
বেলা শেষে তুমিও কাঁদবে
দখিনের জানালায় চেয়ে দেখবে
তোমার কিশোরী কন্যার হাতে লালগোলাপ।
স্মৃতির রেটিনায় কেঁপে কেঁপে উঠবে
বহু শতাব্দী পুরনো হারিয়ে যাওয়া একটি কিশোরের মুখ।
এখনও কি কোথায় দাড়িয়ে আছে?
সে তোমার পথ চেয়ে অঝোর ধারায় বৃষ্টিতে!
তোমার চোখের জল মুছে যাবে
কান্নার শব্দ তখনও চলবে অবিরাম।
অথচ তুমি নিঃসঙ্গ ছিলে না
সেই ছোট শহরে
অমৃত মিষ্টান্ন ভান্ডারের কেবিনে দুটো চেয়ারের একটি
তোমার জন্য খালি পড়ে থাকে এখনও
রন্তাই নদীর স্বচ্ছ জল আর দূর্গাপুরের আকাশ ছিল
তোমার অবারিত লীলভূমি।
আজও তোমার মনের বারান্দায় অবিরাম হেটে চলে এক জন
যার জন্য একটুখানি সময় খুঁজেনিতে নেই কোন আয়োজন।
তবুও সে আসে মধ্যরাতে ঘোড়া ছুটিয়ে
তোমার ঘুম ভাঙ্গা আধো জাগরণে।
সিঁথির পাকা চুলে কলপ লাগিয়ে তারে লুকিয়ে রাখ
একুশ বছরের পুরানো রুপোর কৌটায়।
দুপুর বেলা তোমার রেলিং জুড়ে যখন নামে নিঃঙ্গ নখগ্রাতর আঁচর
তখন কিছুটা রক্তক্ষরণ ঘটে পরাণের গহীন অন্তরালে।
মধ্য জুলাই এ আসে বিবর্ন সুদূর শেষ ডিসেম্বরের হাড় কাঁপানো শীতের রাত
তাকে তুমি আর কোথায়ও খুঁজে পাবে না এমনকি তার নিশ্বাসের শব্দ,
তবুও খুঁজবে ষ্টেশন রোডে,নয়তে পাবলিক লাইব্রেরীর মোটা বইয়ের পাতার মাঝে।
বৃদ্ধার পরিত্যাক্ত নির্জনতা আর অকালের বর্ষাই হয়েছে তোমার সহচর
অতঃপর ফুপিয়ে আসা কান্না হবে তোমার আপেক্ষিক কালের স্থব্দতা!
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১২:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



