বড় দাদারা (বাবার দাদা) পরীক্ষায় নকল করতেন, মুখস্থ বিদ্যা দিয়ে, না বুঝে মুখস্থ করে নিতেন পরীক্ষায় পাশ করার জন্য।
দাদারা পরীক্ষায় নকল করতেন, তাও মুখস্থ ও টেবিলে বা সশরীরে সাংকেতিক লিখে নিয়ে।
বাবারা পরীক্ষায় নকল করতেন, একদম ছোট ছোট চিরকুট বা মিক্সার ঔষধের দাগের কাগজের মতো করে। সুত্র আর সংকেত লিখে নিয়ে।
আমরা পরীক্ষায় নকল করতাম, ইয়া বড় বড় নোট লিখে বা কালেকশন করে, কোমড়ে বা টেবিলের নিচে লুকিয়ে রেখে।
নব্বুই দশকের পরের শিক্ষার্থীরা নকল করতো, ছাপানো সাজেশন বুক দিয়ে, বিষয় অনুসারে কেটে নিয়ে টেবিলের উপরে রেখে আরামসে দেখে দেখে।
নাহিদ কাক্কু এসে পুরা নকল সিস্টেমটাই বাতিল করে দিলেন, ধ্বংস করে দিলেন নকলের চলমান যাত্রা!
শিক্ষা আর জ্ঞান এমন পর্যায়ে নিয়ে গেলেন - এখন আর নকলই করতে হয়না!
তিনি নকলপ্রথা তুলে দিয়ে ডাইরেক্ট প্রশ্নপত্র ধরিয়ে দিলেন পরীক্ষার্থী শিক্ষার্থীর হাতে হাতে।
ভাল না? ভাল! খুবই ভাল!!!
নাহিদ কাক্কুরা আর কিছুদিন রাজত্ব করতে পারলে পরীক্ষার খাতা পরীক্ষার্থীর ঘরে ঘরে পৌছে দেবেন বলে আশা করতেই পারি!
অথবা ছাত্র/ছাত্রী লীগ বাকশালীদের জন্য পরীক্ষাহীন পাশের মাধ্যমে সার্টিফিকেট ও চালু করতে পারেন।
যাই হোক.....
পাশের হার শতভাগে সফলতার মাধ্যমে জ্ঞানশূন্য জাতি গঠনই নাহিদ কাক্কুদের স্বপ্ন - লক্ষ্য - উদ্দেশ্য।
জয় বাংলা বলে আগে বাড়ো.......

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


