১. শারীরিক তৎপরতা বাড়ানো; যেমন- বহুতল ভবনে ওঠার সময় মাঝেমধ্যেই লিফট ব্যবহার না করে সিড়ি ব্যবহার করা এবং যানবাহনে ওঠার আগে অন্তত ৫০০ মিটার পথ পায়ে হেঁটে যাওয়া।
২. মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের ব্যায়াম করা এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা।
৩. মানসিক চাপ কমানোর জন্য মেডিটেশনের মতো কাজের চর্চা করা
৪. শরীরের জয়েন্টগুলোকে নতুনভাবে জখম হতে না দেওয়া এবং ইতোমধ্যেই জখমে আক্রান্ত হয়ে থাকলে তা দ্রুত সারিয়ে তোলা।
৫. প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণ পানি খাওয়া।
৬. ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া।
৭. ভিটামিনযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া।
৮. যে কোনো ছোটখাটো জখমের চিকিৎসা করানো।
৯. প্রতিদিন পূনরাবৃত্তিমূলক শারীরিক তৎপরতা কমিয়ে আনা।
১০. ধুমপান না করা।
১১. মদপান না করা; কারণ মদ হাড়ের স্বাস্থ্য ও কাঠামো দূর্বল করে দেয়।
১২. গ্লুকোজ্যামিন ও কন্ড্রোইটিন জাতীয় উপাদানসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার হার বাড়িয়ে দিতে হবে।
১৩. নিয়মিত দুধ পান করুন। তবে আপনার যদি ল্যাকটোজ জাতীয় খাদ্য উপাদান হজমে সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে ক্যালসিয়াম ও ব্রোকোলি জাতীয় খাবার বেশি খান।
১৪. মেনোপোজ পরবর্তী নারীদের জন্য হরমোন প্রতিস্থাপন, অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
১৫. যোগ চর্চা করুন বা শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সম্প্রসারণের সাধারণ চর্চা করুন।
১৬. উপকারী শারীরিক কলকৌশল ব্যবহার করুন।
১৭. সঠিক সাইজের ও নরম জুতা পরুন
১৮. প্রদাহসৃষ্টিকারী খাবার এড়িয়ে চলুন। প্রায়ই দেখা যায় যে, লবন, চিনি, মিষ্টি, মদ, ক্যাফেইন, প্রক্রিয়াজাতকৃত মাংস, সাধারণ রান্নার তেল, ট্রান্স ফ্যাট ও লাল মাংস ক্যান্সার ও হৃদরোগসহ অসংখ্য রোগবালাইয়ের জন্ম দেয়।
(সংগৃহীত)

সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



