somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সময়ের একক যেখানে সপ্তাহ

১১ ই জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৫:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দেখতে দেখতে দেশ ছেড়েছি নয় মাস হতে চলল। খুব দ্রুতগতিতে সময় দৌড়ে যাচ্ছে। সকালে কাজে আসি, বেশ রাত করে বাসায় ফিরি, দেশেও এমনটিই ছিল। কিন্তু তখন টের পেতাম কখন দিন গড়িয়ে সন্ধ্যে হচ্ছে, সন্ধ্যে আবার রাতে গড়াচ্ছে। হয়তো সময়ের একক ঘন্টায় ছিল, তাই ঘড়ি ধরে হিসেব করতে পারতাম কতক্ষন গেল। বাসায় ফিরতাম, আম্মা ছিল, কাজের লোক ছিল, জানতাম ভাত-তরকারী রান্না আছে। কোনমতে দু-গ্রাস মুখে দিয়েই একটু আপন করে টিভির রিমোটটা হাতে নিয়েই কিছুটা অলস সময়।

এখানে সেই সুযোগ নাই, প্রচন্ড ব্যস্ততা আর নিজের কাজ নিজে কর। আর তার সাথে যদি অলসে কিছু হাউসমেট থাকে তো কথাই নেই। নিজের কাজ বাদেও অন্যদের কাজেও হাত লাগাতে হয়। সারাদিন কাজ, বাসায় ফিরে আবার রান্না বান্না, খাওয়া দাওয়া শেষ করে আর অলস সময়টুকুও থাকে না। পরদিন আবার কাজে যেতে হবে, শুতে হবে যে!

ছয়দিন বাদে রোববারে একটু শান্তি, কাজ নেই। শুক্রবার রাত থেকেই এখানে উইকএন্ড শুরু হয়ে যায়, রাস্তায় মাঝে মাঝে মাতালদের উচ্চস্বরের কথা শুনে জ্ঞান হয় আরোও একটা সপ্তাহ গেল। নতুনবা কি বার সেটা হিসেবই করা হয় না। দেখতে দেখতেই ছয় দিন কিভাবে যে পার হয়ে যায় টেরই পাই না।

কে বলে সময়ের একক সেকেন্ড, এখন আমি তো বলি সময়ের একক সপ্তাহ। রবিবার না এলে তো হিসেবই করি না কয়দিন গেল!

কিছু একটা লিখতে ইচ্ছে করছিল, লিখতে পারছিলাম না। আজকাল সব কিছুতেই কেন জানি খুব বিরক্ত লাগে। শুধু শুরু বোধ হয় ছাইপাই লিখে পোষ্টের সংখ্যা বাড়ালাম।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শরীফ থেকে শরীফা ইস্যু কেন চাঙা হচ্ছে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৩:১৭


দেশে ট্রান্সজেন্ডার ও সমকামী ইস্যু নিয়ে জল ঘোলা হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমকামী ইস্যুতে একের পর এক বহিষ্কারের ঘটনার মধ্যেই নতুন করে আলোচনায় এসেছে দুই... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্প - অভাগীর সুর ব্যঞ্জনা – পর্ব ১ -

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:০৮


শহরটা রাতে কখনও পুরো ঘুমোয় না। কেউ প্রেমে জাগে, কেউ স্বপ্নে, কেউ অপরাধবোধে।আর কেউ কেউ জেগে থাকে অভাবে। তিনতলার ছোট্ট ভাড়া-বাড়িটির জানালার পাশে বসে শিরীন হারমোনিয়ামের রিডে আঙুল রাখল।

বাইরে তখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

জন্মদিনে তাহাদের জন্য শুভকামনা। আমার জন্মদিনের স্মৃতি...

লিখেছেন করুণাধারা, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৫৬



একেকটা জন্মদিন পার করা মানে জীবন বইয়ের একেকটা পৃষ্ঠা পড়ে ফেলা, কয়েক বছর পরপর সেই বইয়ের একেক অধ্যায় শেষ হয়! বইটা ট্রাজেডি না কমেডি, একেবারে শেষ পর্যন্ত না পৌঁছালে তা... ...বাকিটুকু পড়ুন

চুপ - একদম চুপ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭



আমরা শুধু চুপ থাকবো -
আমাদের কথা বলার মুখ নেই
আমাদের দেখার মতো চোখ নেই
আমাদের শোনার মতো কান নেই
মনে হয়, মনে হয় -
আমাদের হাত-পাও নেই।

আমাদের বিবেক নেই
আমাদের চিন্তা-চেতনাও নেই
আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

হিজিবিজি নদী চলে মন উদাসের দেশে !

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:০২





হিজিবিজি নদী চলে মন উদাসের দেশে !

...................................................................
মানচিত্রের আঁকাবাঁকা রেখায় তারে পাবেনা,
সে নদী তো চেনা কোনো ঠিকানায় যাবে না।
তার কোনো কূল নেই, নেই কোনো ঘাট,
সে বয়ে চলে একা, বুক জুড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×