
Good governance starts with respecting public money....
গত দুই দশক রাষ্ট্রীয় সফর মানেই ছিল বিশাল বহর, শত শত সঙ্গী, অপ্রয়োজনীয় জাঁকজমক আর জনগণের টাকায় এক শ্রেণির মানুষের বিদেশ ভ্রমণের উৎসব। বিদেশ সফরের সংবাদ দেখলেই বোঝা যেত- রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনের চেয়ে সফরসঙ্গীর তালিকাই বড় খবর!
আজ চিত্রটা ভিন্ন।
PMO Bangladesh - প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরে সঙ্গীর সংখ্যা মাত্র ২৮ জন। যাদের অধিকাংশই সফরের নির্ধারিত এজেন্ডার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। অতিরিক্ত লোকজন, অপ্রয়োজনীয় প্রতিনিধিদল, কিংবা "ভিআইপি ভ্রমণ" সংস্কৃতির কোনো জায়গা রাখা হয়নি। এমনকি প্রেস উইংয়ের বাইরে অতিরিক্ত সাংবাদিকদেরও সফরসঙ্গী করা হয়নি। এটাই হওয়া উচিত ছিল একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্র পরিচালনার উদাহরণ।
রাষ্ট্রীয় সফর মানে জনগণের টাকায় বিলাসিতা নয়; রাষ্ট্রীয় স্বার্থে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করা। একজন প্রধানমন্ত্রী বিদেশে যাচ্ছেন দেশের স্বার্থ রক্ষার জন্য, কারও ব্যক্তিগত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য নয়।
সবাই বড় বড় উন্নয়নের গল্প, পরিবর্তনের কথা বলেন। কিন্তু প্রকৃত উন্নয়ন, পরিবর্তন শুরু হয় ছোট ছোট জায়গা থেকে- অপ্রয়োজনীয় অপচয় বন্ধ করা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে। জনগণের কষ্টার্জিত করের টাকায় পরিচালিত রাষ্ট্রে মিতব্যয়িতা দুর্বলতার পরিচয় নয়, বরং দায়িত্ববোধের পরিচয়।
যদি সত্যিই নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে এবং প্রতিষ্ঠিত করতে হয়, তাহলে এই ধরনের বার্তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ- রাষ্ট্র কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি নয়, রাষ্ট্র জনগণের। আর জনগণের টাকার হিসাব জনগণকেই দিতে হবে।
ছবিঃ সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নেওয়া।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


