somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস...খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে...কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়।আমার অদক্ষ কলমে...যদি পারো ভালোবেসো তাকে...ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে,যে অকারণে লিখেছিল মানবশ্রাবণের ধারা....অঝোর

দুনিয়া কাঁপানো দশ দিন.....

০১ লা জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

"দুনিয়া কাঁপানো দশ দিন"......

জন রিড এর অবিস্মরণীয় "দুনিয়া কাঁপানো দশ দিন" বইটি পড়লাম। সত্যিই অসাধারণ একটা বই!

রুশ বিপ্লবের অনেক আগে থেকেই মার্কিনী জন রীড সাম্যবাদী। পেশায় ছিলেন সাংবাদিক আর আদর্শ সমাজতন্ত্র। সেই আদর্শের টানেই রাশিয়া সোভিয়েতে রূপান্তর কালের দশটি উত্তাল ঘটনাবহুল দিনে বলশেভিক, মেনশেভিক, সোশালিস্ট রেভলিউশনারিসহ অন্যান্য দলের ভূমিকাকে নিজে যেভাবে দেখেছেন এবং তৎকালীন রাশিয়ার সংবাদপত্রে যেসব বিবৃতি ও সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তাকে রেফারেন্স ধরে জন রীড বইটি লিখেছেন। যা বিশ্বের সচেতন পাঠক সমাজ পড়ে অন্তঃচক্ষু দিয়ে দেখেছেন সমাজতন্ত্রের বিজয়গাথা।

সমাজতন্ত্রের বিজয়গাথা লেখার জন্য সেদিন একজন জন রিড ছিলেন। নিদ্রাহীন রাতের উপাখ্যান লেখার জন্য সেদিন একজন জন রিড সারা রাত জেগে ছিলেন। সেদিন আরকেন্জেল থেকে ব্লাডিভোস্টক, গোটা রাশিয়া জুড়েছিল সেই চলমান ইতিহাস, মানুষের বাঁধন ছেঁড়ার ইতিহাস-সমাজতন্ত্রের ইতিহাস।

অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, ফিলিস্তিনের নির্যাতিত নিপীড়িত মুসলমান, রোহিঙ্গা মুসলমান, সিরিয়া, ইয়েমেন, চীনের উইঘুরের মুসলমান, কাশ্মীর তথা গোটা ভারতবর্ষের নির্যাতিত নিপীড়িত মুসলমানদের দুরাবস্থার কথা নিয়ে লেখার মতো একজন 'জন রিড' নেই!

'তথাকথিত নির্বাচিত স্বৈরশাসক' কতৃক দেশ বিদেশের গণতন্ত্রের গলা টিপে হত্যার শোকগাথা লেখার জন্য কোনো জন রিড নেই। শুধু রাজনৈতিক মতভিন্নতার কারণেই দলের সর্বস্তরের নেতা কর্মী এমনকি লক্ষ লক্ষ সমর্থকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার, নির্যাতন জেল জুলুম করে ঘরছাড়া করেছে সেই শোকগাথা লেখার জন্য একজন জন রিড নেই। উন্নয়নের নামে লুটপাট করার কথা লেখার জন্য একজন জন রিড নেই!

হতাশার মধ্যেও স্বপ্ন দেখি একদিন না একদিন, কেউ না কেউ লিখবে। বিশ্বাস করি- কেউ জেগে আছেন বিবেকহীনদের মাঝে নিজের বিবেক নিয়ে আমাদের কথা লেখার জন্য

সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:২৭
১৯টি মন্তব্য ১৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমি টুপ করে চলে আসবো

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:১৯


আমি হাসিনা। আমি আমার স্বামী ওয়াজেদ মিয়াকে কোনদিন স্বামীর মর্যাদা দেইনি। সে জ্ঞানী হলেও আমি সবসময় তাকে বাসার কাজের লোকের চেয়ে বেশি কিছু মনে করিনি। আমি সবসময় মৃণাল কান্তি... ...বাকিটুকু পড়ুন

রুবা

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮




রুবার সাথে আমার বিয়েটা ওঠ ছেড়ি তোর বিয়ের মতোই হয়েছে । একদম সাধারন কোনরকম অনুষ্ঠান নাই । সেইদিন অফিসে অনেক কাজ ছিলো । চোখে তারা ফারা দেখছিলাম । বসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রথম .........।

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৪


আন্ডারগ্রাউন্ড শোতে এটাই আমার প্রথম ড্রামস বাজানোর একটা মুহূর্ত।

কিছু গল্প আসলে পরিকল্পনা করে শুরু হয় না।কিছু গল্প হঠাৎ করে একটা মুহূর্ত থেকে জন্ম নেয় আর তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

সমুদ্রের নীল খাম

লিখেছেন ডি এইচ তুহিন, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৪২


এই শহরে থাকি প্রায় সাতাশ-আটাশ বছর ধরে। তিন প্রেমিকার মায়া ছেড়ে যাওয়া যায় না এমন এক অদ্ভুত সুন্দর এই শহর। যার এক হাতে নদী, অন্য হাতে সমুদ্র, আর কপালে জায়গা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামী দুঃশাসনের পতন অনিবার্য ছিল, জুলাই তো স্রেফ উছিলা মাত্র!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৮



জুলাই নিয়ে অনেক বিতর্ক, সমালোচনা আছে। কিন্তু, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে জুলাই গণঅভ্যূত্থান না হলে আমরা দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসন থেকে মুক্তি পেতাম না। জুলাই ঘিরে যত বিতর্ক, সমালোচনাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×