যাই হোক, মনিটরটা পিসি'র সাথে লাগিয়ে দেখি ডিসপ্লে পুরো ত্যারা হয়ে আছে, বাটন দিয়েই ঠিক করা যাবে। কিছুক্ষন গুতাঁগুতি করে মোটামুটি জাতে আনলাম।
সে বেশ তাড়াহুড়ার মধ্যে ছিল, রাস্তায় গাড়ি পার্ক করা, যেকোন সময়ে ট্রাফিক ওয়াড্রেন এসে টিকেট দিয়ে গেলে বেশ বড় একটা অংকের জরিমানা দিতে হবে।
যা করেছি ওই দেখে বলল- দাও, আমার এতেই চলবে। আমি বললাম- আরোও কিছু সময় দিলে হয়তো আরোও কিছুটা ভাল করতে পারতাম। ও বলল- দরকার নেই, কত দিতে হবে? আমি বললাম- এটা তেমন কঠিন কোনো কাজ ছিল না, আর আমি পুরোপুরি ঠিকও করতে পারি নাই। তাই তুমি খুশি হলেই আমি খুশি, তুমি এটা নিয়ে যাও। আমি কোনো টাকা পয়সা দিতে হবে না।
ও বলে- এটা কেমন করে হয়? না না, কত দিতে হবে? আমি কোনোভাবেই কিছু নিলাম না। সে চলে গেল, একটু পড়ে বিশাল একটা ব্যাগ নিয়ে চলে বলল - তুমি ডোনাট খাও তো, এটা তোমার জন্য। আমি তো পুরোপুরি থ হয়ে গেছি। কিছু বুঝে উঠার আগে ব্যাগটা আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে চলে গেল।
ব্যাগ খুলে দেখি দু' প্যাকেট বিভিন্ন ডিজাইনের ডোনাট। খুলে খেয়ে দেখলাম, খুব মজার। অন্য যারা ক্যাফেতে ছিল সবাইকে বাকিগুলো বিলিয়ে দিলাম।
ওই মহিলাও খুশি, আমিও খুশি, সবাই খুশি।
বিঃদ্রঃ ব্লগের কাউকে ডোনাট পাঠাতে পারলাম না বিধায়, ডোনাটের প্যাকেটের ছবি পাঠালাম
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




