আমি সবসময়ই শ্লীলতার, মুক্তচিন্তার পক্ষে কথা বলেছি। দীক্ষক দ্রাবিড় ও অপ বাকের দেয়া ডাকে সাড়া দিয়ে ঠিক করেছিলাম আগামী দু'দিন কিছু লিখবো না। কিন্তু অপ বাককে লিখতে দেখে ভাবলাম হরতাল ভেঙ্গে লেখা শুরু করব। কিন্তু সবার আগে হরতালে যাবার পেছনে আমার বক্তব্যটুকু বলতে চাই।
আমরা এখানে কোন পাল্লা দিতে আসিনি কিংবা হার জিতের প্রতিযোগীতায় আর্বিভূত হইনি। তাই হরতাল ভাঙ্গলে একদল খুশি হবে আর অন্য দল রাগ হবে তা নিয়ে বাড়াবাড়ি করাটা বোধ হয় বড় বেশি ছেলেমানুষী হয়ে যাচ্ছে।
আমি মাসুদা ভাট্টি লেখা মুঝে ফেলার কারনে হরতালে গিয়েছি, কারন লেখার অধিকার লেখক দেয়া উচিৎ। সেটা লেখকের স্বাধীনতা। কিন্তু অশ্ল্লীলতার নাম করে যেভাবে তাকে আক্রমন করা হল সেটা কোন সংজ্ঞাতেই গ্রহনযোগ্য হতে পারে না। অশ্লীলতার ধুয়ো ধরে তার লেখাকে মুছে ফেলা হলে, কিন্তু ইন্টারনেটের যুগে কোনটা অশ্লীল, কোন শ্লীল তার পুরোটাই পাঠকের উপর নির্ভর করে। কারোও কাছে অশ্ল্লীল মনে হলে সেটা পড়ার দরকার নেই। সেটা নিয়ে অশ্লীল গালাগালি করলে লেখককে লেখা ছাপানো থেকে বিরত রাখা যায় কিন্তু নিজের মধ্যের অশ্লীল দিকটা তো বেরিয়ে পড়ে। সেটাকে কিভাবে আটকাবেন?
দুই পক্ষের মাঝে পড়ে কর্তৃপক্ষের অবস্থা কি সেটা সহজেই অনুমেয়। না পারছে সইতে না পারছে ছাড়তে। কিন্তু এই বিষয় নিয়ে আগামীতে বড় আন্দোলন করা হবে, দেশে-বিদেশে জানানো হবে- এই সব একটু বেশি বাড়াবাড়ি হচ্ছে। আমার মনে হয় সব কিছু ভুলে গিয়ে আগের মতো পরিবেশ ফিরিয়ে নিয়ে আসা উচিত।
আমি বড় বড় কথা বুঝি না, বুঝতে চাইইও না। চটি লেখার কথাও অনেকে বলেছেন। আমার মনে হয় লেখককে সেটা লেখারও স্বাধীনতা দেয়া উচিৎ। পড়া না পড়াটা আমাদের উপরই থাক। লেখাই তো লেখকের আসল পরিচয়। কেউ যদি শুধুমাত্র অন্যদের বিরক্ত করার জন্যই কেউ অহেতুক অশ্লীল কথা বলে তাহলে একদিন, দুইদিন তাকে পাত্তা না দিলেই একদিন বিরক্ত হয়ে সে লেখা বন্ধ করে দেবে।
আমরা তো ভাই একটু বিনোদনের জন্যই এই সাইটে আসি। এখানেও যদি এমন ঘটনা ঘটতে থাকে তো যাবো কোথায়?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



