
রাতটা হঠাৎ করেই নিজের নাম ভুলে গিয়েছিল।
আমি তখন ঘড়ির কাঁটা গুনছিলাম—কিন্তু অদ্ভুতভাবে কাঁটাগুলো সামনে না এগিয়ে, উল্টো আমার দিকে হাঁটছিল। প্রতিটা সেকেন্ড যেনআমার বুকের ভেতর ঢুকে যাচ্ছিল।
হঠাৎ দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ।
দরজা খুলতেই দেখি—আমি দাঁড়িয়ে আছি।
কিন্তু আমার চোখ নেই, মুখ নেই—শুধু একটা ছায়া, যেটা আমার মতো দেখতে হওয়ার চেষ্টা করছে। সে ধীরে বলল,
“তুমি কি আমাকে মনে করতে পারো?”
আমি কিছু বলতে পারলাম না। কারণ আমি বুঝে গেছি—সে আমার সেই অংশ, যাকে আমি বহু বছর আগে অস্বীকার করেছিলাম।
সে ঘরে ঢুকে পড়ল, আর দেয়ালগুলো কাগজের মতো ভাঁজ হয়ে যেতে লাগল। আমার শৈশব, ব্যর্থতা, অপূর্ণ স্বপ্ন—সবগুলো ছবির মতো খুলে গিয়ে বাতাসে উড়তে লাগল।
“আমি তোমার ফেলে আসা সময়,” সে বলল, “যাকে তুমি কখনো কবর দাওনি।”
হঠাৎ দেখি, আমি নিজেই ধীরে ধীরে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছি—আর সেই ছায়াটা আমার জায়গা নিয়ে নিচ্ছে।
শেষ মুহূর্তে সে ফিসফিস করে বলল—
“যারা নিজেদের ভুলে যায়, তারা শেষ পর্যন্ত নিজেদের দ্বারাই প্রতিস্থাপিত হয়।”
তারপর ঘড়ির কাঁটা আবার চলতে শুরু করল।
কিন্তু এবার সময় এগোচ্ছিল—আমি ছাড়া।
রাতটা হঠাৎ করেই নিজের নাম ভুলে গিয়েছিল।
আমি তখন ঘড়ির কাঁটা গুনছিলাম—কিন্তু অদ্ভুতভাবে কাঁটাগুলো সামনে না এগিয়ে, উল্টো আমার দিকে হাঁটছিল। প্রতিটা সেকেন্ড যেনআমার বুকের ভেতর ঢুকে যাচ্ছিল।
হঠাৎ দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ।
দরজা খুলতেই দেখি—আমি দাঁড়িয়ে আছি।
কিন্তু আমার চোখ নেই, মুখ নেই—শুধু একটা ছায়া, যেটা আমার মতো দেখতে হওয়ার চেষ্টা করছে। সে ধীরে বলল,
“তুমি কি আমাকে মনে করতে পারো?”
আমি কিছু বলতে পারলাম না। কারণ আমি বুঝে গেছি—সে আমার সেই অংশ, যাকে আমি বহু বছর আগে অস্বীকার করেছিলাম।
সে ঘরে ঢুকে পড়ল, আর দেয়ালগুলো কাগজের মতো ভাঁজ হয়ে যেতে লাগল। আমার শৈশব, ব্যর্থতা, অপূর্ণ স্বপ্ন—সবগুলো ছবির মতো খুলে গিয়ে বাতাসে উড়তে লাগল।
“আমি তোমার ফেলে আসা সময়,” সে বলল, “যাকে তুমি কখনো কবর দাওনি।”
হঠাৎ দেখি, আমি নিজেই ধীরে ধীরে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছি—আর সেই ছায়াটা আমার জায়গা নিয়ে নিচ্ছে।
শেষ মুহূর্তে সে ফিসফিস করে বলল—
“যারা নিজেদের ভুলে যায়, তারা শেষ পর্যন্ত নিজেদের দ্বারাই প্রতিস্থাপিত হয়।”
তারপর ঘড়ির কাঁটা আবার চলতে শুরু করল।
কিন্তু এবার সময় এগোচ্ছিল—আমি ছাড়া।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


