প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি........
আমরা অন্যদের কাছ থেকে ঠিক কি ধরনের ব্যবহার পাবো তা নির্ধারন করতে পারি আমরা নিজেরাই।
আমরা যা কিছু করি, তার জন্য যদি আমাদের প্রশংসা কাম্য হয়ে থাকে তাহলে আমাদের নিজেদেরও প্রশংসা করতে জানতে হবে অন্যদের। আর সেই প্রশংসা শুধু মৌখিক নয় হতে হবে আন্তরিক।
যখন আমরা নিজেদের ব্যস্ত রাখি, অন্যদের দোষ খুঁজে বের করতে বা অকারণ সমালোচনা করতে, আমরা সেসময় নিজেদের অজান্তেই আমন্ত্রণ করি ঠিক সেই ধরনের পারিপার্শ্বিকতা যা আমাদের দোষের ভাগী করতে পারে।
যেকেউ যখনই কারো সম্পর্কে কোনো নেতিবাচক ভাবনা যেমন অভিযোগ, দ্বেষ, রাগ, প্রতিহিংসা ইত্যাদি অনুভূতি পোষণ করে অথবা প্রকাশ করে, সেই ব্যক্তি তার নিজের ভাবনা দ্বারা তার নিজের প্রতি আর্কষিত করে তার নিজস্ব ভাবনার বহুগুণ বেশি নেতিবাচকতা। যা আসলে তার নিজের ক্ষতিই ডেকে আনে।
আমাদের জীবনে চলার পথে আমরা আসলে সেই প্রতিবিম্বই দেখি যে ধরনের মানসিকতার আয়না আমরা অন্তরে ধারণ করে থাকি।
তাই সর্বদা নিজেদের ভাবনা, চিন্তা, মানসিকতাকে স্বচ্ছ সুন্দর নির্মল করা এবং স্নেহ ভালোবাসা শ্রদ্ধা সম্মান সততার মানসিকতাকে বহন করে চলাই শ্রেয়। কারণ বাইরের শত্রুকে পরাস্ত করা সম্ভব হলেও আমাদের নিজেদের মনের গোপন ঘরে বসবাসকারী নেতিবাচক চিন্তার শ্বাপদদের বশ করাটা বেশি শক্ত।
প্রিয় এবং শ্রদ্ধেয় বন্ধুরা সবাই খুব খুব ভালো থাকুন সবসময়।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে অক্টোবর, ২০২৪ দুপুর ২:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


