'অ্যাকশন অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন' শব্দটা আমাদের জীবনে কেমন করে জানি মিশে গেছে। সবকিছুতেই জ্বালাও পোঁড়াও ছাড়া কিছু যেন বুঝতেই পারি না।
বেশ কিছুদিন আগের কথা বুয়েটে পূজা বন্ধ কম দিয়েছে, তাই অ্যাকশনে নেমে ছাত্ররা ধর্মঘট করে পুরো বুয়েট বন্ধ করে দিল।
কোথাও বিদু্যৎ নেই, বেশ হলো। ডাইরেক্ট অ্যাকশন, বিদু্যৎ কেন্দ্রে যা কিছু আছে ভেঙ্গে ফেল। আরে বাবা, সব কিছু ভাঙ্গলে কিছু বিদু্যৎ আসবে।
দেশে ইসলামী শাসন কায়েম করতে হবে, শরীয়া আইন আনতে হবে, ব্যস হলো সারা দেশে বোমা ফুটিয়ে মানুষ মারো তারপর দেশ উজাড় হয়ে গেলে কাক-পক্ষীকে আইন শিখাও।
রাস্তার উন্নতি করতে হবে, ডিভাইডার থাকলে ভেঙ্গে ফেল, না থাকলে ক্রিকেটের পিচের মতো চওড়া ডিভাইডার বানাও। যাতে ট্রাফিক সিগনালের মাঝে মাঝে ভিক্ষুকেরা দাড়িয়ে দাড়িয়ে ভিক্ষা করতে পারে।
2020 সালের মধ্যে দরিদ্রতা হঠাতে হবে, বিশেষজ্ঞ নিয়োগ কর। তারই সব পয়সা দিয়া বাকিটা আমলা বাইট্যা লও।
জিয়াউর রহমানের জীবনী লিখছেন জনৈক শিক্ষক। একপাতা জীবনীও জমা দেয় নাই, পুরো পারিশ্রমিকই নিয়ে নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে।
বদরূল মিয়া দূনীর্তির বিরুদ্ধে ব্লগ লিখতে, আরেক জনে কয় চলেন ভাই আন্দোলনে যাই। আরে মিয়া, আন্দোলনে যাওয়া আগে নিজে পরিষ্কার আছেন কিনা সেইটা কি নিশ্চিন্ত?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



