ব্লগ পোষ্টের যে জোয়ার শুরু হয়েছে, তাতে উনি আর বেশিদিন এই লিষ্টে থাকতে পারবেন বলে মনে হয় না, এখন তো একেক জন্য দিনেই 20-25 টা ব্লগ অনায়াসে পোষ্ট করে যাচ্ছে।
একদিন সতীর্থ ব্লগার অরূপ বলেছিল, ব্লগ নাকি নিজের ডায়রী লেখার মতো, যা ইচ্ছা লেখা যায়। কিন্তু ডায়রিতে আমরা কি লিখি, সারাদিন যা করি, যা ভাবি, যা করতে চেয়েছি- তাই তো, নাকি? তাই যদি হয় তা হলে একদিনে কি করে একজন মানুষ 20-25টা ভিন্ন ভিন্ন বিষয় নিয়ে ভাবতে পারে, স্বয়ং মধুসূদনও একসাথে এতগুলো কবিতা লিখতে পারেননি, আমাদের ব্লগাররা যেভাবে ব্লগ লিখতে পারছেন।
যাই হোক, ব্লগার হিসেবে হীরক লস্কর অল্পদিনেই বেশ সুনাম কুড়িয়েছিলেন।তার বহুমুখী চিন্তা ধারার প্রতিফলন তার প্রতিটি ব্লগে সুস্পষ্ট। হীরক লস্কর নিরুদ্দেশ হয়ে তার দায়িত্ব শোমচৌকে দিয়ে গিয়েছেন। শোমচৌও সেই ধারা বজায় রেখেছেন। এই সাইটে লস্করদার সবচেয়ে বড় অবদান হলো, শতক হাঁকানোর পরে বক্তৃতা প্রদানের ট্রেডিশনটা শুরু করা। সেই সময়ে তার এই বিষয়ক ব্লগটা কিছুটা আদ্যিখেতা মনে হলেও এখন সবার মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। আমিও একটা বক্তৃতা ঝেড়েছি
।
হীরক লস্কর, আপনি যেখানেই থাকুন, যেই নামেই ব্লগ লিখুন না কেন, আপনার জন্য অনেক শুভাশীষ থাকল।
ধন্যবাদ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



