শেখ হাসিনার আর ত্বর সইছে না। প্রতিদিনই তিনি নির্বাচন দাবী করছেন। কয়েকদিন আগে বললেন মে মাসের মধ্যে নির্বাচন দিতে হবে আবার গতকালের দলীয় সভায় জুনের মধ্যে নির্বাচন দাবী করেছেন।
কেন এত উতলা?
পাঁচটা বছর তো হল, কতদিন সিংহাসনে বসা হয়নি তার। জিয়ার যুবরাজ তো সব খেয়েই শেষ করেদিল, তার যুবরাজ কি পাবে? অধেল সম্পদের তেষ্টায় তো মরি প্রাণ যায় যায়, ক্ষমতায় এসে যতক্ষন শালার জনগনের পুটকি না মারতে পারছি, ততদিনে শান্তি কিসের?
এটাই তো সুযোগ ৃ
যে হারে তত্ত্বাবধায়ক সরকার জরুরী ক্ষমতাবলে একটা একটা করে ওই পক্ষের নেতাকে শ্বশুরবাড়ি পাঠাচ্ছে, তাতে তার তো পোয়াভারি। এখন নির্বাচন দিলেই তো কেল্লা ফতে! তখন আর পায় কে? নয়তো আবার ওইপক্ষ শেষ করে এইপক্ষের হিসাব না শুরু করে দেয়। আপাতত্ যে কয়টা গেছে যাক, সমস্যা নাই। আরো কিছু গেলেন তো গনেশ উল্টাবে। এখন ম্যাডাম যেখানে আত্মশুদ্ধির কথা বলে, আপার তখন একটাই দাবী ৃ নির্বাচন, নির্বাচন্ আর নির্বাচন।
নয়তো ৃ
যেইভাবে একজন একজন করে সেনাবাহিনীর অবসরে থাকা সেনাপতিরা ক্ষমতাধারী পদে বসছে, তাতে একদিন ভুল করে যদি পুরো সেনাবাহিনীই যদি এসে পড়ে তাহলে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি না হয়ে যায়। আবার শুনছি নিরাপত্তা বিভাগ না কি যেন হতে যাচ্ছে?
আপার বুঝি ভয় লাগে না!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



