গাঁয়ের পন্থে দাঁড়িয়ে রইছে নিটোল শ্যামল মেয়ে,
নীলাঞ্জনার অপরূপ রূপে প্রকৃতি রহিছে চেয়ে।
বিশাল আকাশ চাঁদোয়া স্বরূপ ঢাকিয়া রেখেছে তারে,
জলাঙ্গী-জল ভুলে গিয়ে ঢেউ, থির রয় একেবারে।
জলাধার যেনো নিখুঁত আরশী জমিনেতে শুয়ে রয়,
শত বরষের বিরহের কথা আকাশের সাথে কয়।
সবুজ জলের আরশীতে আজ আকাশ ঝুঁকিয়া আছে,
মেঘের পিছনে মেঘ ছুটে যায়, পরস্পর রয় কাছে।
আকাশে ও জলে গভীর বন্ধন তবু তারা থাকে দূরে,
মাঝখানে শুধু শূন্য বাতাস কাঁদিছে বেহাগ সুরে।
পথের পাশের নল-খাগড়ারা বাতাসে উড়িতে চায়,
সবুজ ঘাসের গালিচা মাড়ায়ে পথিকেরা হেঁটে যায়।
শ্যামল মেয়ের তনুলতাখানি ফেলিয়াছে ছায়া জলে,
জলের তলের মীনেরা আজিকে চঞ্চল তাই বলে।
দূর পথে কোন পথিক চলেছে বারবার ফিরে চায়,
মায়াবী চোখের চকিত চাহনী পরাণ যে উছলায়।
রঞ্জিত ঠোঁটে হাসির মাধুরী ছলকে ছলকে উঠে,
ইচ্ছা জাগিছে দূর-পথিকের তুলে নিতে করপুটে।
কর্ণে দুলিছে অপরাজিতার মনোরম নীল দুল,
কৃষ্ণ কেশেতে শোভিতেছে আহা! শুভ্র শেফালী ফুল।
দুই ধারে দুই বিনুনী তাহার প্রবল বায়ুর তোড়ে,
চিলা ঘুড্ডির লেজের মতন শূন্যেতে যেনো উড়ে।
কাজল বরণ নয়ন তাহার মনোহরা এক ছবি,
পথের পথিক বিমুগ্ধতায় হলো বুঝি আজ কবি।
৩০/০৯/২০১৬
মিরপুর, ঢাকা।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা অক্টোবর, ২০১৬ বিকাল ৪:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


