যারা স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখেনি, শুধু অন্যের মুখে স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখে, তাদের কাছে সম্পূর্ণ বিষয়টাই ঘোলাটে। তাই এ প্রজন্মটাই সহজে বিভ্রান্তিতে পড়ে। আমিও সেই প্রজন্মেরই একজন প্রতিনিধি।
ু
আমরা মূলতঃ শিক্ষক, মা-বাবা কিংবা নিকট আত্মীয়ের কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধের কাহিনী শুনেই তাকে উপলদ্ধি করা চেষ্টা করি। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের ইতিহাস এতই বড় যে তাকে সঠিক উপলদ্ধি করা কঠিন, আমি যতটুকু বুঝি। তাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে উপলদ্ধি করে জামায়াত ধর, আর কাট কিংবা জাতীয় সংগীতে স্বাধীনতার গান নির্বাচন- এদিয়ে স্বাধীনতা পূর্নতা পাবে না।
আমি একটা জিনিসে বিশ্বাস করি, ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটে। আজকে আপনি কাউকে এক চড় মেরে বসলেন, একদিন না একদিন চড় আপনি সুদসমেত ফেরত পাবেন। তেমনি জামায়াত যে বর্বরচিত ঘটনা ঘটিয়ে ছিল, তারা তার ফল ভোগ করবেই। তাই বলে আমি তাদের ক্ষমা করে দিতে বলছি না। শুধু বলছি, তাদেরকে হিসেবে রেখে আমরা যে সামনের দিকে এগিয়ে যাই।
স্বাধীনতা মানে কি শুধু বাকস্বাধীনতা? তা কিন্তু নয়, স্বাধীনতা মানে ধমর্ীয় স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সবের্াপরি জীবনেই প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বাধীনতা। তাই আমরা যদি একে অপরের পেছনে কাদা ছোড়াছুড়িতে লেগে থাকি তো ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তে পাওয়া স্বাধীনতা ব্যর্থ হয়ে যাবে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



