somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জাদুর গল্পB-)

১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আসুন একটা ম্যাজিক দেখাই:
এই ম্যাজিকটা আপনারা আগে কখনও দেখেছেন বলে মনে হয় না। আমি হলফ করেই বলতে পারি আপনারা দেখেননি।
যাক শুরু করি।
শুরু করার আগে বলে নেই আপনারা কিন্তু ম্যাজিক চলাকালে কেউ হাই তুলতে পারবেন না।
এবার তাহলে সবাই গোল হয়ে দাঁড়ান।
আর একটা কথা যখন আমি ম্যাজিক শুরু করবো, কেউ তখন পাশের জনের দিকে তাকাতে পারবেন না।
আচ্ছা আমার লাঠিটা কই গেল। এই তো পেয়েছি। এবার আমি মাটিতে একটা বৃত্ত আঁকি।
আহ্হা বৃত্তটার মধ্যে কেউ এসে দাঁড়াবেন না। বৃত্তের দাগ ছুঁয়ে আপনার দাড়াবেন। কিন্তু দাগের মধ্যে আসবেন না। তাহলে এবার শুরু করা যাক।
তার আগে বলে নেই, আপনারা আমার সম্পর্কে কেউ কিছু জানেন। কি আমার নাম, আমার পরিচয় কী, আমি বিবাহিত কী না..। আচ্ছা আপনারা আমার সম্পর্কে না জেনেই খেলা দেখবেন? এইটা কোন কথা হলো। যাক নিজে থেকেই পরিচয় দিই। আমার নাম হলো ড. তারাতারি ফিরে আয় চৌধুরী। কী ভাবছেন এইটা আবার নাম হয় কীভাবে। হয়রে ভাই সবই সম্ভব। আমার দাদায় আমার নাম রেখেছিল তারা মিয়া। আচ্ছা আপনারাই বলেন, আমি একজন মানুষ আর আমার নাম কী না তারা মানে নক্ষত্র, এইটা কোন বিষয় হলো। তাই তারার সাথে আমি তারি যোগ করে দিলাম, এইখানে বলে রাখি-ওই বাচ্চারা চোখ থুরি কান বন্ধ কর। আমি আবার একটু তারি খাইতে পছন্দ করি তো তাই এই সংযুক্তি। আর ফিরে আয় মানে হলো কোথাও গেলে আর আমার ফিরতে ইচ্ছে করতো না সেই ছোট বেলা থেকে। আমার মা পরে আমার বউও বলতে ফিরে আয় ওরে ফিরে আয়। তাই এটাও নামের অংশ হয়ে গেল।
যাক আর কথা নয়, সবাই গোল হয়ে দাঁড়িয়েছন? দেখি গোলটা কতটা গোল হয়েছে।
নাহ আপনাদের নিয়ে এই হলো এক বিপদ। আপনারা গোল হতে পারেন না। গোল মানে বৃত্ত আঁকতে বললাম আর আপনারা বানালেন আলু। ওই মিয়ারা আপনারা পিছিয়ে যান। আর বাচ্চা বাবারা আপনারা একটু এগিয়ে আসুন।
ঠিক আছে তাহলে? শুরু হইল কিন্তু। সবাই চুপ করেন। আগেই বলছি কথা বলতে পারবেন না। কোন ফিস ফিসও হবে না। এই দেখুন, আমার হাতে দেখছেন একটা লালগোলাপ। এটাকে আমি নিমিষেই জাদু দিয়ে হাতপাখা বানিয়ে আপনাদের বাতাস খাওয়াব।
আচ্ছা ভাইজানেরা মানুষের নামেই কী সব হয়। তার একটা ঠিকানা থাকে না। আমার কী তা আছে। এই যে আমি রাস্তায় দাড়ায় খেলা দেখাইতেছি মানে কী আমি রাতে রাস্তাতেই ঘুমাই। নিশ্চয়ই না। আমার বাড়ি নদীয় জেলা সদরের পুকুরপাড় এলাকায়। কিন্তু আমি সেখানে থাকি না। সেখানে থাকে আমার মা আমার স্ত্রী চন্দ্রবানু আর আমার ছেলে সুরুষ চৌধুরী। আর আমার বংশ পরিচয় তো নামের সাথেই পাচ্ছেন মানে আমি চৌধুরী বংশের পোলা।
যাকগে। বংশ দিয় কিছু হবে না হয় নাই।
দেখছেন কী হয়া গেল। আমার গোলাপ কই গেল। হাতপাখাটা দিলো কে আমারে। এই এসি যুগে হাত পাখার কোন খাওয়া আছে না কী ভাই। যা পাখা চলে যা।
কী দেখলেন ভাই আবার আমার হাতে গোলাপ রইল।
এইটা হলো আমার সুচনা জাদু। এরপর দেখাবো আরও মজার খেলা। আপনারা তৈরি থাকুন। আমি একটু পানি খেয়ে নিই।
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কে আমারে ডাকে?

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২০

কিছু কিছু গান তৈরির পর সৃষ্টির আনন্দে আমি অত্যধিক উচ্ছ্বসিত হই। এ গানটার ফিমেইল ভার্সনটা তৈরি করেও আমি অনেক অনেক তৃপ্ত। আপনারা যারা ফোক-ক্ল্যাসিক্যাল ফিউশন ভালোবাসেন, এটা তাদের জন্য উপযুক্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরানের ভুল বনাম যুদ্ধকৌশল

লিখেছেন আলামিন১০৪, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:০৯






ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করেছিল এবং তার মাশুল দিচ্ছে হাড়ে-হাড়ে। যখন গাজার শিশু-মহিলা-আপামর জনসাধারণকে নির্বিচারে বোমা-ক্ষেপনাস্ত্রের আঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছিল তখন আম্রিকা বলেছিল ঈসরাইলের উপর হামলায় ইরানের ভূমিকা নেই- মানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লোভে পাপ, পাপে ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১:৫২


"মাংস সমিতি।" এরকম নাম শুনলে প্রথমে হাসি পায়। সঞ্চয় সমিতি শুনেছি, ঋণ সমিতি শুনেছি, এমনকি মহিলা সমিতিও শুনেছি। কিন্তু মাংস সমিতি? তারপর একটু ভাবলে হাসি থেমে যায়। কারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

চর্যাপদঃ বাংলা ও বাঙালির ঐতিহ্য

লিখেছেন কিরকুট, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:০৮

চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত হলেও, এর ভাষা ও উৎস নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলে আসছে। ১৯০৭ সালে নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এই পদগুলি আবিষ্কার করেন এবং... ...বাকিটুকু পড়ুন

রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৩৪


আজ বাদে কাল ঈদ। ঈদ-উল-ফিতর প্রতি বছর আমাদের জীবনে নতুন নতুন অনুভূতি নিয়ে ফিরে আসে, তবে এই আনন্দের জোয়ার সবচেয়ে বেশি আছড়ে পড়ে শিশু-কিশোরদের মনে। সেই ছোটবেলার কথা মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×