
ছবি: গুগল থেকে
মেডিকেল ডিপ্লোমা (ডিএমএফ) সম্পূর্নকারী একজন বেকার ডাক্তারের কিঞ্চিত ভাবনা।
লেখাপড়া করা হয় কি শুধুই টাকা উপার্জন করার জন্য ? মাত্র ২১ বছর বয়সে প্রতিষ্ঠানিক শিক্ষার ইতি টানা হয়ে গেছে ! এটা দূর্ভাগ্য/ সৌভাগ্য। বেকারত্বের গ্লানি রোজ ভাবিয়ে তোলে, যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন জাগে মনে। হতাশ হতে উৎসাহিত করে চারপাশের মানুষ । প্রতিদিন বাবা-মায়ের মুখে থেকে শুনতে হয়, টাকা উপার্জন না করলে আগামী মাস থেকে খাওয়া বন্ধ! যে দিকে মন চায় চলে যা, চোখের সামনে যেন বোঝা বয়ে থাকতে না দেখি। কথাগুলি মনে ভীষন ভাবে দাগ কেটে গেছে ! দেশের চাকরীর বাজার কতোট কঠিন ? , বেকারদের জিজ্ঞেস করলেই পাওয়া যায়। কেউ কেউ তো বলে, এভারেস্ট জয় করাও এতো কঠিন নয় !
কিছু একটা করতে হবে , এই ভাবনায় চলছে। শুধু ভাবনাতেই নয় গত, ৩ মাসে ২ জোড়া নতুন জুতা ক্ষয় হয়েছে। তবুও টাকা উপার্জন এর উপায় মেলে নাই। অবশ্য একটু সৎ ভাবনা জীবনের পথ আরও জটিল করে দিচ্ছে । ডাক্তার হয়ে রোগীর সাহায্য করার নামে হাসপাতাল থেকে কমিশনের টাকায় হাত খরচ চলছে। এটা মনের মধ্যে নিজের শততাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে ।
বেকারত্ব নিয়ে কারও সাথে পরামর্শ করলে , সবাই বলে কিছু একটা কর ।
এই পর্যন্তই ! মনোবল বেশ শক্ত বলে টিকে থাকতে হবে পেতে হচ্ছে না। তবে প্রতিনিয়ত নিজের ভেতর লড়াই হচ্ছে, বেঁচে থাকার লড়াই ! আচ্ছা, বেঁচে থাকতে হলেই অর্থ উপার্জন করতেই হবে ??? প্রকৃতিই নির্মম !!! মানুষ ১টা দিন ও চলতে পারে না অর্থের প্রয়োজন ব্যাতীত। এটাই বাস্তবতা !
আমি কতো কিছুই না করি প্রতিদিন, নানান কাজের ব্যাস্ততায় নিজেকেই ভুলে যাই বার বার । কি নিয়ে এতো ব্যাস্ততা ? পরউপকার, পরিবারের নানান কাজে সহযোগীতা, নিজের কিছু নিত্য প্রয়োজনীয় কাজ আর পড়াশোনা । টাকা উপার্জনে করছি না বলেই হয়তো এতো কিছু করেও শুনতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত, কিছু একটা কর ।
এই দেশ , সমাজ , বাস্তবতা
কিছু করার বড় বাঁধা ! তবুও ভাবছি কিছু একটা করবো।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ১০:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



