দেরী করেই খবরের কাগজ খুললাম পড়ার জন্য। খুলেই কয়েক খবরে চোখ আটকে গেল। বুঝতে পারলাম না খবরগুলো পড়ে কি করা উচিৎ। মনে মনে কয়েকটা গালি দেয়া ছাড়া কিছুই করতে পারলাম না।
শেখ হাসিনা বলেছেন জাতিকে বিভ্রান্ত করার জন্যই শায়খকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এতদিন ওনার অভিযোগ ছিল শায়খকে ধরতে পারছে না? শায়খের সাথে সরকারের আতাঁত আছে ইত্যাদি ইত্যাদি। আবার এখন যখন শায়খ নিদেনপক্ষে কারাবন্দি তখন রাজনীতির নোংরা খেলায় মুখ ঘুরিয়ে দিয়েছেন।
শায়খের পরিত্যক্ত জিনিসপত্রের মধ্যে রাজাকার গো আযমের বই, মোবাইল ইত্যাদি ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই সেগুলো হাপিস হয়ে গেছে। শায়খ শালাও নিঃসন্দেহে গো আযমের সাগরেদ না হলেও একই তত্ত্বতে বিশ্বাসী ছিল। কিন্তু এইদিকে গো আযমের আরেক ইয়ার, জানের জান, পরানের পরান, আমাদের মাননীয় মন্ত্রী আজও বলেছেন বাংলা ভাই, জঙ্গিবাদ ইত্যাদির সাথে সংবাদপত্র জড়িত। কত বড় রামছাগল না হলে নিজের সাফাই গাইতে এত বড় নিবোর্ধ কথা বলতে পারে।
ওদিকে কেটিএস গার্মেন্টস-এর মালিক রাতারাতি বড় লোক হবার কাহিনীটা ভালই লাগতো। আসলে শ্রমিকের রক্তের উপর দাড়িঁয়ে আকাশকে ধরা যায়। বেচারা তাই করেছেন। এতটুকু বিলাসিতা না করলে তার কিছুই হতো না, 56টা প্রান বেঁচে যেত। যাই হোক এক কথা বার বার বলতে ভাল লাগে না। শ্রমিক মরেছে, আরোও মরবে। তাদের এই মরার মিছিল কখনও বন্ধ হবে না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



