somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস...খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে...কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়।আমার অদক্ষ কলমে...যদি পারো ভালোবেসো তাকে...ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে,যে অকারণে লিখেছিল মানবশ্রাবণের ধারা....অঝোর

“পালানোয় পদক”- এক নতুন দিগন্ত.....

০৭ ই অক্টোবর, ২০২৫ সকাল ১০:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

“পালানোয় পদক”- এক নতুন দিগন্ত.....

অক্টোবর মাস- নোবেল পুরষ্কারের মাস....আফায় নোবেল পেতে অনেক চেষ্টাতদ্বির করেছে। নোবেল কিনে দেওয়ার কথা বলে- অনেকেই তার অনুমোদনে রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে বেশুমার হাতিয়েছে- বলে গল্প আছে! 'সাউথ মাউথ' কতো আজাইরা পুরস্কারই কিনলো, কিন্তু নোবেল অধরাই রয়ে গেল!


তবুও সম্ভাবনা একেবারেই শেষ হয়ে যায়নি।
যে যুগে মেধা নয়, মিথ্যার মেরুদণ্ড দিয়েই পুরস্কার পাওয়া যায়, সেখানে পালিয়ে যাওয়া তো এক বিশাল অর্জন! ভাবুন একবার- কত দক্ষতা, কত কৌশল, কত দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা লাগে এমন পালানোতে! কেউ কেউ তো পালানোর আগেই গলায় ফিতা ঝুলিয়ে "বীরপলায়ন" উপাধি দিয়ে দিতে চায়।

একসময় শুনতাম, মানুষ Nobel পায় মানবতার অবদানে। এখন বুঝি, "No-bell" মানে আসলে "ঘণ্টা বাজানোর দরকার নেই"- সবাই জানে কে কেমন! কেউ কেউ বহু দেনদরবার করেও নোবেলের ধারে-কাছেও যেতে পারে না, অথচ "ফ্যাসিস্ট অব দ্য ইয়ার" পুরস্কার জিততে পারে চোখ বন্ধ করে।

এমন এক মহাপলাতক আছেন, যিনি শুধু নিজে পালাননি, সাথে নিয়ে গেছেন নীতিহীনতার উত্তরাধিকার, চাটুকারিতার সনদ, আর জাতির ঘাড়ে রেখে গেছেন ভয়, ভণ্ডামি আর ভয়ঙ্কর নীরবতা।

তাই প্রস্তাব দিচ্ছি-
জাতিসংঘ বা অন্তত কোনো স্বনামধন্য গ্লোবাল ইন্সটিটিউশন যেন “Special Award for Strategic Escape” নামের একটা পুরস্কার চালু করে।
ক্রাইটেরিয়া হবে এমন-

★ জনগণের রোষ থেকে সফল পলায়ন,
★ ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টায় ধারাবাহিকতা,
★ দায়মুক্তির অদ্ভুত আত্মবিশ্বাস,
★ বিদেশে বসে দেশ নিয়ে নাটকীয় কান্না!

পুরস্কারের প্রতীক হতে পারে একজোড়া চপ্পল (যে চপ্পল পায়ে দৌড়ে হেলিকপ্টার চেপে ছিলেন), নিচে লেখা থাকবে-
“Run for your legacy!”

চলুন, Nobel না হোক, অন্তত “No-bell Escape Medal” তো পাওয়া যাক!
শেষ পর্যন্ত, সব নেতা দেশ চালাতে পারে না — কেউ কেউ কেবল পালাতে পারে, আর সেটাই তাদের একমাত্র দক্ষতা।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৫ সকাল ১০:২৭
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

প্রচারণার বেলুন যত বড়ই হোক, বাস্তবতার সূচের সামনে তা এক মুহূর্তেই চুপসে যায়।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ১৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৯

প্রচারণার বেলুন যত বড়ই হোক, বাস্তবতার সূচের সামনে তা এক মুহূর্তেই চুপসে যায়।
=======================================
অক্সফোর্ড ইউনিয়ন ও অক্সফোর্ড বাংলা সোসাইটি নামের ব্রিটেনের কিছু প্রবাসী বাংলাদেশিদের ছোট সংগঠন থেকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

চারদিকে অদ্ভুত নীরবতা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৪০



নিশ্চিত গন্তব্যের দিকে ধেয়ে চলেছি।
ঊর্ধ্বলোক আর নিম্নের অতল অন্ধকার কোন জায়গায়,
সে নিয়ে আর চিন্তা কি!

প্রিয়ার আহবানে আমরা কতো কিছুই না করি!
এবারে প্রিয়ার আহবানে দিক-শূন্যই নাহয় হলাম!... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৬ জুনের বিশ্বকাপ কড়চা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:২৩

দারুণ একটা ম্যাচ হয়ে গেলো একটু আগে। মিসর দারুণ খেলেছে আজ। সালাহ নেমে যাওয়ার পরে তাদের খেলার ধার বেশ বেড়ে গিয়েছিলো বলে মনে হলো! কিন্তু, বেলজিয়ামের ফরোয়ার্ডদের পাসিং আর ড্রিবলিং... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমন্ত্রন পত্র থাকলে ভিসার দরকার কী! আপনি জানেন আমি কে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ১৬ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০০



ভারত বাংলাদেশের কোনো একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানাতে চাইলে সেই আমন্ত্রণপত্র ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাঠাবে। সেখান থেকে আমন্ত্রণপত্র যাবে সেই রাজনৈতিক ব্যক্তির ডিপার্টমেন্টে, তারপর তার কাছে। এরপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

সাদিক হাসনাতের প্রোগামে রাকাজার মঈনুদ্দীন

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ১৬ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৫



এই ছবিটি লন্ডনে অনুষ্ঠিত হওয়া নিজেস্ব অর্থায়নে সাদিক হাসনাতের প্রোগামের। অসংখ্য আঙ্কেল আন্টিদের মাঝে একজন বিশেশ লোককে দেখা গেল সেখানে। লোকটাকে চিহ্নিত করে দেওয়া হয়েছে ছবিতে। এই লোকটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×