কয়েকদি আগে একজন মহিলার সাথে পরিচয় হয়। আনর্্তজালে ঘুরাফেরা করতে করতেই তার সাথে পরিচয়। আমার চেয়ে বয়সে বড় বলেই মহিলা বললাম, ঠিক হল কিনা জানি না।
যাই হোক, উনি সাক্ষাত বাঘিনী। কথা বলেন চটাৎ চটাৎ, কাউকে পাত্তা দেন বলে মনে হয়নি। মনে হয় ধরতে পেলেই খামচি দেবে, হালুম।আবার কথায় কথায় এত উচ্চ ভাবনার(হাই থট) কথা বলেন যে আমার দাঁত খুলে যাবার উপক্রম। কথা বলার ধরন খুবই মার্জনীয় কিন্তু কথার মাঝে কিসের যেন একটা দুঃখ লুকিয়ে আছে। দু'একবার জিজ্ঞাসা করেছি, স্বভাবমত উচ্চ ভাবনার কিছু একটা বলে এড়িয়ে গেছে।
তার সবচেয়ে ভাল ব্যাপার যেটা লেগেছে যে তার মধ্যে কোন কিছু লুকানোর স্বভাব নেই। আর আগেই বলেই কথা বলেন খাসা। সাহিত্য আর ইতিহাসে একেবারে সিদ্ধহস্ত। কিন্তু স্বীকার করেন নি। এরমধ্যেই তার ভক্ত হয়ে পরেছি।
এতকথা বলার পেছনের কারনটা এখন বলছি। তাহল অজানা কোন কারনে উনি আর আমার সাথে কথা বলছেন না। তাই তাকে নিয়েই এই খেরোখাতার নিবন্ধটি লিখলাম। যদি এটি তার নজরে আসে তো জেনে নেবেন আমার অপরাধ হয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
আমার হয়ে আপনারাও বাঘিনীর কাছে অনুরোধ করুন । আর একটা কথা বলে দেই উনি ভূতকে(আমাদের সতীর্থ ভূত ভাই না, আসল ভূত) খুব ভয় পায়।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



