মুসলমান হতে হলে গরুর মাংস খেতেই হবে? ইসলামী শরীয়তে এমন কোন দাবী/ব্যাখ্যা/ফতোয়া নাই!
বরং ভৌগলিক অবস্থানের ভিত্তিতে জীবন যাপন করাই ইসলামী শরীয়তের বিধান।
আর মুসলমানের বাচ্চাদের একান্তই যদি গো-মাংস খেতেই হয়! তাহলে গরু চাষ করে খাও!
মানে = গরু লালন-পালন করুন বেশী বেশী পশু খামার গড়ে তুলুন।
তাতে নিজেদের গরুর মাংস খাওয়া যাবে, চামড়া পাওয়া যাবে আর বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৯ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশের অর্থ সেভ করা যাবে। যা প্রতি বছর ভারতে চলে যেত!
আমাদের যদি লজ্জা-শরম নামের বালাই থেকে থাকে - তাহলে সাম্প্রদায়িক হিন্দু প্রতিবেশী দেশ ভারতের গরু সহ সকল পণ্য ধিরে ধিরে বর্জন করা উচিত।
আর যদি নির্লজ্জ-বেশরম হই তাহলে - ভারতের পদ লেহন করে বলি .... মেরা ভারত তেরা ভারত মহান হ্যায়, জয় ভারত মাতা কি জয়, জয় গো-মাতা কি জয়।
আমরাও চাই ইন্ডিয়া তাদের গরু দেবতার ব্যাপারে বর্ডারে কড়াকড়ি করুক। লাভ বেশী বাংলাদেশেরই। বাংলাদেশের গরু খাওয়া জনগণ নিজেরা গরু পালন করুক। এতে বাংলাদেশের বিপুল পরিমান অর্থ সাশ্রয় করতে পারবে। এই বিপুল অর্থ সেভ হওয়া সহ অর্থনীতির আরও কতগুলো খাতও গড়ে উঠবে এতে। এমনি এমনি এসব বলছি না, কারণ বাংলাদেশে কি পোল্ট্রি শিল্প গড়ে উঠে নি। উঠেছে। কারণ কি? রাষ্ট্র এক্ষেত্রে যথেষ্ট সহায়তা দিয়েছে। আর অবাধে মুরগী চোরাচালানীও হয় নি।
৩৯ হাজার কোটি টাকার মধ্যে ২০ হাজার কোটি টাকাও যদি গ্রামের কৃষকদের হাতে ঘুরে সেটাও এক বিরাট পাওয়া বাংলাদেশের গ্রামের জন্যে। আমরা এই সুযোগ ছাড়বো কেন ? ওদেরকে বরং বর্ডার কড়াকড়িতে সহায়তা দেয়া দরকার।
সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের প্রহরারত বিএসএফ জওয়ানদের উদ্দেশ্যে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং হিন্দু মৌলবাদী দল বিজেপির নেতা রাজনাথ সিং বলেনঃ
"আমাকে বলা হয়েছে যে বিএসএফের কড়া নজরদারিতে গরু পাচার বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশে সম্প্রতি গরুর মাংসের দাম ৩০ ভাগ বেড়ে গেছে।’
‘আপনারা নজরদারি আরো বাড়িয়ে দিন যাতে গরু পাচার পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় এবং বাংলাদেশে গরুর মাংসের দাম আরো ৭০-৮০ শতাংশ বেড়ে যায় যাতে বাংলাদেশের মানুষ গরুর মাংস খাওয়া ছেড়ে দেয়,’
কিন্তু যতই ওরা এসব বলুক না কেন ওরা বর্ডার চেক দেবে না। অর্থের মত নারায়ণ আর নাই। ওরা এটা জানে। এসব হল অহেতুক ফালাফালি।
তবে আমাদের সতর্ক হওয়ার এখনি মোক্ষম সময়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


