somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

টারডিগ্রেইড

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ছবির এই কিম্ভুতকিমাকার 'প্রানী' টা কি তা নিয়ে সাইন্টিফিক ওয়ার্ল্ডে এর কৌতুহল অনেক দিনের। এটা কি 'এলিয়েন'?? নাসার ওয়েব সাইটে এই ভাবেই এটা কে বর্ননা করা হয়েছে। করবে না কেন? এটা কে ১০০ ডিগ্রি ফুটন্ত পানিতে চড়িয়েও মারা যায় না। এটা কে মাইনাস ৪৬০ ডিগ্রি ফারেনহাইটে (এবসোলিউট জিরো) তে নিয়ে গেলেও তা কে মারতে পারা যায় না। শুধু কি তাই.. ১০-১২ বছর ধরে কোন খাবার বা পানি ছাড়া ও এটা বেচে থাকতে পারে। তারা সমুদ্রের তলদেশের যে প্রেশার আছে, তাতেও বেচে থাকতে পারে। নাসা এটা কে নিয়ে বেশী কৌতুহলী কেননা ডেন্জারাস লেভেলের রেডিয়েশনে ও এটার কোন ক্ষতি হয় না...তাই ইন্টারন্যাশানাল স্পেস স্টেশনের বাইরে রেখে দেখা গেছে যে (স্পেস স্যাুট ছাড়াই!!!!!) সে দিব্য সুস্হ আছে...রাশান রা কিছুদিন আগে মংগল গ্রহের চাদে এটাকে পাঠাতে চেয়েছিল কিন্তু রকেট মেল ফাংশান করাতে সেই প্রজেক্ট ভেস্তে গেছে...
এটার নাম হল Tardigrade (water bear)


তারা কেন এত রিজিলিয়েন্ট (resilient) ....এটা জানা গেল যে তারা রেডিয়েশনের ফলে সেলের DNA এর যে ক্ষতি হয় তাকে রিপেয়ার করতে পারে এবং নিজের শরীরের পানির পরিমান ২-১% এ নামিয়ে আনতে পারে এবং তাতে তার কোন ক্ষতি হয় না। সাইন্টিস্টরা অনেক ধরেই চেস্টা করছিল যে তাদের মধ্যেকার DNA কে আইডেন্টিফাই করতে যেটা তাদের কে এমন রিজিলিয়েন্ট প্রানীতে পরিনত করেছে...আর সেটা বুঝতে পারলে সেই DNA টা কে অন্য প্রানী/গাছ এর মধ্যে বায়োইন্জিনিয়ার করে তাদের কে ও এমন রিজিলিয়েন্ট প্রানীতে পরিনত করা।

এটা সবাই জানত যে যেহেতু তারা রেডিয়েশনের দ্বারা DNA এর যে ক্ষতি হয় তাকে তারা রিপেয়ার করতে পারে- তাহলে DNA এর সাথে বাইন্ড করা কোন প্রোটিন এই কাজ টা করবে।

গতকাল জাপানিজ সাইন্টিস্টরা সেই প্রোটিন টাকেই আইডেন্টিফাই করে বিশ্বখ্যাত নেচার সাময়িকতে পেপার পাবলিশ করেছে... অভিনন্দন রইল তাদের এই যুগান্তকারী আবিস্কারের জন্য।
Tardigrade protein helps human DNA withstand radiation

জাপানিজ সাইন্টিস্টরা DNA সাথে যে সব প্রোটিন বাইন্ড করে, তার সব গুলিকে আইডেন্টিফাই করে আইসোলেট করেছিল। এর মাঝে এর পুরো জিনোম টাকে ও সিকোয়েন্স করে ফেলে। DNA এর সাথে বাইন্ড করা সব প্রোটিন গুলির জিন সিকোয়েন্স একটা একটা করে মানুষের সেল কালচারে প্রবেশ করানো হয় এবং ভিন্ন ভিন্ন ভাবে উচ্চ মাত্রার এক্সরে রেডিয়েশন দেওয়া হয়। সব সেল কালচার নস্ট হয়ে গেলেও , Tardigrade এর Dsup gene sequence প্রবেশ করানো সেল দিব্য বেচে থাকল। এই জিনটা (Dsup) কে নিয়ে বিশ্ব জুড়ে এখন হইচই....আর বেশীদিন লাগবে না...গাছের মধ্যে এই জিনটা কে ঢুকিয়ে অন্য গ্রহে রেডিয়েশনের মাঝেই গ্রো করানোর চেস্টা হতে পারে। আপনার সান স্কৃিনের ক্রীমের সাথে এই প্রোটিনটাকে মেশানো হতে পারে...ক্যানসারের রেডিয়েশনের থেরাপীর সময় অন্য সেল গুলিকে রক্ষা করতে এই প্রোটিনকে ইউজ করা হতে পারে...।এর এপ্লিকেশন এন্ডলেস....


সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ১০:১৫
৫টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

লিখেছেন প্রামানিক, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

শহীদ জিয়া ২৭ মার্চের ভাষণে 'জয় বাংলা' বলেছিলেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১১





সূত্রঃ আমার রাজনীতির রূপরেখা
লেখকঃ জিয়াউর রহমান
পৃষ্ঠাঃ ১৭৭

...বাকিটুকু পড়ুন

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×