"আবেগ" পার্থিব জীবনের অধিকাংশ দুর্ঘটনারই অন্যতম কারণ!
কিছু সময় আমরা এতটাই আবেগবান হয়ে যাই যে,ভালো-মন্দের তফাৎ কি তাই-ই বুঝতে চাইনা।
একজন নিস্পাপ বালককেও সহিংস করে তুলতে পারে এটি।
আবেগী হয়ে একজন ভ্যানচালকের ছেলে সম্পর্ক গড়ে তুলে ১০তলা বিল্ডিংয়ের মালিকের মেয়ের সাথে!
কিংবা,কোটিপতির দুলালীটি রেস্ট্যুরেন্টের কর্মচারীর প্রেমে জড়িয়ে যায়।
অথবা,এই আবেগই দুটি ভিন্ন ধর্মের দুজনাতে ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরী করে।
অথচ,সামাজিকতায় এগুলো কোনটারই কোন সু-স্থান নেই।
ভ্যানচালকের ছেলেটি কিংবা রেস্ট্যুরেন্টের কর্মচারী কখনোই ধনীর দুলালীদের যোগ্য নয়!
সমাজে কোটিপতি লোকটির স্ট্যাটাস আছে। তিনি সর্বদায়-ই মেয়েকে সমমর্যাদায় রাখতে চায়বেন।
আবার,অন্য ধর্মের কারো সাথে বিয়ে হলে দুইজন সাময়িক সুখি হলেও পরবর্তী প্রজন্মে সমস্যার সৃষ্টি হয়।
দেখা যায়,একপার্যায়ে এই ধরণের সম্পর্কগুলো মেনে নেয়া হয়।কারণ,এর পৃষ্টে ভালোবাসার নাম লেখা!
কিন্তু,এতে সুখের স্তরটা বরাবরই তলিয়ে যায়!
এইসব মেয়ে কিংবা ছেলে উভয়েরই উচিৎ আবেগে আবেগী না হয়ে তাদের ধর্ম,পরিবারের অবস্থান চিন্তা করে সম্পর্ক তৈরী করা।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



