
ঘুমহীন চোখে কেটে যায় অমাবস্যার কাল রাত,স্বপ্ন দূর হস্ত একটু তন্দ্রা মেলানো দায়।ভদকার পেয়ালা
উল্টে গিয়ে মেঝেতে ভনভন করে মাছি,সব কিছু উগরে দিয়ে মনে হয় আরও একবার বাঁচি।
ফজরের আজান দরদ ভরা কণ্ঠে ডাকে ঘুম হতে প্রার্থনা উত্তম।কাসঁরের ঘন্টায় শুরু দিনের কীর্তন।
মাছের মত খোলা চোখে আসে সুপ্রভাত
দেয়ালে চিকা মারা সবার জন্য ডালভাত।
বিরক্ত মুখে অবিশ্বাসী আরজ আলীর সুতীব্র চিৎকার"নুহের নৌকা কত বড় ছিল"!বালাই ষাট! সিজদায় মাথা
নুয়ে পড়ি।প্রভু করি ফরিয়াদ,পরানের গহীনে এ কোন আর্তনাদ!
তারে কতদিন পর পাব ফিরে।দিন মাস বছর পেরিয়ে
তাবিজ ভেজানো পানি,চোখ পোড়ে অবিশ্বাসী মন জানে,কিছুই হবে না জানি।
মন দেয় উচাটান
গাঁজার ছিলিমে এক টান।
ধোঁয়া বুদ বুদ করে ঘোরে আকাশে উড়ে,যেখানে দেখেছিল অভাগী স্বর্গের রথ।
অবিশ্বাসী মনে আশার আলো এবার পেয়ে গেছি পথ।
আজ হোক অর্ধযুগের অবসান বিদায় তব নির্বাসন।
আহা!বিশ্বাসীর আশংকা নুহের প্লাবনে আবার ভেসে যাবে সব,মনে আশংকার দোলাচাল কি হবে রব!
তাসের ঘরের মত ভেঙ্গে পড়ি আজন্মের বিছানায়
ঝরা পাতায় মৃত্যুর মর্মর ধ্বনি কে আমায় শোনায়!
শীত নিদ্রায় পড়ে থাকি অসহায়,এতো প্রিয়নামে ডাকি তবু কেউ না বাঁচায়। তোমায় যে কত নামে ডাকি
সে শুধু আমি জানি,রাখে না গো বেলাশেষে অভিমান খানি।তবুও অবিশ্বাসের আশংকায় মন দোলাচাল হিজরত
না বৈরাগ্যে করি সাধন,নয়তো হবে পতন।
আমার অন্তরের গুরু কে জানাই প্রনাম
যার সান্নিধ্য ছাড়া বাঁচে না এ মন প্রান।
মনে মনে প্রভুরে বলি,তব কোন পথে চলি।কার অনুরনে বিবাগে কাটাই জীবন,কেন আসার পথ বন্ধ করে
যাওয়ার পথ খোলা!হাতে একতারা উদাস দুপুরে কাঁধে বহে ঝোলা। হেটে হেটে কত পথ কেটে যায়,কার নির্দেশ,
কোথা হতে আসে বিশ্বাস।
কবে আসে ঈসরাফিলের সিঙ্গায় ফুক,বুক করে ধুক,ধুক।প্রার্থনা,সাধন,প্রাণয়মান,আহ্ণিক,সঙ্গম ছেড়ে
হাজার বছরের পথ চলে খেয়ে ফেলি নিষিদ্ধ গন্ধম
উদাস সুরে বাউলিয়ানায় পথ চলি আমি অন্ধ নিরঙ্গম!
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




