জার্মানিতে নাৎসি দল বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ....
জার্মানিতে যেভাব নাৎসি দল নিষিদ্ধ হয়েছিলঃ
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের পর নাৎসি দল নিষিদ্ধ করা হয়। মিত্রবাহিনী নাৎসিবাদ নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ায় দলটিকে অবৈধ ঘোষণা করে এবং জার্মান সমাজ থেকে নাৎসি প্রভাব অপসারণের চেষ্টা করে। ১৯৪৫ সালে প্রণীত নিয়ন্ত্রণ পরিষদ আইন নং ১, বিশেষভাবে সেই আইনগুলিকে বাতিল করে দেয় যা পূর্বে নাৎসি দলকে ক্ষমতায় আসতে সাহায্য করেছিল।
অবৈধতার ঘোষণাঃ
যুদ্ধের পর, মিত্রশক্তি, মিত্র দখলদার কর্তৃপক্ষের অংশ হিসেবে, নাৎসি দলকে অবৈধ ঘোষণা করে।
অবৈধতা নিরস্ত্রীকরণঃ
মিত্রশক্তির লক্ষ্য ছিল আইন, শিক্ষা এবং সংস্কৃতি সহ জার্মান জীবনের সকল দিক থেকে নাৎসি মতাদর্শ এবং প্রভাব নির্মূল করা।
নিয়ন্ত্রণ পরিষদ আইন নং ১
১৯৪৫ সালের ২০ সেপ্টেম্বর পাস হওয়া এই আইনটি আনুষ্ঠানিকভাবে ২৫টি নাৎসি আইন বাতিল করে, যার মধ্যে রয়েছে সক্রিয়করণ আইন এবং দল গঠনের বিরুদ্ধে আইন।
অন্যান্য দলের পুনঃপ্রতিষ্ঠাঃ
অধিকৃত অঞ্চলগুলিতে রাজনৈতিক স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের সাথে সাথে, কমিউনিস্ট পার্টি এবং সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির মতো ওয়েইমার প্রজাতন্ত্রের অনেক প্রাক্তন দল নিজেদের পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছিল।
নুরেমবার্গ বিচারঃ
নুরেমবার্গ বিচারে শীর্ষ নাৎসি নেতাদের বিচার করা হয়েছিল এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল, যার ফলে মৃত্যুদণ্ড এবং কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
একই ধারাবাহিকতায় আওয়ামী লীগঃ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে বিচারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও তার নেতাদের বিচার কার্যসম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, জুলাই আন্দোলনের নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বাদী ও সাক্ষীদের সুরক্ষার জন্য সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে সাইবার স্পেসসহ আওয়ামী লীগের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।
এছাড়াও, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল আইনের সংশোধনী অনুমোদিত হয়েছে। সংশোধনী অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কোনো রাজনৈতিক দল, তার অঙ্গসংগঠন বা সমর্থক গোষ্ঠীকে শাস্তি দিতে পারবে।
উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে জুলাই ঘোষণাপত্র আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে চূড়ান্ত করে প্রকাশ করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
বিচার প্রক্রিয়াঃ
ইতোমধ্যেই ফ্যাসিবাদের নেতা জনরোষে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনা ছাড়াও ছাড়াও তার দোষরদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে চার্জশিট দাখিল করেছে.....
এখন শুধু অপেক্ষা....
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই মে, ২০২৫ সকাল ৯:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



