
নেপালে শনিবারের (২৫শে এপ্রিল) ভূমিকম্প ৮১ বছরের মধ্যে নেপালে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প। ভয়াবহ এ ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত অন্তত তিন হাজার জনের মৃত্যু খবর পাওয়া গেছে। নেপালে শনিবারের ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানার মাত্র এক সপ্তাহ আগেই বড় ধরনের দুর্যোগের আভাস দিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা।
গত সপ্তাহে ঘনবসতিপূর্ণ শহর কাঠমাণ্ডুকে কিভাবে ভূমিকম্পের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করা যায়, সে লক্ষ্যে রাজধানীতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে জড়ো হয়েছিলেন ভূমিকম্প বিজ্ঞানী ও সমাজ বিজ্ঞানীরা।
যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ক্যামব্রিজের বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান জেমস জ্যাকসন বলেন, ‘ভূমিকম্পটি হবে বলে আমাদের ধারণা ছিল। কিন্তু সেটি এতো তাড়াতাড়ি হবে তা ভাবতে পারিনি।’
‘আর্থকুইকস উইদাউট ফ্রন্টিয়ারস’ এর প্রধান বিজ্ঞানী জ্যাকসন আরও জানান, ভূমিকম্পের ভয়বহতা বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মানব সৃষ্ট কারণেই মূলত বেড়েছে ভয়াবহতা ও ক্ষয়ক্ষতি। ভূমিকম্পটি ১৯৩৪ সালে আঘাত হানা ভয়াবহ ভূমিকম্পের পুনরাবৃত্তি বলেও মনে করেন এই ভূমিকম্প বিশারদ।
তবে মার্কিন ভূতাত্বিক জরিপ অধিদফতরের (ইউজিএসজি) ভূমিকম্পবিদ ডেভিড ওয়ালড জানান, ৭.৯ মাত্রার ভূমিকম্পের প্রভাব বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে হবে ভিন্ন ভিন্ন। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ১০ লাখ জনসংখ্যার বসতিতে প্রাণ হারাতে পারেন ৩০ থেকে ৪০ জন। একই সময়ে নিহতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে পাকিস্তান, ভারত, ইরানে ও চীনে। অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণেই বাড়ছে দুর্ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি।
নেপালের সর্বশেষ ২০০ বছরের ইতিহাসে ১৯৩৪ সালের ভূমিকম্পে প্রাণ হারিয়েছিলেন কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষ।
তথ্যসূত্রঃ বিডি নিউজ
৮১ বছর পরে নেপালে আবার ভয়াবহ ভূমিকম্প কেড়ে নিল সে দেশের তরতাজা অসংখ্য প্রাণ। তাদের প্রধান আয়ের উৎস পর্যটন শিল্প, সেই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর অনেকগুলোই বিধ্বস্ত, যা অবশিষ্ট আছে সেগুলোও অস্তিত্ব সংকটে। ২০১৩ সালের অনেকটা সময় আমি কাটিয়েছি নেপালে। অনেকটাই কাছের দেশ এবং প্রিয় দেশগুলোর একটি। ভৌগলিক দিক দিয়েও নেপাল আমাদের খুব কাছের দেশ। নেপালের সংস্কৃতিও আমদের দেশের সাথে অনেকটাই মিলে যায়।
সে দেশে পাহাড় পর্বত অনেকটা জায়গা জুরে থাকলেও, আমি ছিলাম পাহাড় পেরিয়ে সমভূমী এলাকায়। কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে নেমে গাড়িতে যেতে প্রায় সারাটি দিনই চলে যেত আমার। আশে-পাশের জমির ফসল দেখে মনে হত না আমি দেশে নেই। চারপাশে সবুজ ধান, গম, আলু, সরিষা চাষ হয় ওখানকার মাটিতে। আমার বাসার আঙিনায় আমি শীম, ঢেড়স, লাউ,পালং শাক,ভূট্টা, কত রকমের সব্জিই না লাগিয়েছিলাম।
নেপালীরা মানুষ হিসেবে খুবই সহজ-সরল। আমাকে ওরা খুব পছন্দ করত। আমাদের বাবুর্চি আর মালী ছিল মেয়ে, ওরা কতই না গল্প করত আমার সাথে ভাঙা ভাঙা ইংরেজী আর হিন্দীতে।আমি ওদের সাথে যোগাযোগ করতে পারছি না, আমি ওদের হারিয়ে ফেলেছি!!! জানি না ওরা কেমন আছে!!! দোয়া করি পূনম, গীতা তোমরা ভাল থেক!!!
*****************************

আমার তোলা পাটান দরবার স্কয়ারের ছবি

ধ্বংসপ্রাপ্ত দরবার স্কয়ার
*****************************************

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


