দেখতে দেখতে দেশ ছেড়েছি নয় মাস হতে চলল। খুব দ্রুতগতিতে সময় দৌড়ে যাচ্ছে। সকালে কাজে আসি, বেশ রাত করে বাসায় ফিরি, দেশেও এমনটিই ছিল। কিন্তু তখন টের পেতাম কখন দিন গড়িয়ে সন্ধ্যে হচ্ছে, সন্ধ্যে আবার রাতে গড়াচ্ছে। হয়তো সময়ের একক ঘন্টায় ছিল, তাই ঘড়ি ধরে হিসেব করতে পারতাম কতক্ষন গেল। বাসায় ফিরতাম, আম্মা ছিল, কাজের লোক ছিল, জানতাম ভাত-তরকারী রান্না আছে। কোনমতে দু-গ্রাস মুখে দিয়েই একটু আপন করে টিভির রিমোটটা হাতে নিয়েই কিছুটা অলস সময়।
এখানে সেই সুযোগ নাই, প্রচন্ড ব্যস্ততা আর নিজের কাজ নিজে কর। আর তার সাথে যদি অলসে কিছু হাউসমেট থাকে তো কথাই নেই। নিজের কাজ বাদেও অন্যদের কাজেও হাত লাগাতে হয়। সারাদিন কাজ, বাসায় ফিরে আবার রান্না বান্না, খাওয়া দাওয়া শেষ করে আর অলস সময়টুকুও থাকে না। পরদিন আবার কাজে যেতে হবে, শুতে হবে যে!
ছয়দিন বাদে রোববারে একটু শান্তি, কাজ নেই। শুক্রবার রাত থেকেই এখানে উইকএন্ড শুরু হয়ে যায়, রাস্তায় মাঝে মাঝে মাতালদের উচ্চস্বরের কথা শুনে জ্ঞান হয় আরোও একটা সপ্তাহ গেল। নতুনবা কি বার সেটা হিসেবই করা হয় না। দেখতে দেখতেই ছয় দিন কিভাবে যে পার হয়ে যায় টেরই পাই না।
কে বলে সময়ের একক সেকেন্ড, এখন আমি তো বলি সময়ের একক সপ্তাহ। রবিবার না এলে তো হিসেবই করি না কয়দিন গেল!
কিছু একটা লিখতে ইচ্ছে করছিল, লিখতে পারছিলাম না। আজকাল সব কিছুতেই কেন জানি খুব বিরক্ত লাগে। শুধু শুরু বোধ হয় ছাইপাই লিখে পোষ্টের সংখ্যা বাড়ালাম।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




