের সবাই নীচু শ্রেনীর তস্কর ছিলো না, বরং তাদের আদর্শিক ভিত্তি ছিলো ইসলামি জাতিয়তাবাদের ভিত্তিতে গঠিত দেশ পাকিস্তানের অখন্ডতা রক্ষা করা, এবং সেই সব মানুষ যারা এই ইসলামি জাতিয়তাবাদ তথা পাকিস্তান পন্থি ছিলো তারা সবাই একেবারে অশিক্ষিত মানুষ ছিলো তাও নয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত 50 জন শিক্ষক এই মনোভাবসম্পন্ন ছিলো এবং তারাও তাদের সহকর্মিদের মৃতু্য তালিকা তৈরিতে সহযোগিতা করেছে,
এই আদর্শের সমর্থক গোষ্ঠির সংখ্যা নিতান্ত কম ছিলো না, আদালতের বেশ কিছু বিচারক পাকিস্তান জাতিয়তাবাদের সমর্থক ছিলো, বস্তুত দেশের প্রতিটা প্রশাসনিক দফতরে পাকিস্তানি জাতিয়তাবাদের সমর্থক ছিলো, বাংলাদেশ সৃষ্টির পর এই সব পাকিস্তান জাতিয়তাবাদের সমর্থক অনেককেই কোনো অভিযোগে গ্রেফতার করা সম্ভব হয় নি, কারন তারা পাকিস্তান জাতিয়তাবাদের সমর্থক হলেও তারা বাস্তবে যুদ্ধ অপরাধে অংশ গ্রহন করে নি, তবে এদের একটা অংহস দালাল আইণ প্রণয়ন হওয়ার পর তাদের রাজনৈতিক আনুগত্যের প্রভাবে যুদ্ধ অপরাধিদের অনেকের বিচারকে বাধাগ্রস্থ করেছে।
স্বাধীন বাংলাদেশে রাজাকারদের বিচার বিষয়ক লেখালেখি পরে করবো আপাতত যুদ্ধের সময়ের কথা বলি, পাকিস্তানি এবং এদের সহযোগি বাহিনীর বর্বরতার একটা দিনের প্রামান্য চিত্র যদি কখন প্রকৃত ভাবে তউলে ধরা হয় তবে এখানের কোনো মানুষই(মুষ্ঠিমেয় কয়েকজনকে বাদ দিয়ে তারা পারিবারিক ঐতিহ্যে জামায়াতের এবং পাকিস্তান তথা ইসলামি জাতিয়তাবাদের ধারক বাহক, এবং বর্বরতার প্রতি তাদের আশৈশব অভ্যস্ততা, এবং তাদের চেতনায় কোথাও এই মাটির প্রতি এবং এই দেশের মানুষের প্রতি করা বর্বরতার কোনো অনুরণন নেই, আমরা এমন অনেক কেই দেখেছি এই ব্লগ রাজ্যে, যাদের এক জনের বাবা জামায়াতের সম্মানিত সমর্থক এবং যে বর্তমানের সিডনিতে প্রবাসি, একজন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে দুষ্ট ক্ষতের মতো বিরাজমান, এবং তারা গলা উচু করে জামায়াতের মতের সমর্থনে বিভিন্ন মনতব্য করে যাচ্ছে,) একটা গতানুগতিক দিনে পাকিস্তানি বাহিনির কর্মসূচির মধ্যে যা যা ছিলো তার বর্ননা উপরের লিংকে পাওয়া যাবে, এটা শুধুমাত্র দৈনন্দিনতার বর্ননা, বাংলাদেশের প্রতিটা থানায় দিনে গড়ে 2 জন করে নারি অপহরিত হয়েছে এমন অভিযোগ এসেছে, সে হিসেবে জিওফ্রে ডেভিস, একজন ডাক্তার যে 72 সালের প্রথম 6 মাসে গোটা বাংলাদেশের বিভিন্ন এলকায় গর্ভপাত ক্যাম্প খুলে অনেক মানুষের বাস্তব অভিজঞতা জেনেছে, অনুমান করেছেন এই সংখ্যাটা 4 লক্ষের কাছাকাছি, একটা দেশের 4 লক্ষ নারিকে পাকিস্তানি সৈন্য বাহিনি এবং তার সহযোগিরা ধর্ষন করেছে নিয়মিত, এবং এটা খুবই আনুষ্ঠানিক ভাবে ধর্ষন করা, কোনো জিঘাংসা থেকে নয়, বরং এই দেশের মায়ের গর্ভে পাকিস্তানি সৈন্যের সন্তান জন্ম নেবে এই ধরনার প্রেক্ষিতে, এবং অনেকের ক্ষেত্রেই এমন সহজ সরল হিসাব ছিলো না,ধিন্দু মহিলাদের উপরে করা নির্যাতনের বর্ননা পড়লে মনে হয় আমরা কোনো এক হিসেবে বর্বরতায় আফ্রিকার খুব প্রাচীন মাংশাসি উপজাতির কথা শুনছি, যাদের কল্পনা শক্তি কম তাদের জন্য একটা বর্ননা দেওয়া যাক,
ধরা যাক একটা হিন্দু মেয়ে নাম সীমা, বয়েস 20এর কোঠায়, যদিও পাকিস্তানি বাহিনি এবং সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিত প্রচারনা চালানো হচ্ছিলো যে দেশের পরিস্থিত িশান্ত কোথাও কোনো বিশৃংখলা নেই, সবাই শান্তিতে বসবাস করছে, কিছু দুষ্ট মানুষ পাকিস্তানের অখন্ডতার বিরুদ্ধে লড়াই করছে ভারতের সহযোগিতায়, কিন্তু মানুষের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় মানুষ এই নিয়মতান্ত্রিক বর্বরতার ভয়ে পালাচ্ছে, শহর থেকে গ্রামে, গ্রাম থেকে আরও ভিতরের গ্রামে , এবং এই ভাবে একবারে সীমান্তে এবং অবশেষে যদি তত দিন বেচে থাকা সম্ভব হয় তবে ভারতের শরনার্থি শিবিরে, এই প্রানভয়ে ছুটে পালানো মানুষ একটা গ্রামে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে, পিছনে আগুন এবং গনহত্যার স্মৃতি রেখে, পাকিস্তানি সৈন্যবাহিনির একটা দল প্রথমে অসামরিক স্থাপনা, হাসপাতাল স্কুল কলেজ এবং বেসামরিক লোকজনের বাসস্থানে নির্বিচার বোমাবাজি করছে,( যে কোনো সুদ্ধেই বেসামরিক লোকদের হত্যা করার বিষয়ে স্পষ্ট নিষেধ আছে, 2য় বিশ্বযুদ্ধের পর এটা অবশ্যপালনীয় একটা মানবিকতার নিদর্শন ছিলো এবং এখনও আছে, মানবাধিকার কর্মিরা সামরিক লোকজনের বিরুদ্ধে গনহত্যাকে অপরাধ ভাবে না, কারন তারা যুদ্ধের জন্যই তৈরি হয়েছে, কিন্তু শিশু, বৃদ্ধ এবং নারীর উপর আঘাতকে মানবাধিকার লুণ্ঠনের সমার্থক বলা হয়, ) হাসপাতালের উপর বোমাবাজি করাটা সুস্থ মনসিকতার লক্ষণ নয়, তেমনই স্কুলের উপর বোামবর্ষন করাটাকে কেউ সুস্থ মানসিকতার কাজ বলবে না, এবং এই বাহিনির বোমাবাজি শেষ হলে পাকিস্তানি সৈন্যবাহিনী বীরদর্পে প্রবেশ করতো লোকালয়ে, প্রথমেই সেখানের স্থানীয় সহযোগী বাহীনির নির্দেশনায় হিন্দু বাসাগুলোতে হামলা হতো, সেখানের সবাইকে নির্বিচারে হত্যা করা হতো, এবং মেয়েদের বেধে উঠানো হতো ট্রাকে।
পরবর্তি দৃশ্যে, সহযোগি বাহিনীর লুণ্ঠন, তারা যা পেতো তাই লুণ্ঠন করতো, এর পর চিহি্নত আওয়ামি লীগ কর্মি এবং মুক্তিবাহিনীর কর্মিদের বাসায় আক্রমন এবং এর পর অন্য যারা সহযোগি বাহিনী ধারনায় মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করছে তাদের বাসায় আক্রমন, এবং সেখানে বসবাসরত মানুষদের হত্যা করা, এবং লুণ্ঠন শেষ হলে সেখানে আগুন ধরিয়ে দেওয়া।
সেই সব মেয়েদের ট্রাক ভর্তি করে নিয়ে আসা হতো অস্থায়ি ক্যাম্পে এবং তাদের উলঙ্গ করে ক্যাম্পের মাঝে রাখা হতো, এর পর যার খুশি বেছে নাও ভঙ্গিতে বিড়টর করা হতো নারীদের, সবাই ধর্ষন শেষে চলে যেতো, বিকৃত রূচির কেউ কেউ সুভেনির হিসেবে মেয়েদের দুধ েকটে রেখে দিতো, কেউ কেউ খুঁচিয়ে দিতো মেয়েদের যৌনাঙ্গ এবং কেউ কেউ ঝলসে দিতো, বর্বরতা শেষ হলে কেউ কেউ ধর্ষনের ফলে মরে যেতো এবং যারা বেঁচে থাকতও তাদের আবার ট্রাকে ভরে দ্্বিতীয় ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হতো, এবং রাজাকার আল বদর বাহিনীর সদস্যরা, লুণ্ঠিত মালামাল এবং নারিভোগের স্বাদ নিয়ে যেতো গৃহে, অবশ্য তাদের অনুশোচনার কিছু ছিলো না, ইসলামের শত্রুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ, যেখানে এমন বর্বরতার কথা আছে, যুদ্ধলব্ধ নারিদের ভোগ করা হালাল এটা হাদিসের বানী, এক ছাগল পিয়াল বলেছিলো এটা রদ করা হয়েছে নিসা র 5 ং আয়াত নাজেল হওয়ার পর না কি যেনো, নিসা নাজেল হয়েছিলো 632 খ্রিষ্টাব্দে, নবুয়তের শেষ বছরে, এর আগে মুসলিমরা অন্তত 15 থেকে 20টা যুদ্ধ করেছে, এই গুলোতে নারীভোগ, দঃর্ষন কম তও করে নাই, এবং মজার হাদিস, যুদ্ধলব্ধ নারির বিবাহ রদ হয়ে যায়, তারা অন্য কোনো কাফেরের স্তি হইলেও তাদের পূর্ব বিয়ে বাতিল ঘোষিত হয় যুদ্ধ হেরে যাওয়া মানেই শুধু স্বাদঃিনতা হারানো নয়, যুদ্ধ পুর্ববর্তি সব ইতিহাস মুছে যাওয়া, সন্তানের পিতৃপরিচয় থাকবে না, বিবাহিত মহিলার বিবাহ রদ হইয়া যাবে, আশ্চর্য বর্বরতা শিখিয়েছিলো মুহাম্মদ এবং তার অনুসারিরা আরও এক দফা বর্বরতার নিদর্শন রেখে গেলো বাংলাদেশে। এবং এই ভাবে চলছিলো 9 মাস, একটা পর্যায়ে বাংলাদেশে প্রায় 2 লক্ষ গর্ভপাত করানো হয়, োানেকেরই গর্ভপাত করানো সম্ভব হয় নাই, কারন মোটামুটি গর্ভধারনের 16 সপ্তাহ পরে গর্ভপাত করানোটা মাতার সাস্থ্যের জন্য ভয়ংকর, জিওফ্রে ডেভিসের প্রশিক্ষণ ছইলো এই সব দুরুহ গর্ভপাত ঘটানোর ক্ষেতরে, সে মোটামুটি সর্বোচ্চ 30 সপ্তাহ, মানে সেই সময়টাতে যেকোনো প্রিম্যাচিউর বেবি জন্মালে বেঁচে থাকার সম্ভবনা সেই সব গর্ভবতীদের গর্ভপাত করতে পারতো। আমি বলছি না এই লেট ট্রিমিস্টারের গর্ভপাতগুলো খব উচিত কোনো কাজ হয়েছে, বরং এটাকে আমার মনে হয় হত্যা, কিন্তু যব্দধ পরবর্তি সময়ের বাস্তবতায় এই বর্বরতাকেও খুব অল্প মনে হয় আমার, এবং যুদ্ধ পরবর্তি সময়ে মুক্তি বাহিনী ঘাতক দালালদের জেলবন্দি করেছিলো প্রচুর পরিমানে, প্রায় 50 হাজার বন্দি ছইলো বিভিন্ন জেলে যারা পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতার অভিযোগে দঃৃত হয়েছিলো। আমাদের প্রিয় কামরুজ্জামন যার নামে থানায় মামলাও হয়েছিলো, যে 19 বছর বয়সের টগবগে তরুন এবং যার ছুরির ধারালো কোপে প্রায় 60 জন জবাই হয়েছে তার বিরুদ্ধে করা মামলার নথি নং, 2(5) 72 জি আর নং 250 2 /72, মামলাটা করা হয়েছিলো নালিতাবাড়ী থানায়, অবশ্য অনেক যুদ্ধ অপরাদঃির বিরুদ্ধে করা মামলার কাগজপত্র লুণ্ঠন করা হয়েছে বা ধংস করা হয়েছে 76 পরবর্তি সময়ে, তাই 72-73এ করা মামলা গুলো এবং এই সময় জেলে বন্দি থাকা রাজাকারদের অনেকেই যারা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশে পুর্নবাসিত হয়, এবং কালক্রমে ক্ষমতায় আরোহন করে তারা তাদের বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোর নথিপত্র নষ্ট করেছে,
আপাতত যারা আগ্রহি তারা উপরের লিংকের সাক্ষাৎকারটা পড়তে পারে,
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৭ ই মে, ২০২৬ রাত ২:৩৩


নট আউট নোমান ইউটিউব চ্যানেলের ক্রীড়া সাংবাদিক নোমান ভাই একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক। বাংলাদেশে এখন আমরা এমন এক পরিস্থিতির মধ্যে বাস করছি যেখানে প্রকৃত দেশপ্রেমিক আর ভুয়া দেশপ্রেমিকের পার্থক্য করা... ...বাকিটুকু পড়ুন

রফিকুল ইসলামের ২য় বিয়ে করার যুক্তি প্রসঙ্গে chatgpt-কে জিজ্ঞেস করে যা পেলাম...

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ০৭ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০



ইসলামে একাধিক বিয়ে বৈধ, তবে সেটা বড় দায়িত্বের বিষয়। শুধু “বৈধ” হলেই কোনো সিদ্ধান্ত স্বয়ংক্রিয়ভাবে উত্তম বা সবার জন্য উপযুক্ত হয়ে যায় না। Qur'an-এ বহু বিবাহের অনুমতির সাথে ন্যায়বিচারের শর্তও... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষ দ্বিতীয় বিয়ে কেন করে?

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৭ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৭



যাদের চরিত্র খারাপ তারাই দ্বিতীয় বিয়ে করে।
দ্বিতীয় বিয়ে করা অন্যায়। একজন নীতিবান মানুষ কখনও দ্বিতীয় বিয়ে করে না। দ্বিতীয় বিয়ের ফল তো ভালো হয় না। আমাদের দেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এখনই কওমী মাদ্রাসাগুলো বন্ধ করে দিন

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৭ ই মে, ২০২৬ রাত ৮:৪৮


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এখনই কওমী মাদ্রাসাগুলো বন্ধ করে দিন। এর জন্য যদি আকাশ ভেঙে পড়ে, তাহলে ভেঙে পড়ুক। এর কারণে যদি দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, তবে তা-ই হোক। এখনই উপযুক্ত সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমজনতা আর রাজনীতি

লিখেছেন কিরকুট, ০৭ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:১৮

দেশটা এখন এমন এক মোড়ে দাঁড়িয়ে, যেখানে চায়ের দোকানের বেঞ্চি থেকে শুরু করে ফেসবুকের কমেন্টবক্স পর্যন্ত সবাই ভূরাজনীতির গোপন উপদেষ্টা। কেউ ন্যাটো বুঝে, কেউ "র" এর ফাইল পড়ে ফেলেছে বলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×