শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যই নয়, ঐতিহ্যের রাজধানী হিসেবেও নেপালের খ্যাতি বিশ্বজোড়া। নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু। প্রাচীন রাজপ্রাসাদ, ঐতিহাসিক মন্দির আর সাজানো দোকানপাটের এই শহরে স্থানীয় এবং বিদেশি পর্যটকদের ভিড়ে কাঠমান্ডু থাকে সব সময়ই মুখর। দেশটিতে ইউনেসকো ঘোষিত ‘বিশ্ব-ঐতিহ্য’ ১৩৭টি। তার ১১৪টিই আবার কাঠমান্ডুতে।২৫শে এপ্রিল শক্তিশালী এক ভূমিকম্পে কাঠমান্ডুসহ পুরো দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৪১ মিনিটে শুরু হওয়া ২০ সেকেন্ড থেকে দেড় মিনিট স্থায়ী এ ভূকম্পনে ধ্বসে পড়েছে শত শত বছর বয়সী বহু প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। নেপালের পর্যটন খাত দেশটির আয়ের প্রধান উৎস। ভূমিকম্পের ফলে দেশটির পর্যটন খাত মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। যা দেশের অর্থনীতিতে মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে।
নেপালের বৌদ্ধনাথ স্তুপের অন্তত চারটি স্তুপ ও নাগার্জুন পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত বালজু ওয়াটার গার্ডেন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দেবতা শিবের সবচেয়ে পবিত্র মন্দির হিসেবে গণ্য ৪০০ খ্রিস্টাব্দে তৈরি পশুপতিনাথ মন্দির ও কালো পাথরে খোদাই করা বিশাল বিষ্ণুমূর্তি বুধানীল কণ্ঠেরও আংশিক ক্ষতি হয়েছে ভূমিকম্পে।
নেপালের তথ্যমন্ত্রী মিনেন্দ্র রিজাল জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে চতুর্থ থেকে অষ্টাদশ শতক পর্যন্ত নির্মিত প্রাচীন ভবনগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কাঠমান্ডু থেকে আট কিলোমিটার দূরে ভক্তপুরে চতুর্দশ থেকে সপ্তদশ শতকে নির্মিত দরবার স্কোয়ারের একটি ভবন ধসে পড়েছে। এছাড়া কাঠমান্ডুতে ১৯ শতকের প্রথমার্ধে নির্মিত ধারারা টাওয়ার নামে একটি ঐতিহাসিক স্থাপনাও ধসে গেছে। স্থাপনা দুটিতে কমপক্ষে অন্তত ২০০ জন আটকা পড়েছে বলে জানা যায়।
তথ্যসূত্রঃ বিডি নিউজ
==============================

ঐতিহ্যবাহী ভবন ধারারা টাওয়ার নেপালে ভীমসেন টাওয়ার নামেও পরিচিত। ধ্বংসের পূর্বে ও পরে !

কাঠমাণ্ডু উপত্যকায় রাজকীয় স্থাপত্যশৈলীর শহর ভক্তপুর এখন শুধুই ধ্বংসস্তুপ।

ললিতপুর শহরে পাটান দরবার স্কয়ারকে চেনার উপায় নেই আর।

দরবার স্কয়ারে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের নিদর্শন মাজু দেভাল দেখে বোঝার উপায় নেই আগে কেমন ছিল এটি।

ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের নিদর্শন কাঠমাণ্ডু দরবার স্কয়ার এখন শুধুই স্মৃতি।
*********************************************

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


