অনেকেরই খারাপ লাগতেছে নিজেকে ঢাকা উত্তর বা ঢাকা দক্ষিণের বাসিন্দা বলে পরিচয় দিতে, তবে আমি খুশি। কারন ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আমরা কেউ দেখিনি। ১৯৪৭ এ ভারত মহাদেশ ভঙ্গও আমরা অনেকেই দেখিনি। এমনকি দেখিনি দুই পাকিস্তান ভঙ্গের ক্ষণটিও। তাই আমাদের মাননীয় প্রানপ্রিয় নেত্রী বঙ্গ-বন্দু কন্যা ম্যাডাম হাসিনা সেই দুঃখ ঘুচাতে আজ ঢাকা-ভঙ্গের ঘোষণা দিলেন। আমি মুগ্ধ-বিমোহিত আবেগে আক্রান্ত হয়ে হৃদযন্ত্রে উঠানামা বেড়ে গেছে এই সিন্ধান্ত জানার পর। আমি আরো আনন্দিত হলাম এই জেনে যে, এই সিন্ধান্ত নেবার কারনে ঢাকার বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়বে ৩০০০ হাজার মেগাভাই, মশা কমবে ৮০০ কেজি, নালার গন্ধের বদলে বের হবে সৌদি আতরের সুগ্রান, যানজট কমে গাড়ি চলবে এটলিস্ট বিমানের গতিতে, পানির অভাব দূর হয়ে বন্যায় প্লাবিত হবে ঢাকা, এখন থেকে ঢাকা উত্তর- আর দক্ষিনের মাঝে চলবে প্রতিযোগিতা এমনকি মারামারি। এরপর মহিলারা গল্প গুজবে মত্ত হবে, ঢাকা দক্ষিনের মহিলারা বলবে, জানেন আমরা ঢাকা উত্তরের লোকজনের মত ক্ষেত না, আমরা মরিচ দিয়ে পান্তাভাত খায়না। অন্যদিকে উত্তরের মহিলারা বলবে ঢাকা দক্ষিনের লোকেরা কি ক্ষেত জানেন আপা, তিনদিনও গোসল না করে থাকে। ছিঃ ছিঃ। তাদের নাকি পানি থাকেনা।
ঢাকা-ভঙ্গের পর কিছু লোকের প্রতিক্রিয়াঃ
"দোস্ত কিরে তুই নাকি ঢাকা দক্ষিনে পরে গেছস? আজবতো। প্লীজ বাসা পাল্টিয়ে চলে আয় আমাদের উত্তর ঢাকায়। কি নিরিবিলি প্রশান্তির জায়গা।"
" শুন কুলসুম ফারদার তুমি ঢাকা দক্ষিণকে ক্রীটিসাইজ করবা দেন আমাদের রিলেশন নিয়ে আমাকে ভাবতে হবে! দক্ষিনে কি তোমার মত সুন্দরি মেয়ে না নাকি!!"
"কালে কালে কত কি দেখলাম ভাইসাব। এই মরনকালে ঢাকা-ভঙ্গ টাও দেখে যেতে হল। তা ভাইসাব আপনি কোন ঢাকার লোক?"
"ভাগ হওয়ার পর ঢাকা মহানগর দক্ষিণে ওয়ার্ড হবে ৫৬টি এবং উত্তরে ৩৬টি", কে কোন ভাগে পড়েছেন হাত তোলেন।
সুত্র- View this link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



