somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কারাবাস (জীবন গঠনের গুরুত্বপূর্ণ সময়ের কাল বৈশাখী ঝড়):

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



কারাবাস (জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়):

** আমার বয়স যখন ১৪বছর। সবেমাত্র এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছি। রেজাল্ট প্রকাশ হওয়ার ঠিক এক মাস আগের ঘটনা (আমার জীবনের রেড সিগন্যাল সম্বলিত সময়কাল)। অনেক ভালো করে পরীক্ষা-টা দিলাম। আশা ছিলো ভালো একটা রেজাল্ট হবেই হবে। অবশ্য হয়েওছিলো। কিন্তু ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরবর্তী সময়-টা ছিলো আমার জন্য অতি-দুঃখ জনক। পরীক্ষা ভালোভাবে দেওয়ার পর রেজাল্টের অপেক্ষায় বসে ছিলাম। হঠাৎ আদালত থেকে পিয়ন এসে বাবা-মা’র হাতে একটা চিঠির মতো দেখতে খাম ধরিয়ে দিলেন। ভাবলাম হয়তো কোন কিছু হবে একটা। চিঠি হাতে পাওয়ার কিছুক্ষনের মধ্যে বাবা-মা‘র মুখের দিকে তাকালাম। দেখতে পেলাম তাদের মুখটা হঠাৎ করেই ফ্যাকাশে হয়ে গেছে। খুব অসহায় মনে হচ্ছিল তাদের। বুঝিনি তখনও কি হয়েছে তাদের সাথে। জিজ্ঞাসাও করিনি তাদের, ভাবলাম বিষয়টাতে তাহারাই যা বুঝবেন অনেক ভালো বুঝবেন। খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে প্রত্যহের ন্যায় বিছানায় গেলাম, ঘুমিয়ে পড়লাম। পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠলাম। দেখলাম, আমার বাবা-মা, প্রতিবেশী আরো ক’জন গালে হাত দিয়ে আমাদের বাড়ীর উঠানে বসে আছেন, আর ফিসফিস করে কি জানি বলছেন। অতটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে হচ্ছিল না আমার নিকট, কারণ পরীক্ষা ভালো দিয়েছি রেজাল্ট ভালো হবেই হবে এই আনন্দটা যেনো রেজাল্ট প্রকাশ হওয়ার পূর্বেই পাচ্ছিলাম। যথারীতি খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে বাহিরে যাওয়ার জন্য বের হচ্ছিলাম। পিছন থেকে ডাক শুনলাম। দাড়িয়ে গেলাম আর তাদের দিকে এগিয়ে গেলাম। তাহারা সবাই আমাকে জানালেন যে, তোমাকে বগুড়া যেতে হবে। আমি তখনও বুঝতে পারি নি কোথায় যেতে হবে? ভাবলাম বসেই তো আছি, যাই একটু ঘুরে আসি বগুড়া থেকে।

** ঘটনার দিনঃ বাবা-মা, আত্নীয়-স্বজন ও আমার প্রতিবেশী’দের সাথে মজা করে বগুড়া শহরে আসলাম। বুঝতে পারছিলাম না তখনও যে কোথায় যাবো এখন? কিছু সময় চিন্তায় পার হওয়ার পর সবার সাথে চলে এলাম, সেই আদালত প্রাঙ্গনে, দেখা হয়ে গেলো যিনি আমাদের বাড়িতে গিয়েছিলেন চিঠির মতো দেখতে একটা কাগজ দিতে। আদালতে তাহার সাথে দেখা হওয়া মাত্রই আমার মাথায় আদর করে হাত বুলিয়ে দিলেন আর বললেন কোন চিন্তা করবে না, তোমার কিচ্ছু হবে না। কথাটি শোনার পর আমি একটু ভয় পেলাম আর চিন্তা করতে শুরু করলাম, কি হচ্ছে আমার সাথে!! কিছুক্ষন পর আমাকে একটা কালো কুর্ত্তা পরা লোকের সামনে নিয়ে যাওয়া হলো এবং একটা কাগজে স্বাক্ষর নেয়া হলো। অতঃপর আমার পড়াশুনার সমস্ত কাগজপত্রের সত্যায়িত জিরোক্স কপি নিলেন কালো পোশাক পরা লোকটি। আমার কাগজপত্র নিয়ে লোকটি আদালত ভবনের তৃতীয় তলায় উঠে গেলো। আমরা সবাই পিছন পিছন উঠে গেলাম তাকে অনুসরন করে। সবাই আমাকে কেন জানি সাহস দিচ্ছিল, আর বলতেছিলেন, তুমি কোন টেনশন করো না, তোমার কিচ্ছু হবে না। সবার মুখে একই কথা শুনে আমি আরো বেশি চিন্তিত হয়ে পড়লাম। ভাবতেছিলাম কি হচ্ছে আমার সাথে? যাই হোক, প্রায় ১১ টা নাগাদ আমাকে-সহ আমার জেতাতো ও চাচাতো দুই ভাই সমেত মোট ১০ জন আদালতের রুমের মধ্যে একটা বক্সে ঢুকে পড়লাম। ভয় লাগতেছিলো আর দেখতে পাচ্ছিলাম সবাই আমার দিকে তাকিয়ে আছে অপলক নয়নে। ঢোকার পরপরই আমদের সামনে চেয়ারে বসে থাকা একটা লোক (ম্যাজিষ্ট্রেট)সহ নীচতলার সেই কালো কুর্ত্তা পরা লোক ও আরো ৮-১০ জন কালো কুর্ত্তা পরা লোক কিছুসময় ইংরেজী ও বাংলা ভাষায় তর্ক করছিলেন।
** ব্যাস প্রায় ১০ মিনিট পর শুরু হলো আমার জীবনের কালো অধ্যায়ের সূচনা। সবার মুখ কেমন জানি ফ্যাকাশে হয়ে গেছে, কান্নার জল দেখা যাচ্ছিল সবার চোখের কোণায়, আমি ও আমার জেতাতো ভাই ছাড়া। একে একে সবাই নেমে গেলো বক্স থেকে। আমরাও নামতে যাচ্ছিলাম, হঠাৎ করে একটা পুলিশ আমাদের থামিয়ে দিলেন আর বললেন, তোমরা একটু দাড়াও। কিছুক্ষন পর আমাদের দু’জনের হাতে বালা পড়িয়ে দেওয়া হলো (হ্যান্ডকাপ)। ভয় ধরে গেলো শরীরে। থরথর করে কাপতেছিলো আমার সারা দেহ। বাহিরের দিকে তাকিয়ে দেখি সবাই কাঁদছে। তাদের কান্না দেখে আমিও কান্না শুরু করলাম। আমি বক্স থেকে বাহিরে যেতে চাচ্ছিলাম, কিন্তু পুলিশেরা যেতে দিলো না, বারবার আটকাতে লাগলো। বক্সের দরজায় তালা লাগিয়ে দিলো। বিষয়টি দেখে আমি বসে পড়লাম বক্সের মধ্যে আর অনেক কাঁদতে লাগলাম। তখনও বুঝতে পারছিলাম না কি হচ্ছে আমার সাথে? প্রায় আধা ঘন্টা কেটে যাওয়ার পর আমি সাহস করে আমার সামনে থাকা পুলিশ’কে জিজ্ঞাসা করলাম, আমাদের ছেড়ে দিচ্ছেন না কেন? আমরা কি করেছি? আমাদের কি করা হবে এখন? পুলিশটি বয়স্ক ছিলেন। আমার দিকে অপলক নয়নে তাকিয়ে থেকে বললেন যে, তোমাদের জেলখানায় নিয়ে যাওয়া হবে এখন। শুনে একদম কলিজা শুকিয়ে গেলো। কারণ জেলখানাটা কি জিনিস, ১৪ বছর বয়স হলেও জানতাম। বইয়ে পড়েছি ও গুরুজনদের মুখে শুনেছি জেলখানার কথা। সেই জেলখানায় নিয়ে যাওয়া হবে আমাদের’কে? প্রায় ১ঘন্টা কেটে যাওয়ার পর আমাদের’কে হাতে হ্যান্ডকাপ পড়া অবস্থায় বক্স থেকে বের করে আনা হলো আদালতের তৃতীয় তলার বারান্দায়। আশে-পাশে লক্ষ্য করে দেখলাম, সবাই আমার দিকে হা করে তাকিয়ে আছে। আমার সঙ্গে যাওয়া সকলের চোখের কোণে পানি জমেছিলো তখন। মা কাঁদতেছিলো। আমি কোন কথা বলতে পারছিলাম না, ফুপিয়ে কাদতেছিলাম। অতঃপর আমাদের’কে উপর থেকে সিড়ি বেয়ে নিচে নামানো হলো। নীচে নামিয়ে আদালতে ঠিক উল্টো পার্শ্বে নিয়ে আসা হলো। সবাই আসতেছিলো আমাদের সাথে। আর বলতেছিলো, তোর কিচ্ছু হয় নি। আমরা তোমাদের এদের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নিবো কিছুক্ষনের মধ্যে। এখন তোমরা চিন্তা করো না কোন। কথাগুলো যেনো আমার কানে ঢুকতেছিলো না। কান্না করতেছিলাম খুব। কিছুক্ষনের মধ্যে আমাদের পুনরায় কোর্টের পিছনের সাইডের একটা রুমে ঢোকানো হলো। ১৩ দিন হাজত বাস করেছিলাম। তেমন কষ্ট পাই নি। কিন্তু প্রথম দিনের এই ঘরে ঢুকে মনে হচ্ছিলো, কোন এক নর্দমার মধ্যে নামিয়ে দেওয়া হেয়েছে আমাদেকে। ছোট্ট এটা ঘর, লোক সংখ্যা (আসামী) প্রায় ১২০ জনেরও বেশি। ঘামে মেঝেতে পায়ে কব্জি পর্যন্ত পানি জমে গেছে, কি দূর্গন্ধ, মনে হচ্ছিলো আর বাঁচবো না। অনেক সহ্য করে কাটাতে হলো সেই টুকু সময়। দেখতে পেলাম, ঔটুকু ঘরের মধ্যে কেউ গাঁজা খাচ্ছে, কেউ হেরোইন সহ অন্যান্য মাদক দ্রব্য সেবন করছে। আবার কেউ উচ্চস্বরে গান বলছে। কি এক বিদ-ঘুটে অবস্থা। অতঃপর সন্ধ্যার একটু পূর্বে আমাদের সবাইকে বাহিরে বের করে বারান্দায় আনা হলো, দেখলাম বারান্দা-টি আবদ্ধ অবস্থায় রাখা হয়েছে। আমাদের সবাইকে দু’সারি করে বসানো হলো। তারপর আমাদের মাঝখানে একটা মোটা রশ্মি রাখা হলো। অতঃপর আমাদের 2জন এর হাত একত্র করে হেন্ডকাপ লাগানো হলো। হ্যান্ডকাপ লাগিয়ে সন্ধ্যা নাগাদ প্রিজন ভ্যানের মধ্যে উঠানো হলো। প্রায় ৫-১০ মিনিট পর জেলখানায় পৌছালো গাড়িটি। এবার নামার পালা। একে একে জোড়া করে নামিয়ে দেওয়া হলো জেলখানার মধ্যে সদর গেটের ঠিক সামনে। গেটটি ছিলো বিশাল আকারের দেখতে (কাঠের দরজা)। নামানোর পর বডি সার্চ করে সদর গেটের মধ্যে দিয়ে ঢোকানো হলো। জেলখানার মুল দরজা দিয়ে প্রবেশ করার পর আমার হাতের হ্যান্ডকাপ খুলে নেয়া হলো। সময়-টা ছিলো তখন রাত্রী। আশে-পাশে লাইটের আলো জ্বলছিলো মৃদু। দূরে কি একটা দেখা যাচ্ছিল। অন্যান্য ভাইদের জিজ্ঞাসা করলাম যে, ঐইটা কি জিনিস? তাহারা বললো ঔইটা ফাঁসির মঞ্চ। শুনেই হাত পা ঠান্ডা হয়ে গেলো। কিছুক্ষন যাওয়ার পর আমাদের সবাইকে একটা ঘরে থাকতে দেওয়া হলো। ঘরের আকার ছিলো প্রায় গুদাম ঘরের মতো। লোকজন ছিলো প্রায় 300 জনের মতো। কেউ শুয়ে আছে, কেউ বা টিভি দেখছে, কেউ বা কাঁদতেছিলো। ঘরের মধ্যে ঢোকানোর পর খাবার খাওয়ানো হলো। খাবার দেখেই গা-টা শিওরে উঠলো। কোন রকম খাবারগুলো দেখে নিলাম মাত্র। অতঃপর আমাকে কোন এক জায়গায় থাকার যায়গা দিলো, যেখানে শোয়ার অবস্থা ছিলো না। তারপর বসে থেকে, মাঝে মাঝে শুয়ে থেকে রাত-টা পার করে দিলাম অতিকষ্টে। পরের দিন সকাল-বেলা। চলছে বয়স ভেদে রুম বরাদ্দের আলোচনা। আমার বয়স ১৮ বছরের কম হওয়ায় শিশু ধরা হলো আমাকে। আমার জন্য বরাদ্দ করে দেওয়া হলো জেলখানার মধ্যে থাকা শিশুদের জন্য শোধনাগার ড্যাফোডিল ভবনে। রুমে নিয়ে যাওয়া হলো প্রথমে। তারপর চারটা বন্ধুর সাথে পরিচয় হলো। ৩টা খুনের আসামী আর একটা নেশাখোর। রুমে ঢুকানো হলো প্রায় ৭টা নাগাদ। আধাঘন্টা পর আমাকে জানানো হলো, তোমার জন্য তিনটা কম্বল আর থালা-বাটি বরাদ্দ আছে। তারাতারি আনতে হবে। শুনেই কলিজাটা শুকিয়ে গেলো। জেলখানার থালা-বাটি কম্বলই কি হবে আমার সম্বল? অনেক চিন্তা-ভাবনা করতে করতে আমার জেল-বন্ধুদের সহায়তায় কম্বল আর থালা-বাটি নিয়ে আসলাম বিতরন রুম থেকে। কি দূর্ঘন্ধ ছিলো সেখানকার পরিবেশটা। রুমে আসলাম ফিরে এবং কম্বল ও থালা-বাটি রাখলাম নির্দিষ্ট জায়গায়। তারপর আমাকে বলা হইলো, তোমার মাথার চুল কেটে দেওয়া হবে। আমি ভয় পেলাম। তবুও কি করার? গেলাম চুল কাটতে। গিয়ে দেখলাম নাপিতদের অবস্থা। কেচি+খুর+চিরুনীর দূরবস্থা দেখে খুব চিন্তা হলো। ভাবতে থাকলাম কি হবে এখন। অনেকক্ষন সিরিয়াল ধরে থাকার পর কেটে নিলাম মাথার চুল নতুন এক জেল-স্টাইলে। নিজেকেও চিনতে কষ্ট হচ্ছিল। তারপর হাত-মুখ ধৌত করে দাড়ালাম সকালের খাবার নেয়ার জন্য। কিছুক্ষন পর খাবার হিসেবে পেলাম একটা বিশাল আকারের পোড়া রুটি+মিষ্টি গুড়। দেখেই মাথা ঘুরে উঠলো। জীবনে যে খাবার খাইনি তো ছাড়, কল্পনাতেও আনি-নি, সেই সকল খাবার খাইতে হচ্ছে আজ। কোন রকম একটু খেয়ে ড্রেণের মধ্যে ফেলে দিলাম রুটি-টি। সকালের খাবার খাওয়ার পর নিয়ে যাওয়া হলো কেস টেবিলের সামনে আমি-সহ পূর্বের রাতে আসা সকল নতুন আসামীগণকে। বসানো হলো জেল সুবেদারের সামনে। বিভিন্ন কথা-বার্তা শুনতেছিলো। আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, তোমার কি ব্যাপর। এতো ছোট্ট বয়সে তুমি এখানে কিভাবে এলে? শুনেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়লাম আমি। আমার জেতাতো ভাই বললো যে, আমরা একটা পারিবারিক ফৌজদারী মামলায় এখানে এসেছি। সুবেদার সাহেব আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বললেন, তুমি চিন্তা করো না। কিচ্ছু হবে না। তুমি এখানে মনে করো জেলখানা দেখতে এসেছো। কিছুদিনের মধ্যেই ছাড়া পাবে তুমি। শুনে একটু সাহস পেলাম। তারপর মামলার সঙ্গে আমাদের পরিচয় মিলিয়ে নিলো জেল কর্তৃপক্ষ। আসলে আমিই সেই ছেলে নাকি!! তারপর শুরু হলো ছবি উঠানোর কাজ। বুকে একটা সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিলো, যেখানে লেখা ছিলো, [আমি দোষী, আমি এখানে সংশোধন হওয়ার জন্য এসেছি] আবার অনেকের বোর্ডে লেখা ছিলো: আমি চোর। তারপর দেখতে দেখতে ১৩ দিন কেটে গেলো সেই অন্ধকারাছন্ন জেল কারাগারে। ওহ একটা কথা ছেড়ে গেলাম। আমার জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ দিন কেটে গেছে এই জেলখানায়। পহেলা বৈশাখী: বাংলা নববর্ষের শুভ প্রথম দিন ছিলো, আমার কারাবাসের ৬ষ্ঠ দিন। খুব উৎসব মুখর পরিবেশে দিন-টি কেটে গেছে। মাত্র ১৩ দিনে অনেক অনেক ইতিহাস আছে আরো, যা লিখে শেষ করা সম্ভবপর নয় আমার পক্ষে।

** জেলখানার খাবার:
১. সকালে একটা পোড়া গমের রুটি সাথে একটু মিষ্টি গুড়।
২. দুপুরে ভাত আর একপ্রকারের কালাই, যা খেতে খুবই তিতা লাগতো আমার পক্ষে।
৩. রাতের খাবার ছিলো ভাত+ডাঙ্গার ঝোল (মসলা, ঝাল, লবন ইত্যাদি ছাড়া)। আর সাথে একদিন মাছ, একদিন মাংস।
{আমার পক্ষে খাবার গুলো গলা দিয়ে নামানো অসম্ভব ছিলো}
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:৫৯
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অন্ধকারের আলোকবর্তিকা

লিখেছেন স্প্যানকড, ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৬




একটা দেশ যখন শিক্ষিত চাপাবাজ, ক্ষমতার দরবারে নতজানু বুদ্ধিজীবী এবং মুখোশধারী ডাকাতদের হাতে পড়ে, তখন সেই দেশ আর মানচিত্রে থাকা একটি ভূখণ্ড থাকে না, হয়ে যায় আলীবাবার চল্লিশ চোরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত্যুর আগে কি মানুষ টের পায়, সে মারা যাচ্ছে!

লিখেছেন রাজীব নুর, ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭



মৃত্যুর কয়েক মুহুর্ত আগে, টের পাওয়া যায়- মরে যাচ্ছি।
সময় শেষ। তবে সবাই বুঝতে পারে না। কেউ কেউ বুঝতে পারে। আমার বাবা একদিন মাকে বলল, আমার দোষ ত্রুটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সে আমার এআইনোক্কিও

লিখেছেন শায়মা, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৪৪


এক জীবনে কত কিছু দেখা হয় কত কিছু জানা হয় মানুষের! আসলেই কত অজানারে! লেখক শংকরের এই নামে একটি বই আছে। কবিগুরুর আছে কবিতা কত অজানারে জানাইলে তুমি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগ সাইটের জন্য ডোমেইন নাম সাজেস্ট করুন

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:৫৫


বাংলায় ব্লগিং করার জন্য একটি ওয়েব সাইট তৈরী করতে চাচ্ছি। আপাতত মূল উদ্দেশ্য হলো সামুতে লিখা আমার সবগুলো পোস্ট ধীরে ধীরে সাইটটিতে আর্কাইভ করে রাখা। সামুতে অনেকে নিবেদিত প্রাণ ব্লগার... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষ গত কয়েক বছর ধরে অতিমাত্রায় স্বার্থপর হয়ে গেছে! আগেই কি ভালো ছিলাম?

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৫৬



মানুষ গত কয়েক বছর ধরে অতিমাত্রায় আত্মকেন্দ্রিক বা স্বার্থপর হয়ে যাচ্ছে! আগে এমনটা দেখা গেলেও গত কয়েক বছর এটা অতি বেশিমাত্রায় দেখা যাচ্ছে। কেন??

দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বেশি খারাপ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×